বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের উত্তর গেটে অবস্থান নিয়ে প্রায় দুই ঘণ্টা বিক্ষোভ-সমাবেশের পর ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির সৈয়দ মুহম্মদ রেজাউল করীম বলেন, ‘সরকার এই লংমার্চে বাধা দেবে- এটা আমরা কল্পনাও করতে পারিনি। এর প্রতিবাদে আগামী ২৩ ডিসেম্বর সারা দেশে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করা হবে। ’ এদিকে লংমার্চকে কেন্দ্র করে গতকাল গোটা নগরীতে ভয়াবহ যানজটের সৃষ্টি হয়। কর্মসূচি অনুযায়ী, এ দিন যাত্রাবাড়ী থেকে গাড়িতে করে কুমিল্লা, ফেনী, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার হয়ে মিয়ানমারে যাওয়ার পথে চরমোনাই পীরের বিভিন্ন স্থানে পথসভা করার কথা ছিল। সে অনুযায়ী দলটির নেতা-কর্মীরা সকাল থেকে বায়তুল মোকাররম উত্তর গেটে জড়ো হতে শুরু করেন। এর ফলে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পল্টন মোড়সহ আশপাশের কয়েকটি সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। বিশৃঙ্খলা এড়াতে ওই এলাকায় বিপুলসংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়। এর প্রতিবাদে সংগঠনটির কর্মীরা বেলা সাড়ে ১২টা পর্যন্ত বায়তুল মোকাররমের আশপাশের সড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ দেখান। পরে বেলা সাড়ে ১২টা থেকে ১টা পর্যন্ত একটি খোলা ট্রাকে চড়ে সমাবেশে বক্তব্য দেন ইসলামী আন্দোলনের শীর্ষ নেতারা। পীর চরমোনাই সমাবেশে বলেন, ‘মিয়ানমার অভিমুখে লংমার্চ যাত্রাবাড়ীর কাজলা থেকে শুরু করার কথা থাকলেও পুলিশি বাধার মুখে তা স্থগিত করা হয়েছে। ’ তিনি দাবি করেন, গত ২৮ নভেম্বর ঘোষিত লংমার্চ কর্মসূচিকে ঘিরে সাধারণ মানুষ ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছিল। জাতীয় প্রেসক্লাবে সবার জমায়েত হওয়ার কথা থাকলেও একদিন আগে পুলিশ প্রেসক্লাবে জমায়েত হতে নিষেধ করে। সে অনুযায়ী জমায়েতের নতুন স্থান নির্ধারণ করা হয়েছিল যাত্রাবাড়ী কাজলা এলাকায়। কিন্তু হঠাৎ করেই রাতে পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে লংমার্চ কর্মসূচি স্থগিত করার কথা বলা হয়। অথচ সারা দেশের লংমার্চগামী মানুষ নৌ ও সড়কপথে আগেই ঢাকায় এসেছে। ভোর হওয়ার আগেই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা হাজার হাজার বাস, মাইক্রোবাস জড়ো হতে থাকে যাত্রাবাড়ী, কাজলাসহ আশপাশের এলাকায়। কিন্তু পুলিশ গাড়িগুলো সেখানে দাঁড়াতে না দিয়ে যাত্রীদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করে, গাড়ির চাবি ছিনিয়ে নেয়। এ সময় যুবলীগের কর্মীরাও পুলিশের সঙ্গে মিশে লংমার্চগামী লোকদের হেনস্তা করে এবং কিছু গাড়িও ভাঙচুর করে। পুলিশের এ আচরণের প্রতিবাদ করলে পল্টন, যাত্রাবাড়ী ও কলাবাগান এলাকা থেকে আনুমানিক অর্ধশতাধিক কর্মীকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
সোমবার, ১৯ ডিসেম্বর, ২০১৬
চরমোনাই পীরের লংমার্চ হয়নি পুলিশি বাধায়
বাংলাদেশ প্রতিদিন : রোহিঙ্গাদের ওপর দমন-পীড়নের প্রতিবাদে গতকাল চরমোনাই পীরের সংগঠন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মিয়ানমার অভিমুখে লংমার্চ পুলিশি বাধার কারণে হতে পারেনি। তবে রাজধানীর বায়তুল মোকাররম এলাকায় প্রতিবাদ সমাবেশ করা হয়েছে।

বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের উত্তর গেটে অবস্থান নিয়ে প্রায় দুই ঘণ্টা বিক্ষোভ-সমাবেশের পর ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির সৈয়দ মুহম্মদ রেজাউল করীম বলেন, ‘সরকার এই লংমার্চে বাধা দেবে- এটা আমরা কল্পনাও করতে পারিনি। এর প্রতিবাদে আগামী ২৩ ডিসেম্বর সারা দেশে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করা হবে। ’ এদিকে লংমার্চকে কেন্দ্র করে গতকাল গোটা নগরীতে ভয়াবহ যানজটের সৃষ্টি হয়। কর্মসূচি অনুযায়ী, এ দিন যাত্রাবাড়ী থেকে গাড়িতে করে কুমিল্লা, ফেনী, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার হয়ে মিয়ানমারে যাওয়ার পথে চরমোনাই পীরের বিভিন্ন স্থানে পথসভা করার কথা ছিল। সে অনুযায়ী দলটির নেতা-কর্মীরা সকাল থেকে বায়তুল মোকাররম উত্তর গেটে জড়ো হতে শুরু করেন। এর ফলে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পল্টন মোড়সহ আশপাশের কয়েকটি সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। বিশৃঙ্খলা এড়াতে ওই এলাকায় বিপুলসংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়। এর প্রতিবাদে সংগঠনটির কর্মীরা বেলা সাড়ে ১২টা পর্যন্ত বায়তুল মোকাররমের আশপাশের সড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ দেখান। পরে বেলা সাড়ে ১২টা থেকে ১টা পর্যন্ত একটি খোলা ট্রাকে চড়ে সমাবেশে বক্তব্য দেন ইসলামী আন্দোলনের শীর্ষ নেতারা। পীর চরমোনাই সমাবেশে বলেন, ‘মিয়ানমার অভিমুখে লংমার্চ যাত্রাবাড়ীর কাজলা থেকে শুরু করার কথা থাকলেও পুলিশি বাধার মুখে তা স্থগিত করা হয়েছে। ’ তিনি দাবি করেন, গত ২৮ নভেম্বর ঘোষিত লংমার্চ কর্মসূচিকে ঘিরে সাধারণ মানুষ ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছিল। জাতীয় প্রেসক্লাবে সবার জমায়েত হওয়ার কথা থাকলেও একদিন আগে পুলিশ প্রেসক্লাবে জমায়েত হতে নিষেধ করে। সে অনুযায়ী জমায়েতের নতুন স্থান নির্ধারণ করা হয়েছিল যাত্রাবাড়ী কাজলা এলাকায়। কিন্তু হঠাৎ করেই রাতে পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে লংমার্চ কর্মসূচি স্থগিত করার কথা বলা হয়। অথচ সারা দেশের লংমার্চগামী মানুষ নৌ ও সড়কপথে আগেই ঢাকায় এসেছে। ভোর হওয়ার আগেই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা হাজার হাজার বাস, মাইক্রোবাস জড়ো হতে থাকে যাত্রাবাড়ী, কাজলাসহ আশপাশের এলাকায়। কিন্তু পুলিশ গাড়িগুলো সেখানে দাঁড়াতে না দিয়ে যাত্রীদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করে, গাড়ির চাবি ছিনিয়ে নেয়। এ সময় যুবলীগের কর্মীরাও পুলিশের সঙ্গে মিশে লংমার্চগামী লোকদের হেনস্তা করে এবং কিছু গাড়িও ভাঙচুর করে। পুলিশের এ আচরণের প্রতিবাদ করলে পল্টন, যাত্রাবাড়ী ও কলাবাগান এলাকা থেকে আনুমানিক অর্ধশতাধিক কর্মীকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের উত্তর গেটে অবস্থান নিয়ে প্রায় দুই ঘণ্টা বিক্ষোভ-সমাবেশের পর ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির সৈয়দ মুহম্মদ রেজাউল করীম বলেন, ‘সরকার এই লংমার্চে বাধা দেবে- এটা আমরা কল্পনাও করতে পারিনি। এর প্রতিবাদে আগামী ২৩ ডিসেম্বর সারা