আশরাফ আলী সোহান

শুক্রবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০১৬

স্বাধীনতার দীর্ঘ ৪৫ বছরেও জাতি স্বাধীনতার সুফল পায়নি, স্বাধীনতা ও মুক্তি পেতে সকলকে ইসলামের ছায়াতলেই ফিরে আসতে হবে -অধ্যক্ষ ইউনুছ আহমাদ





১৮ ডিসেম্বর মিয়ানমার অভিমুখে #লংমার্চ সফলের আহ্বান:
স্বাধীনতার দীর্ঘ ৪৫ বছরেও জাতি স্বাধীনতার সুফল পায়নি, স্বাধীনতা ও মুক্তি পেতে সকলকে ইসলামের ছায়াতলেই ফিরে আসতে হ[one_half][/one_half]বে -অধ্যক্ষ ইউনুছ আহমাদ

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর মহাসচিব অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা ইউনুছ আহমাদ বলেছেন, বাংলাদেশ স্বাধীনতার পিছনে মুসলমানদের সবচেয়ে বেশি অবদান। ১৯৪৭ সালে মাওলানা শাহ আব্দুল আজিজ মুহাদ্দিস দেহলবী রহ.ভারতকে দারুল হারব রাষ্ট্র ঘোষণা না দিলে এদেশ স্বাধীন হতো না। স্বাধীনতার ৪৫ বছর পর এসে যারা ধর্মনিরপেক্ষতার ঘোষণা দেয় তারা আসল ইতিহাসকে গোপন করছে। স্বাধীনতার ঘোষণায় ধর্মনিরপেক্ষতার কথা ছিল না। ৭৫ সালে ধর্মনিরপেক্ষতা সংযোজন করা হয়। বিজয় হয়েছে একটি দেশের, ভূ-খন্ডের, স্বাধীন হয়নি এদেশের মুসলমানদের। ৭১-এ দেশের জনগণ যে আশা ও চেতনা নিয়ে জীবন দিয়ে পাকিস্তানীদের কাছ থেকে বাংলাদেশের বিজয় ছিনিয়ে এনেছিলো তা আজও বাস্তবায়ন হয়নি। তিনি বলেন, স্বাধীনতা সংগ্রামে মুসলমানরাই সবচেয়ে বেশি ভুমিকা পালন করেছে। কোন নাস্তিক-বেঈমানদের অবদান ছিল না। মুক্তিযোদ্ধারা বিসমিল্লাহ বলে এবং আল্লাহু আকবার বলেই গুলি চালিয়েছে। কাজেই ৪৫ বছর পর এসে জাতিকে বিভক্ত করার চক্রান্ত দেশপ্রেমিক ঈমানদার জনতা জীবনের শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে হলেও রুখে দাড়াবে। আলোচনা সভা হাউজবিল্ডিং চত্ত্বরে হওয়ার কথা থাকলেও পুলিশ সভার মঞ্চ করতে দেয়নি।
আজ ১৬ ডিসেম্বর শুক্রবার বিকেলে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের উদ্যোগে পুরানা পল্টনস্থ আইএবি মিলনায়তনে ‘বিজয়ের ৪৫ বছর : প্রাপ্তি ও প্রত্যাশা’ শীর্ষক আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি উপরোক্ত কথা বলেন। সংগঠনের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি মাওলানা ইমতিয়াজ আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর যুগ্ম মহাসচিব অধ্যাপক মাওলানা এটিএম হেমায়েত উদ্দিন, মাওলানা গাজী আতাউর রহমান। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন যুবনেতা কেএম আতিকুর রহমান, মাওলানা লোকমান হোসাইন জাফরী, মাওলানা আতাউর রহমান আরেফী, ছাত্রনেতা জিএম রুহুল আমীন, শ্রমিকনেতা হারুনুর রশিদ, ইসলামী মুক্তিযোদ্ধা পরিষদের সদস্য সচিব বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কাশেম, ইসলামী আইনজীবী পরিষদের সেক্রেটারী এ্যাডভোকেট লুৎফুর রহমান শেখ, মাওলানা এবিএম জাকারিয়া, মোঃ মোশাররফ হোসেন, এইচ এম মাওলানা সাইফুল ইসলাম, মাওলানা শেখ নূর-উন-নাবী, ইঞ্জিনিয়ার গিয়াস উদ্দিন, মাওলানা মাসউদুর রহমান প্রমুখ। বিকাল ৩টা থেকে শুরু হয়ে আলোচনা সভার ফাকে ফাকে বিভিন্ন ইসলামী সাংস্কৃতিক সংগঠনের শিল্পীদের পরিবেশনায় মনোমুগ্ধকর ইসলামী ও দেশাত্মকবোধক সংগীতে দর্শক মাতিয়ে তোলে।
