শুক্রবার, ৩১ মার্চ, ২০১৭

ইশা ছাত্র আন্দোলন টেকনাফ উপজেলা শাখার কমিটি গঠন

টেকনাফ থেকে এনামুল হক মঞ্জুর: ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন টেকনাফ উপজেলা শাখার পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনন সম্পন্ন হয়েছে। কমিটি গঠন উপলক্ষ্যে গতকাল (বৃহস্পতিবার) বেলা ২টায় হ্নীলা উম্মে সালমা রা. বালিকা মাদরাসা মিলনায়তনে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। হাফেজ মোহাম্মদ রফিকের কুরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন হাফেজ কবির আহমদ।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ টেকনাফ উপজেলা শাখার সভাপতি মাওলানা তৈয়ব আরমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ টেকনাফ উপজেলা শাখার প্রচার সম্পাদক হাফেজ ইমাম হোছাইন, অর্থ সম্পাদক হাফেজ জসিম উদ্দিন। প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন কক্সবাজার জেলা শাখার সহ সভাপতি ছাত্রনেতা হাফেজ কলিমুল্লাহ ইসলামাবাদী।

সভায় উপস্থিত ছিলেন হাফেজ ফরিদুল আলম, হাফেজ মোহাম্মদ মুছা, ইসহাক, আব্দুল জলিল, হাফেজ মুহাম্মদ রফিক, হাফেজ সরওয়ার কামাল, হাফেজ জাহেদ হোছাইন, হাফেজ আব্দুল্লাহ প্রমুখ।

অনুষ্ঠান শেষে উপস্থিত সকলের মতামতের ভিত্তিতে হাফেজ আখতার কামালকে সভাপতি, হাফেজ ফরিদুল আলমকে সহ-সভাপতি ও হাফেজ মোহাম্মদ রফিককে সাধারণ সম্পাদক করে আগামী এক বছরের জন্য শক্তিশালী পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়।

ইশা ছাত্র আন্দোলন সিলেট জেলার থানা প্রতিনিধি সম্মেলন অনুষ্ঠিত

সিলেট প্রতিনিধি: ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন সিলেট জেলা শাখার উদ্দ্যেগে ৩১ মার্চ শুক্রবার বাদ জুম’আ সিলেট বন্দরবাজারস্থ আইএসসিএ মিলানায়তনে শাখা সভাপতি সোহেল আহমদের সভাপতিত্বে ও সাংগঠনিক সম্পাদক ফয়জুল হাসান চৌধুরীর সঞ্চালনায় থানা প্রতিনিধি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সম্মেলনে দিক নির্দেশনামূলক বক্তব্য রাখেন ইশা ছাত্র আন্দোলন সিলেট জেলা সভাপতি সোহেল আহমদ ও সাধারণ সম্পাদক আবু তাহের মিসবাহ।

সম্মেলনে আগত আগত থানা প্রতিনিধিদের ২০১৭ সেশনের বার্ষিক পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়।

সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন ইশা ছাত্র আন্দোলন সিলেট জেলা শাখার প্রশিক্ষণ সম্পাদক আব্দুল মুক্তাদির চৌধুরী রাকিব, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মাহফুজ আহমদ মাহী, অর্থ সম্পাদক আব্দুল হাকিম, কওমি মাদরাসা বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন, সাহিত্য ও সাংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক শাহ আলম সাইফ প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।

যুব সমাজ ধর্মীয় শিক্ষায় শিক্ষিত হলে জঙ্গিবাদের উত্থান হতো না: পীর সাহেব চরমোনাই