দেশে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করা হবে। ’ এদিকে লংমার্চকে কেন্দ্র করে গতকাল গোটা নগরীতে ভয়াবহ যানজটের সৃষ্টি হয়। কর্মসূচি অনুযায়ী, এ দিন যাত্রাবাড়ী থেকে গাড়িতে করে কুমিল্লা, ফেনী, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার হয়ে মিয়ানমারে যাওয়ার পথে চরমোনাই পীরের বিভিন্ন স্থানে পথসভা করার কথা ছিল। সে অনুযায়ী দলটির নেতা-কর্মীরা সকাল থেকে বায়তুল মোকাররম উত্তর গেটে জড়ো হতে শুরু করেন। এর ফলে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পল্টন মোড়সহ আশপাশের কয়েকটি সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। বিশৃঙ্খলা এড়াতে ওই এলাকায় বিপুলসংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়। এর প্রতিবাদে সংগঠনটির কর্মীরা বেলা সাড়ে ১২টা পর্যন্ত বায়তুল মোকাররমের আশপাশের সড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ দেখান। পরে বেলা সাড়ে ১২টা থেকে ১টা পর্যন্ত একটি খোলা ট্রাকে চড়ে সমাবেশে বক্তব্য দেন ইসলামী আন্দোলনের শীর্ষ নেতারা। পীর চরমোনাই সমাবেশে বলেন, ‘মিয়ানমার অভিমুখে লংমার্চ যাত্রাবাড়ীর কাজলা থেকে শুরু করার কথা থাকলেও পুলিশি বাধার মুখে তা স্থগিত করা হয়েছে। ’ তিনি দাবি করেন, গত ২৮ নভেম্বর ঘোষিত লংমার্চ কর্মসূচিকে ঘিরে সাধারণ মানুষ ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছিল। জাতীয় প্রেসক্লাবে সবার জমায়েত হওয়ার কথা থাকলেও একদিন আগে পুলিশ প্রেসক্লাবে জমায়েত হতে নিষেধ করে। সে অনুযায়ী জমায়েতের নতুন স্থান নির্ধারণ করা হয়েছিল যাত্রাবাড়ী কাজলা এলাকায়। কিন্তু হঠাৎ করেই রাতে পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে লংমার্চ কর্মসূচি স্থগিত করার কথা বলা হয়। অথচ সারা দেশের লংমার্চগামী মানুষ নৌ ও সড়কপথে আগেই ঢাকায় এসেছে। ভোর হওয়ার আগেই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা হাজার হাজার বাস, মাইক্রোবাস জড়ো হতে থাকে যাত্রাবাড়ী, কাজলাসহ আশপাশের এলাকায়। কিন্তু পুলিশ গাড়িগুলো সেখানে দাঁড়াতে না দিয়ে যাত্রীদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করে, গাড়ির চাবি ছিনিয়ে নেয়। এ সময় যুবলীগের কর্মীরাও পুলিশের সঙ্গে মিশে লংমার্চগামী লোকদের হেনস্তা করে এবং কিছু গাড়িও ভাঙচুর করে। পুলিশের এ আচরণের প্রতিবাদ করলে পল্টন, যাত্রাবাড়ী ও কলাবাগান এলাকা থেকে আনুমানিক অর্ধশতাধিক কর্মীকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
এতে সদস্যতা:
মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন (Atom)
-
আইএবি নিউজ ডেস্ক : পবিত্র মক্কা ও মদিনার সম্মানিত খতীবগণসহ ৬ সদস্য বিশিষ্ট সউদীর উচ্চ পর্যায়ের আলেম প্রতিনিধি দল আগামী ৪ এপ্রিল ৪ দিনের রাষ...
-
গণহত্যা বন্ধ ও রোহিঙ্গা সমস্যা সমধানের দাবিতে মিয়ানমার অভিমুখী ১৮ ডিসেম্বরের লংমার্চে সরকারি বাধার প্রতিবাদ সমাবেশে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ...
-
স্টাফ রিপোর্টার : ছাত্র সমাজের তৃণমূলে ইসলামের মর্মবাণী গেঁথে দেওয়ার লক্ষ্যে ঘোষিত ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলনের দাওয়াতি পক্ষকে সামনে ...
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন