আইএবি নিউজ: ইসলামী আন্দোলনের আমীর মুফতী সৈয়দ মোহাম্মদ রেজাউল করীম বলেন, মিয়ানমারে সামরিক জান্তা-পুলিশ ও সন্ত্রাসী বৌদ্ধদের দ্বারা বর্বরোচিত রোহিঙ্গা মুসলিম গণহত্যা, ধর্ষণ, বাড়ী-ঘরে অগ্নিসংযোগ ও নির্যাতন ও দেশছাড়া করা অব্যাহত রেখেছে। জান্তাদের নির্যাতনে দেশত্যাগ করে আসা মুসলমানদের জন্য সীমান্ত খুলে দিয়ে তাদের আশ্রয় দিতে হবে।
সোমবার (৬ ফেব্রুয়ারি) এক বিবৃতিতে পীর সাহেব চরমোনাই এসব কথা বলেন।
চরমোনাই পীর বলেন, কোনক্রমেই তাদেরকে নির্মমতার দিকে ঠেলে দেয়া যাবে না। সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা মুসলমানদের সকল প্রকার নাগরিক ও মানবিক অধিকার ফিরিয়ে দেয়ার জন্য অং সান সু কে কড়া চাপ প্রয়োগ করতে হবে। জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে বাংলাদেশে আশ্রয়গ্রহণকারী সকল রোহিঙ্গাকে তাদের স্বদেশ মিয়ানমারে ফিরিয়ে নিয়ে নাগরিক সকল সুবিধা দিতে হবে। গণহত্যা ও ধর্ষণের বিচার এবং মিয়ানমারের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় রাজ্যে মানবিক বিপর্যয় রোধ এবং শান্তি প্রতিষ্ঠায় জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী বাহিনী মোতায়েন করতে হবে।
তিনি আরো বলেন, মিয়ানমারে মুসলমানদের নির্যাতনের চিত্র দেখে বিশ্ববিবেক নাড়া দিলেও পাষন্ড বৌদ্ধ জান্তাদের হৃদয় একটুও কাঁপেনি। মিয়ানমারে অব্যাহত মুসলিম গণহত্যা বন্ধ করতে বাংলাদেশ সরকারকে কড়া বার্তা দিতে হবে সু চি কে। বাংলাদেশ আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গাদের সহযোগিতায় এগিয়ে আসা স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠানগুলোকে সহযোগিতার জন্য সুযোগ করে দিতে হবে।
পাশাপাশি পীর সাহেব বলেন, সংশোধিত সিলেবাস ও শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে নাস্তিক্যবাদী গোষ্ঠী নতুনভাবে চক্রান্ত শুরু করেছে। নাস্তিক্যবাদীদের যে কোন চক্রান্ত কঠোরহস্তে দমন করতে হবে।
এতে সদস্যতা:
মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন (Atom)
-
গণহত্যা বন্ধ ও রোহিঙ্গা সমস্যা সমধানের দাবিতে মিয়ানমার অভিমুখী ১৮ ডিসেম্বরের লংমার্চে সরকারি বাধার প্রতিবাদ সমাবেশে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ...
-
আইএবি নিউজ ডেস্ক : পবিত্র মক্কা ও মদিনার সম্মানিত খতীবগণসহ ৬ সদস্য বিশিষ্ট সউদীর উচ্চ পর্যায়ের আলেম প্রতিনিধি দল আগামী ৪ এপ্রিল ৪ দিনের রাষ...
-
ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন (১৯৯১-২০১৬) প্রতিষ্ঠাতা ইসলামী আন্দোলন এর সফল রূপকার, ইসলামের মুক্তিদাতা চরিত্রকে জনমানসে প্রত...
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন