আশরাফ আলী সোহান

শুক্রবার, ৩ মার্চ, ২০১৭

সুপ্রিমকোর্ট প্রাঙ্গণ থেকে মূর্তি অপসারণ না হলে আন্দোলনের দাবানল জ্বলে উঠবে: ইসলামী আন্দোলন


আইএবি নিউজ: ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যক্ষ সৈয়দ মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল-মাদানী বলেছেন, ৯২ ভাগ মুসলমানের দেশে সর্বোচ্চ বিচারালয় প্রাঙ্গণে গ্রিক দেবীর মূর্তি স্থাপন করে মুসলমানদের ধর্মীয় অনুভূতিতে চরম আঘাত করা হয়েছে। জাতীয় ঈদগাহঘেঁষে লেডি মূর্তি স্থাপন করে মুসলি­দের নামাজ বিনষ্ট করার চেষ্টা করা হচ্ছে। জাতীয় ঈদগাহ’র সম্মান রক্ষার্থে অবিলম্বে লেডি মূর্তি অপসারণ করুন অন্যথায় সর্বত্র কঠোর আন্দোলন গড়ে উঠলে সরকারের আখের রক্ষা হবে না।

আজ শুক্রবার বাদ জুমআ জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররম উত্তর গেইটে বিশাল সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ সভাপতি আলহাজ্ব মাওলানা ইমতিয়াজ আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন যুগ্ম মহাসচিব অধ্যাপক মাওলানা এটিএম হেমায়েত উদ্দিন ও মাওলানা গাজী আতাউর রহমান, উত্তর সভাপতি অধ্যক্ষ মাওলানা শেখ ফজলে বারী মাসউদ, ছাত্রনেতা হাসিবুল ইসলাম, মাওলানা এইচ এম সাইফুল ইসলাম, ঈমান উদ্দিন, এইচ এম ছিদ্দিকুর রহমান, এহতেশামুল হক পাঠান, শরীফুল ইসলাম। সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক মাওলানা আহমদ আব্দুল কাইয়ূম, মাওলানা আতাউর রহমান আরেফী, আলহাজ্ব আব্দুর রহমান, মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাকী, আলহাজ্ব জান্নাতুল ইসলাম, দক্ষিণ সেক্রেটারী মাওলানা এবিএম জাকারিয়া, উত্তর সেক্রেটারী মোহাম্মদ মোশাররফ হোসেন প্রমুখ।

অধ্যক্ষ মাদানী ১৩ মার্চ গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে জ্বালানী মন্ত্রণালয়ে স্মারকলিপি পেশ, মূর্তি অপসারণের দাবীতে ১৮ মার্চ গণসমাবেশ, ২১ এপ্রিল জাতীয় মহাসমাবেশের কর্মসূচি ঘোষণা করেন।

অধ্যাপক এটিএম হেমায়েত উদ্দিন বলেন, গ্রিক মূর্তি স্থাপন করে মুসলমানের ঈমানে চরম আঘাত করা হয়েছে। জাতীয় ঈদগাহ’র পাশে এভাবে মূর্তি স্থাপন কোনভাবেই মেনে নেয়া যায় না। মূর্তির সংস্কৃতি ইসলাম ও মুসলমানের বিরুদ্ধে নতুন ষড়যন্ত্র। এ থেকে সরকারকে বের হয়ে আসতে হবে।

অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান বলেন, প্রধান বিচারপতি দেশের সম্পদ নষ্ট করে মূর্তি স্থাপন করায় জনগণের কাছে তার জবাব দিতে হবে।

মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেন, মূর্তি অপসারণ না করলে যেভাবে দেশময় ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে উঠছে সরকারের বিরুদ্ধে সে জনমত চলে গেলে সরকারের পতন ঘন্টা বেজে যাবে।