মাওলানা ইউনুছ আহমাদ বলেন, মুসলমানদের অনৈক্যের কারণে বিশ্বব্যাপী তাগুতি শক্তিগুলো মুসলমানদের উপর তাদের আধিপত্য বিস্তারে হিংস্র আঘাত করেই যাচ্ছে। তিনি ১৮ ডিসেম্বর মিয়ানমারে মুসলিম গণহত্যা বন্ধে ইসলামী আন্দোলনের লংমার্চ কর্মসুচী সফলের জন্য দলমত নির্বিশেষে সকলের প্রতি আহ্বান জানান।
অধ্যাপক মাওলানা এটিএম হেমায়েত উদ্দিন বলেন, যে দেশের মানুষের ঘুম ভাঙ্গে আজানের ধ্বনিতে, সেদেশের মানুষকে জঙ্গিবাদ ও আইএসের অপবাদ দিয়ে দমিয়ে রাখা যাবে না। স্বাধীনতা সংগ্রামে ঈমানদার জনতার অবদান স্বীকার করতেই হবে। যারা বিভিন্ন অজুহাতে জাতিকে বিভক্ত করতে চায় তাদের চক্রান্ত রুখে দিতে হবে। তিনি বলেন, মেহনতি মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সর্বস্তরের জনতাকে কায়েমী স্বার্থবাদের বিরুদ্ধে মুক্তির সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে।
মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেন, স্বাধীনতা যুদ্ধে পাশ্ববর্তী রাষ্ট্র ভারত আমাদের সহযোগিতা করছে বলে একদল লোক ভারতকে বন্ধু মনে করে অথচ সেই ভারতই বাংলাদেশের সীমান্তে প্রতি ৪দিনে বিএসএফকে দিয়ে একজন বাঙ্গালীকে গুলি করে হত্যা করছে। তিনি বলেন, লাখো শহীদের রক্তে কেনা এদেশের রাজনীতি, ধর্ম, অর্থনীতি, সমাজ, শিক্ষা ও চিকিৎসা সর্বক্ষেত্রে অশান্তি বিরাজ করছে। স্বাধীনতার চেতনাকে যারা ধর্মনিরপেক্ষতার চেতনা বলে চালিয়ে দিতে চায় তারা জ্ঞানপাপী।
সভাপতির বক্তব্যে মাওলানা ইমতিয়াজ আলম বলেন, বিজয়ের ৪৫ বছরে ক্ষমতাসীনরা রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হয়েছে। স্বাধীনতা পরবর্তী সরকারগুলো দেশকে বিদেশীদের আক্রমনের কেন্দ্রেস্থলে পরিণত করে স্বাধীনতাকে ধ্বংস করার ষড়যন্ত্র করছে। সরকারের মন্ত্রীরা ইসলামের বিরুদ্ধে জিহাদ ঘোষণা করেছে। তিনি বলেন, স্বাধীন দেশে ইসলামী আইন ও হুকুমত না থাকার কারণে সমাজে জুলুম নির্যাতন, খুনসহ অপরাধ বেড়েই চলছে। বিজয়ের প্রাপ্তি সম্পর্কে মরহুম শেখ মুজিবুর রহমান বলেছিলেন, আমরা পেয়েছি চোরের খনি, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের শাসনামলে জনগণ জেনেছে তার দল আওয়ামীলীগ ও বিএনপি উভয় দলই এ চোরেরা রয়েছে। তিনি বলেন, ইসলাম বাদ দিয়ে সেকুলারিজম কায়েম করা, পর্দা উঠিয়ে দেয়া, ইসলামী রাজনীতি নিষিদ্ধ করা এবং ইসলামী তাহজীব তামাদ্দুনকে ধ্বংস করতে এদেশ স্বাধীন হয়নি।