আইএবি নিউজ ঃ ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর আমীর মুফতি সৈয়দ মোহাম্মদ রেজাউল করীম পীর সাহেব চরমোনাই বলেছেন, সমাজ আজকে নীতি-নৈতিকতাহীন, বস্তুতান্ত্রিক সফলতার চিন্তায় বিভোর। মানুষ বল্গাহীন দুর্নীতি, হত্যা, পাপাচার এবং দুুরাচারে লিপ্ত হচ্ছে। শাসক গোষ্ঠী ক্ষমতাকে লুণ্ঠনের অধিকার মনে করছে। রাজনীতিকে সেবা নয়; বরং শোষনের হাতিয়ার বানিয়েছে। জাতি ভয়াবহ ধ্বংসের দিকে ছুটে চলছে। এই ধরণের সংকট মোকাবেলার জন্য বাংলার যুব সমাজকে জেগে উঠতে হবে। জাতির হাজার বছরের মুক্তির স্বপ্ন যুবকদের কাঁধে অর্পিত হয়। যুবসমাজকে সুষ্ঠু পথে পরিচালিত করা গেলেই দেশ সুখ-সমৃদ্ধিতে ভরে উঠবে। তাই তরুণ ও যুব সমাজকে রক্ষাসহ ইসলামী শিক্ষার জ্ঞানে শিক্ষিত এবং তাদের সুষ্ঠ পথে পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করতে হবে।

তিনি বলেন, জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবাদের বিস্তার রোধে অবিলম্বে ধর্মহীন শিক্ষানীতি ও প্রস্তাবিত শিক্ষা আইন ২০১৬ অবিলম্বে বাতিল করে ওলামায়ে কেরাম ও ইসলামিক স্কলারদের সাথে নিয়ে এগুলো সংস্কারের ব্যবস্থা নিতে হবে। জঙ্গিবাদ বন্ধে, জঙ্গি কার্যক্রমের উস্কানিদাতা এবং অর্থদাতাদের চিহ্নিত করে ওদের বিরুদ্ধে দ্রুত কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। তিনি বলেন, জঙ্গি ও সন্ত্রাস বিরোধী কওমি শিক্ষার স্বকীয়তা রক্ষা করতে হবে।

পীর সাহেব চরমোনাই বলেন, এদেশের মুসলিম যুবকেরা জ্ঞানের অভাবে এবং পশ্চিমা অপপ্রচারের কারণে ইসলামকে বাদ দিয়ে একদিকে কুফরী গণতন্ত্র-সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলন করছে। অপরদিকে ভ্রান্তমতবাদে আকৃষ্ট হয়ে জঙ্গিবাদে সম্পৃক্ত হচ্ছে জান্নাত পাওয়ার মিথ্যা আশায়। এ পথ থেকে তাদেরকে ফিরিয়ে আনতে হবে।

শুক্রবার (৩১মার্চ'১৭) রাজধানীর কাজী বশির মিলনায়তনে আয়োজিত ইসলামী যুব আন্দোলনের ১ম যুব কনভেনশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

কেন্দ্রীয় কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কে এম আতিকুর রহমান এর সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব মাওলানা মুহাম্মাদ নেছার উদ্দিন-এর সঞ্চালনায় কনভেনশনে বিশেষ মেহমান হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর প্রেসিডিয়াম সদস্য প্রিন্সিপাল সৈয়দ মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল-মাদানী, সিনিয়র নায়েবে আমীর মুফতী সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম, মহাসচিব অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা ইউনুছ আহমাদ, উপদেষ্টা অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন, যুগ্ম মহাসচিব অধ্যাপক এটিএম হেমায়েত উদ্দিন, মাওলানা নেয়ামতুল্লাহ আল-ফরিদি, অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান, মাওলানা গাজী আতাউর রহমান, সহকারী মহাসচিব আলহাজ্ব আমিনুল ইসলাম, বিকল্প যুব ধারার সাধারণ সম্পাদক মির্জা আসাদুজ্জামান বাচ্চু, জাতীয় যুব সংহতির সদস্য সচিব ফখরুল আহসান শাহজাদা, সাংগঠনিক সম্পাদক ইঞ্জি. আশরাফুল আলম ও মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ূম প্রমুখ।