সভাপতির বক্তব্যে মাওলানা ইমতিয়াজ আলম বলেন, সরকারের কতিপয় মন্ত্রী, অ্যাটর্নি জেনারেলসহ অনেকে মূর্তির পক্ষে অবস্থান নেয়ায় মৃত্যুর পর তাদের জানাজা কোন মুসলমান পড়বে না এবং তাদের সাথে কেউ আত্মীয় করবে না। ভবিষ্যতে কেউ মূর্তির পক্ষে অবস্থান নিলে তাদেরও কেউ জানাজা পড়বে না। তিনি অবিলম্বে মূর্তি অপসারণের দাবি জানিয়ে বলেন, অন্যথায় আন্দোলন সর্বত্র ছড়িয়ে পড়লে সরকারের সামাল দেয়া কঠিন হবে।

 

ইশা ছাত্র আন্দোলন সোনাইমুড়ী পৌর শাখার ২০১৭ সেশনের কমিটি গঠিত

আইএবি নিউজ: গতকাল (বৃহস্পতিবার) ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন সোনাইমুড়ী পৌর শাখার সভাপতি মুহা. জাকির হুসাইনের সভাপতিত্বে ওয়ার্ড প্রতিনিধি সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ইশা ছাত্র আন্দোলন সোনাইমুড়ী উপজেলা শাখার সহ-সভাপতি জি.এম মাহমূদুল হাসান হামিদী।আরো উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সাধারণ সম্পাদক মুহা. শহিদুল্লাহ কাউসার, সোনাইমুড়ি আলিয়ার সভাপতি মু. মিজানুর রহমান আতিক। সভা শেষে ২০১৭ সালের পৌর শাখার কমিটি ঘোষণা ও শপথ বাক্য পাঠ করান উপজেলা সহ-সভাপতি: জি.এম মাহমূদুল হাসান হামিদী। এতে সভাপতি- মুহা. জাকির হুসাইন, সহ-সভাপতি: মুহা. আনোয়ার হুসাইন ও সাধারণ সম্পাদক: মুহা.রাশেদুল ইসলাম দিদারকে মমনোনীত করা হয়।

ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন সিলেট জেলা শাখার ২০১৭ সেশনের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন

গত ১৭ ফেব্রুয়ারি২০১৭, ঐতিহাসিক রেজিস্টারি মাঠে জেলা ও নগর সম্মেলনে সভাপতি, সহ-সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক দিনজনকে মনোনিত করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী ছাত্র, বিপ্লবী কেন্দ্রীয় সহ সভাপতি শাইখ ফজলুল করিম মারুফ। এবং বাকি কমিটি ২সপ্তাহের মধ্যে পুর্ণাঙ্গ করার জন্য সভাপতি, সহ-সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক কে দায়িত্ব দেয়া হয়। তারই ধারাবাহিকতায় আজ ৩মার্চ শুক্রবার সকাল ১১টায় পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষনা ও শপথ প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত হয়। পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষনা করেন সিলেট জেলা সভাপতি মুহা. সুহেল আহমদ। কমিটি: . সভাপতি, মুহা. সোহেল আহমদ সহ সভাপতি, ইমরান আহমদ সাধারণ সম্পাদক, আবু তাহের মিসবাহ সাংগঠনিক সম্পাদক, ফয়জুল হাসান চৌধুরী প্রশিক্ষণ সম্পাদক, আব্দুল মুক্তাদির চৌধুরী প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক, মাহফুজ আহমদ মাহী অর্থ সম্পাদক, আব্দুল হাকিম দফতর সম্পাদক, সাইদুর রাহমান কওমি মাদরাসা বিষয়ক সম্পাদক, আব্দুল্লাহ আল মামুন আলিয়া মাদরাসা বিষয়ক সম্পাদক, আলিম উদ্দিন কলেজ বিষয়ক সম্পাদক, শাহিদুল ইসলাম স্কুল বিষয়ক সম্পাদক, নাইম আহমদ ছাত্র কল্যাণ সম্পাদক, মুহা. জুবায়ের আহমদ সাহিত্য ও সাংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক, শাহ আলম সাইফ সদস্য, হাসসানুল হক

দায়িত্বশীল মনোভাব বজায় রেখে কাজ করে যেতে পারলে ইসলামী বিপ্লব ত্বরান্বিত হবে: একেএম আবদুজ্জাহের আরেফি

আইএবি নিউজ: ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় মাদরাসা বিষয়ক সম্পাদক একে এম আবদুজ্জাহের আরেফি বলেছেন, দায়িত্ব একটি বিশেষ পাওয়া। এখানে সময়ের গুরুত্ব অতীব গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিটি মানুষই তার নিজের ব্যাপারে দায়িত্ববান। সমাজ বিপ্লব সংঘবদ্ধ জনশক্তি ছাড়া সম্ভব হয় না। ইসলামও সমাজ বিপ্লবে সংঘবদ্ধতা তথা সাংগঠনিক জীবনের প্রতি সবিশেষ গুরুত্বারোপ করেছে। ইসলামী সমাজ বিপ্লব সংগঠিত করতে দায়িত্বশীলদের দায়িত্বশীলতা ও নিষ্ঠার বিকল্প নেই। তারা যত বেশি সক্রিয় হবে, বিপ্লবের পথ তত দ্রুত ত্বরান্বিত হবে। মুক্তি পাবে মজলুম মানবতা।

গতকাল ২ মার্চ রোজ বৃহস্পতিবার বাদ আসর থেকে ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন নোয়াখালী জেলা (উত্তর) শাখা আয়োজিত জেলা দায়িত্বশীলদের নিয়ে দায়িত্বশীল তারবিয়াত তথা প্রশিক্ষণ কর্মশালায় তিনি উপর্যুক্ত কথা বলেন। সংগঠনের জেলা সভাপতি হাফেয সাখাওয়াত উল্লাহর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত তারবিয়াতে জেলা নির্বাহি কমিটির দায়িত্বশীলবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

 

নোয়াখালী প্রতিনিধি: আব্দুল ওয়াহাব

বৃহস্পতিবার, ২ মার্চ, ২০১৭

কলেজ ক্যাম্পাসে শিক্ষার সুষ্ঠ পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে ইশা ছাত্র আন্দোলনের বিকল্প নেই: মাও. হাফিজুর রহমান শরীয়তপুরী

আইএবি নিউজ: ইসলামী শাসনন্ত্র ছাত্র আন্দোলন কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সদস্য ও ইসলমী যুব আন্দোলন শরীয়তপুর জেলা শাখার আহবায়ক  মাও. হাফিজুর রহমান বলেছেন, ক্যাম্পাসগুলো আজ বখাটেদের আড্ডা খানায় পরিণত হয়েছে। কিছু  ছাত্ররা আজ হল দখল, ভর্তি বাণিজ্য, টেন্ডারবাজীতে প্রতিযোগিতা শুরু করেছে। এহেন মুহুর্তে মেধাবী, দক্ষ ও দীনদার ছাত্রসমাজ ছাড়া দেশের রাজনীতির পট পরিবর্তন করা সম্ভব নয়।

আজ বৃহস্পতিবার ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র শরীয়তপুর সরকারি কলেজ শাখার কমিটি গঠন অনুষ্ঠানে শাখা সভাপতি আশিক মাদবরের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা সভাপতি ছাত্র নেতা মুহা. হযরত আলী। তিনি বলেন, ইশা ছাত্র আন্দোলন সন্ত্রাস, দুর্নীতি, চাঁদাবাজ, টেন্ডারবাজমুক্ত দেশপ্রেমিক ও দীনদার ছাত্রদের একটি সংগঠন। তাই তিনি সকল ছাত্রদেরকে ছাত্র আন্দোলনের পতাকাতলে শরিক হতে আহবান করেন।

অনুষ্ঠান শেষে ২০১৬ সেশনের কমিটি বিলুপ্ত করে ২০১৭ সেশনের নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়। কমিটিতে সভাপতি: মুহা. আশিক মাদবর, সহ-সভাপতি: মুহা. নোমান আহমেদ ওও সাধারণ সম্পাদক: মুহা. কওসার আহমেদকে মনোনীতা করা হয়।

সুপ্রিমকোর্ট প্রাঙ্গণ থেকে মূর্তি অপসারণ ও গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবীতে ৩রা মার্চ গণমিছিল সফল করুন: অধ্যক্ষ শেখ ফজলে বারী মাসউদ

আইএবি নিউজ: দফায় দফায় গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধি করে সরকার বারবার জনবিরোধী সিদ্ধান্ত নিচ্ছে। যে কারণে স্বাধীন বাংলাদেশের শান্তিকামী জনতা রাজপথে নামতে বাধ্য হচ্ছে। একই অর্থ বছরে দুবার গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধি এটা কোন ভাবেই মেনে নেয়া যায় না। কারণ বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটারি কমিশন আইনের ৩৪ ধারায় বলা হয়েছে, কমিশন কর্তৃক নির্ধারিত ট্যারিফ কোন অর্থবছরে একবারের বেশি পরিবর্তন করা যাবে না। যদি জ্বালানি মূল্যের পরিবর্তনসহ অন্য কোন পরিবর্তন না ঘটে। কোন ধরণের পরিবর্তন ছাড়াই সরকার একই বছরে দুই দফা গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধি করতে যাচ্ছে। যা আদৌ দেশবাসী মানবে না।

আগামী ৩রা মার্চের গণমিছিল বাস্তবায়ন প্রস্তুতি সভায় গত ১লা মার্চ বুধবার বিকাল ৪টায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকা মহানগর উত্তর কর্তৃক আয়োজিত জরুরী বৈঠকের সভাপতি অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা শেখ ফজলে বারী মাসউদ উপরোক্ত কথা বলেন।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন নগর সেক্রেটারী মুহাম্মাদ মোশারফ হোসেন, জয়েন্ট সেক্রেটারী মাওলানা আরিফুল ইসলাম, সহকারী প্রচার সম্পাদক মুফতী মাছউদুর রহমান, সহকারী দফতর সম্পাদক প্রকৌশলী মুহাম্মাদ গিয়াস উদ্দিন প্রমুখ।

নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, জনজীবন দুর্বিষহ করে তোলার পূর্বেই গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত সরকারকে প্রত্যাহার করতে হবে। তা না হলে আগামী নির্বাচনে জনগণ এর সমুচিত জবাব দেবে।

সুপ্রিমকোর্ট প্রাঙ্গণ থেকে গ্রীক দেবীর মূর্তি অপসারণ ও গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবীতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর উদ্যোগে আগামী ৩রা মার্চ'১৭ শুক্রবার বাদ জুম'আ রাজধানীর বাইতুল মোকাররম উত্তর গেইটে বিশাল "গণমিছিল" সফল করার আহবান জানান নগর নেতারা।

বুধবার, ১ মার্চ, ২০১৭

মূর্তি অপসারণের আন্দোলনকে সমালোচনা করে কতিপয় মন্ত্রী মুসলমানদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে: অধ্যক্ষ মাওলানা ইউনুছ আহমাদ