আসন্ন #লংমার্চে ইসলামী আন্দোলনের সর্বস্তরের দায়িত্বশীলগণ প্রস্তুত। আপনি প্রস্তুত তো?

বুধবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬

আহলে হাদীস এমন ফেতনা যা সকল ফেতনার দ্বার খুলে দেয় -শায়েখ আব্দুল হাফিজ মক্কী দা.বা.



আহলে হাদীস এমন ফেতনা যা সকল ফেতনার দ্বার খুলে দেয়! যার ফলে লা-মাযহাবী তথা আহলে হাদীস দাবীদাররা মনগড়া ভ্রান্তবাদ প্রচার করে নিজে গোমরাহ হচ্ছে অন্যকেও গোমরাহ করছে। বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম মুসলিম গণজমায়েত ঐতিহ্যবাহী চরমোনাই-এর মাহফিলে আল্লামা শায়খ যাকারিয়া রহ.-এর সর্বশেষ খলিফা আরব বিশ্বের প্রখ্যাত আলেম আল্লামা শায়খ আবদুল হাফিজ মাক্কি দা.বা. এসব কথা বলেন। তিনি আরো বলেন, লা-মাযহাব হলো এমন ফেতনা যার মাধ্যমে মুসলমানদেরকে কুরআন-হাদীস থেকে বের করার ষড়যন্ত্র চলছে। চরমোনাই তরিকা যেমন রশীদ আহমদ গঙ্গুহীর সাথে মিলেছে আমার নেসবতও সেই রশীদ আহমদ গঙ্গুহীর সাথে মিলেছে।

বিশ্বর তৃতীয় বৃহত্তম ইসলামী সম্মেলন আপডেট// বাদ মাগরিব বয়ান।

চারিদিকে বৃষ্টির পানি -কাদার মাঝেও মানুষ জমে গেছে মাওলা পাকের বয়ান শুনছে অনায়াসে ..................................

মঙ্গলবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬

আহলান-সাহলান মারহাবান , ওলামায়ে দেওবন্দের আগমন চরমোনাই ময়দান


আলহামদুলিল্লাহ.....
এই মাত্র ঐতিহ্যবাহী চরমোনাই-এর মাহফিলে উপস্থিত হলেন আল্লামা শায়খ যাকারিয়া রহ.-এর সর্বশেষ খলিফা আল্লামা শায়খ আবদুল হাফিজ মাক্কি দা.বা., দারুল উলুম দেওবন্দের ভাইস প্রিন্সিপাল হযরতুল উস্তাদ মাওলানা আব্দুল খালেক সাম্ভলী দা.বা., দেওবন্দের আরো কয়েকজন মেহমান সহ দুই লঞ্চ ভর্তি দেশ-বিদেশের আলেম উলামা।
লঞ্চঘাটে মেহমানদের অভ্যর্তনায় উপস্থিত ছিলেন, নায়েবে আমীরুল মুজাহিদীন শায়খে চরমোনাই আল্লামা মুফতী সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম দা.বা.




বৃহস্পতিবার, ২১ জানুয়ারি, ২০১৬

জামিয়া ইউনুসিয়ায় হামলায় আহতদের চিকিৎসায় ও শহীদ হাফেজ মাসুদের পরিবারকে পীর সাহেব চরমোনাইর পক্ষ থেকে আবারো নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান।


ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ রিয়াদ ( সৌদিআরব) শাখার সহায়তায় , পীর সাহেব চরমোনাইর পক্ষ থেকে আবারো নগদ অর্থ সহায়তা নিয়ে জামিয়া ইউনুসিয়ায় এবং শহীদ পরিবারে ছুটেঁ এলেন কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ।
সৌদিআরব- রিয়াদ শাখার সহায়তায় নগদ অর্থ নিয়ে, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের যুগ্ম মহাসচিব আলহাজ অধ্যাপক মাহবুবুর রহমানের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল প্রথমেই যান জামিয়া ইউনুসিয়া ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ
রিয়াদ শাখার জয়েন্ট সেক্রেটারি আলহাজ্ব মাও: জসিম উদ্দীন , বি,বাড়ীয়া জেলা সেক্রেটারি আলহাজ্ব মাও: গাজী নিয়াজুল করীম, জয়েন্ট সেক্রেটারি মাহমূদুল হাসান হিফয্, দফতর সম্পাদক মুহা: উবায়েদুল হক, বামুক জেলা নায়েবে সদর মীর মুস্তাফিজুর রহমান, মাও: সৈয়দ আসাদুল করীমসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ এসময় উপস্থিত ছিলেন।
জামিয়ার প্রিন্সিপ্যাল আল্লামা আলহাজ্ব মুফতী মুবারকুল্লাহ দা. বা. মুফতী আব্দুর রহীম কাসেমীসহ জামিয়ার অন্যান্য উস্তাদগন প্রতিনিধি দলকে আপ্যায়ন ও বিভিন্ন বিষয়ে অবহিত করেন। এ সময় পীর সাহেব চরমোনাইর পক্ষ থেকে আবারো উল্লেখযোগ্য নগদ অর্থ সহায়তা এবং বিভিন্নভাবে ভুমিকা রাখায় মুবারকবাদ জানালে নেতৃবৃন্দও জামিয়ার যে কোন প্রয়োজনে পাশে থাকার ঘোষণা দেন।
--------
জামিয়া ইউনুসিয়া থেকে বিদায় নিয়ে-
যুগ্ম মহাসচিব আলহাজ্ব অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান সাহেব, রিয়াদ শাখার মাও. জসিম উদ্দীন, সংগঠনের জেলা সেক্রেটারি মাও: গাজী নিয়াজুল করীম ও মাহমূদুল হাসান হিফয্কে সঙ্গে করে -
১১ জানুয়ারি জামিয়ার ছাত্র, বাংলাদেশ মুজাহিদ কমিটির মুরাদনগর উপজেলার সাবেক ইমাম- কাম অডিটর মরহুম মাও: হাফেজ ইলিয়াস সাহেবের সাহেবযাদা শহীদ হাফেজ মাসউদুর রহমানের বাসভবনে যান।
শহীদ মাসুদের বড় ভাই মাও: মামুনুর রশীদ, ছোট ভাই হাফেজ মাহমূদুরর রহমানের সাথে সময় কাটান ও সার্বিক খোজখবর শেষে- তাদের হাতে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এক আবেগঘন পরিবেশে
যগ্ম মহাসচিবের দোয়ার মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে প্রতিনিধি দলটি বিদায় নেন।

বুধবার, ৬ জানুয়ারি, ২০১৬

চরম অসুস্থ আল্লামা আনোয়ার শাহর শয্যাপাশে মুফতী ফয়জুল করীম দাঃবাঃ





আজ ৬/১/১৬ ইং, বাংলাদেশের অন্যতম আলেমে দ্বীন, আল-জামিয়াতুল এমদাদিয়া কিশোরগন্জ এর স্বনামধন্য মুহতামীম আল্লামা আযহার আলী আনোয়ার শাহ দাঃবাঃ
এর অসুস্থতার খবর শুনে তাঁর শয্যার পাশে ছুটে যান এবং হযরতের শারীরিক খোজখবর নেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর সিনিয়র নায়েবে আমির আল্লামা মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করিম (শায়েখে চরমোনাই) দাঃবাঃ।এ সময় তিনি হযরতের সুস্থতার জন্য মহান রবের নিকট কায়মনোবাক্যে দোয়া করেন।