বৃহস্পতিবার, ১৬ মার্চ, ২০১৭

মূর্তি অপসারণে ১৮ মার্চ গণসমাবেশ ও ২১ এপ্রিল জাতীয় মহাসমাবেশ সফলের আহ্বান ইসলামী আন্দোলনের

আইএবি নিউজ: সুপ্রিমকোর্ট প্রাঙ্গণ থেকে গ্রিক দেবীর মূর্তি অপসারণের দাবীতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঘোষিত ১৮ মার্চ গণসমাবেশ ও ২১ এপ্রিল জাতীয় মহাসমাবেশ সফলের লক্ষ্যে প্রস্তুতি কমিটির এক সভা বৃহস্পতিবার (১৬ মার্চ) বিকেলে পুরানা পল্টনস্থ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংগঠনের মহাসচিব অধ্যক্ষ মাওলানা ইউনুছ আহমাদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় কর্মসূচি সফলের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়।

সভায় হোলি উৎসবে পথচারি, কর্মজীবী ও শিক্ষার্থী, যুবতী ও নারী নিপীড়নের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে দোষীদের অবিলম্বে গ্রেফতার করার জোর দাবী জানানো হয়। অন্যথায় দেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষার্থে যথাযথ পদক্ষেপ নিতে জনগণ বাধ্য হবে।

নেতৃবৃন্দ বলেন, হোলি খেলার নামে উৎপীড়নকারী সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ে তরুণ-তরুণীরা যেভাবে যৌন উৎপীড়ন করছে তা কোনক্রমেই মেনে নেয়া যায় না। সরকারের নিরবতায় উগ্রপন্থি সংখ্যালঘুদের উস্কানীমূলক আচরণ ৯২ ভাগ মুসলমানকে ভাবিয়ে তুলেছে।

নেতৃবৃন্দ বলেন, সুপ্রিমকোর্ট প্রাঙ্গণে গ্রিক দেবী মূর্তি ও হোলি খেলার নামে মুসলিম হিজাবধারী নারী ও পথচারীদের উৎপীড়ন, রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম নিয়ে পুনঃ রিট একই চক্রান্তের অংশ। অবিলম্বে হোলি খেলার নামে উগ্র আচরণ ও মূর্তি অপসারণ না করলে সরকারকে চরম খেসারত দিতে হবে। সনাতন হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা মুসলমানের দেশে যেভাবে উগ্র আচরণ করছে তাতে তাদের ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ সহ্য করার মত নয়।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর অনুষ্ঠিত সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন যুগ্ম মহাসচিব- অধ্যাপক এটিএম হেমায়েত উদ্দিন ও মাওলানা গাজী আতাউর রহমান, সহকারি মহাসচিব মাওলানা আব্দুল কাদের, দক্ষিণ সভাপতি মাওলানা ইমতিয়াজ আলম, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ুম, শায়খুল হাদীস মাওলানা মকবুল হোসাইন, উত্তর সভাপতি অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা শেখ ফজলে বারী মাসউদ, মাওলানা মাওলানা লোকমান হোসাইন জাফরী, মাওলানা আতাউর রহমান আরেফী, আলহাজ্ব আব্দুর রহমান, মুফতি কেফায়েতুল্লাহ কাশফী, মু. বরকত উল্লাহ লতিফ, এ্যাডভোকেট একেএম এরফান খান, আলহাজ্ব কে জি মাওলা প্রমুখ।

সভায় নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, হোলি খেলার নামে মুসলিম তরুণ-তরুণীদের নাজেহাল করা এবং গায়ে হাত দিয়ে অসভ্য আচরণ ইভটিজিংকেও হার মানিয়েছে। এধরণের অশ্লীল উৎসব বাংলাদেশে নিষিদ্ধ করতে হবে। তারা বলেন, ভারতে ২০ শতাংশ মুসলমান থাকার পরও সেখানে ধর্মীয় উৎসব পালন করতে দেয়া হয় না। ঈদ উৎসবে গরু কুরবানীতেও বাধা। বাংলাদেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের আচরণে মনে হয় এদেশে তারাই সংখ্যাগরিষ্ঠ আর মুসলমানরাই যেন সংখ্যালঘু। তাই দেশের ঈমানদার মুসলমানদের জেগে উঠে এসব চক্রান্ত প্রতিহত করতে হবে ঐক্যবদ্ধভাবে।