আইএবি নিউজ: সুপ্রিমকোর্ট প্রাঙ্গণে স্থাপিত মূর্তিকে ন্যায় বিচারের প্রতীক আখ্যায়িত করে তা অপসারণের আন্দোলনকে সমালোচনা করে সরকারের কতিপয় মন্ত্রী মুসলমানদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে বলে মন্তব্য করে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর মহাসচিব অধ্যক্ষ মাওলানা ইউনুছ আহমাদ বলেছেন, ন্যায় বিচারের প্রতীক মূর্তি হতে পারে না। আল্লাহ ও তার নাযিল করা কুরআন হচ্ছে ন্যায় বিচারের প্রতীক। আল্লাহ ন্যায় বিচারের সকল পদ্ধতি পবিত্র কুরআনে লিপিবদ্ধ করেছেন। কারণ মূর্তির বাক শক্তি ও বোধ শক্তি নেই। কাজেই মূর্তির বিরুদ্ধে আন্দোলনকে স্বাধীনতা বিরোধী আখ্যা দেয়া কোনভাবেই মেনে নেয়া হবে না। মূর্তিকে ন্যায় বিচারের প্রতীক মনে করলে ঈমান থাকবে না, সে মুশরিক হয়ে যাবে। মহাসচিব বলেন, মূর্তি মুসলমানের কোন সংস্কৃতি নয়, এটা হিন্দুয়ানী সংস্কৃতি। ইসলামী দৃষ্টিকোন থেকে মূর্তি বানানো বা সংরক্ষণ ও সম্মান করা হারাম। ইসলাম এসেছে মূর্তি ভাঙ্গার জন্যই। কাজেই ৯২ ভাগ মুসলমানের চিন্তাচেতনা বিরোধী মূর্তি স্থাপন কোনভাবেই মেনে নেয়া হবে না। অবিলম্বে মূর্তি অপসারণ না করলে সর্বত্র আন্দোলন গড়ে উঠবে। তিনি বলেন, এদেশে সব ধর্মের লোক বাস করে বলে মন্ত্রী যে বক্তব্য দিয়েছেন তার প্রতিবাদ করে মহাসচিব বলেন, যার যার ধর্ম পালনে কোন মুসলমান বাধা দেয়নি। কাজেই ৯২ ভাগ মুসলমানদের চিন্তাচেতনা বিরোধী মূর্তি চাপিয়ে দেয়া যাবে না। ন্যায় বিচারের প্রতীক হিসেবে মূর্তি স্থাপন করা হয়েছে তাহলে কি অতীতে ন্যায় বিচার হয়নি। মূর্তির প্রতি কারো ভালোবাস থাকলে সে ব্যক্তিগতভাবে তার ঘরে কিংবা তার নিজস্ব আঙ্গীনায় স্থাপন করলে কারো কোন আপত্তি থাকার কথা নয়। কাজেই সংস্কৃতি মন্ত্রীকে মনে রাখতে হবে তার সরকার দেশবাসীর কাছে নির্বাচনী ইশতেহারে শরীয়াহ বিরোধী আইন করবে না বলেই ক্ষমতায় এসেছে। এখন শরীয়াহ বিরোধী কাজ করে তার সপক্ষে সাফাই গেয়ে নিজের ঈমান বিসর্জন দিবেন না। অবিলম্বে মূর্তি অপসারণ করতে হবে। মূর্তি অপসারণের দাবীতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ৩রা মার্চ শুক্রবার বাদ জুম্মা রাজধানীতে গণমিছিলের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। গণমিছিলে ঈমানদার জনতাকে শরীক হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

আজ (বুধবার) বিকেলে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর মজলিসে আমেলা (কার্যনির্বাহী পরিষদ)-এর এক জরুরী সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন যুগ্ম মহাসচিব অধ্যাপক মাওলানা এটিএম হেমায়েত উদ্দিন, সহকারী মহাসচিব আলহাজ্ব আমিনুল ইসলাম, নগর দক্ষিণ সভাপতি মাওলানা ইমতিয়াজ আলম, উত্তর সভাপতি শেখ ফজলে বারী মাসউদ, সাংগঠনিক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আশরাফুল আলম, কেএম আতিকুর রহমান, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ুম, মাওলানা নেছার উদ্দিন, শায়খুল হাদীস মাওলানা মকবুল হোসাইন, আলহাজ্ব হারুন অর রশিদ, বরকত উল্লাহ লতিফ, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কাশেম, মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল ওয়াদুদ, আলহাজ্ব কে জি মাওলা প্রমুখ।