পীর সাহেব চরমোনাই বলেন, স্বাধীনতার ৪৫ বছর অতিক্রান্ত হয়ে গেলেও মানুষ স্বাধীনতার প্রকৃত স্বাদ আজো পায়নি। অথচ ইসলামকে কেন্দ্র করে স্বাধীনতার সুফল জনগণের কাছে পৌঁছে দেয়ার পূর্ণ সুযোগ রয়েছে। আর এজন্য সন্ত্রাস নির্ভর রাজনীতি পরিহার করে যুবকদেরকে আদর্শিক রাজনীতিতে ফিরিয়ে আনতে হবে। একই সাথে ইসলামী সমাজ প্রতিষ্ঠারজন্য কুরআনের আইন প্রতিষ্ঠায় সর্বাত্মক ত্যাগ ও কুরবানীর নজরানা পেশ করতে হবে।

পীর সাহেব চরমোনাই বলেন, ইসলামের নামে জঙ্গী ও সন্ত্রাসী কর্মকা- দ্বারা মানুষ হত্যা করে ইসলামকে কলঙ্কিত করা হচ্ছে। এসব অপকর্মের স্থান ইসলামে নেই। এগুলো প্রতিহত করে ইসলামের সঠিকরূপ তুলে ধরার জিম্মাদারি গ্রহণ করতে হবে দায়িত্বশীলদের। দেশের সর্বোচ্চ বিচারালয় সুপ্রীম কোর্টের সামনে গ্রীক দেবীর মূর্তি স্থাপন করার মত দুঃসাহস সরকার দেখাচ্ছে। বাংলাদেশ বিশ্বের বুকে অন্যতম সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম দেশ। এদেশের ইতিহাস-ঐতিহ্যের সাথে ইসলাম অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। ইসলামে মূর্তি কিংবা যেকোন প্রাণির ভাস্কর্য নিষিদ্ধ। কিন্তু এদেশের হাতে গোনা কয়েকটি নাস্তিকের চক্রান্তে ইসলাম ও দেশ বিরোধী এই চক্রান্ত কোনোভাবেই সহ্য করা হবে না। এখনো সময় আছে সরকারকে গ্রীক দেবীর মূর্তি অপসারণ করতেই হবে। যদি মূর্তি অপসারণ না করা হয় তবে সারাদেশে আন্দোলনের দাবানল ছড়িয়ে পড়বে। আর উদ্ভূত পরিস্থিতির দায়ভার সরকারকেই নিতে হবে।

সম্মেলন শেষে তিনি ইসলামী যুব আন্দোলনের এর চলমান কমিটি বিলুপ্ত করে চলমান সেশনের জন্য নতুন কমিটি ঘোষণা করেন। নবগঠিত কমিটির কেন্দ্রীয় সভাপতি কে এম আতিকুর রহমান, সহ-সভাপতি প্রকৌশলী শরিফুল ইসলাম ও সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা নেছার উদ্দিন এর নাম ঘোষণা করে শপথ বাক্য পাঠ করান।

ইশা ছাত্র আন্দোলন পাকুন্দিয়া উপজেলা কমিটি গঠন সম্পন্ন

কিশোরগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি : ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন পাকুন্দিয়া উপজেলা শাখার কমিটি গঠিত হয়েছে। কমিটি গঠন উপলক্ষ্যে বৃহস্পতিবার বেলা ৩টায় উপজেলা সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সুলতান আফজাল আইয়ূবীর সঞ্চালনায় এতে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা সভাপতি সাকিবুল হাসান। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ইসলামী আন্দোলনের সভাপতি মাওঃ হেলাল উদ্দিন। প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলনের সভাপতি ছাত্রনেতা জোবায়ের আহমদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মুহা. আমিন রশিদ। সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, ইসলামী আন্দোলন নেতা আসাদুজ্জামান মাষ্টার, মোঃ আব্দুস সামাদ, যুবনেতা মারুফ বিল্লাহ, ছাত্রনেতা আমির-উল-হক, খাইরুল ইসলাম, ফরহাদ হুসাইন, হাফেজ সাখাওয়াত উল্লাহ, মাহবুবুর রহমান, হাফেজ খাইরুল ইসলাম, আরমান হোসেন প্রমুখ। সম্মেলন শেষে সাকিবুল হাসানকে সভাপতি, সিদ্দিক হুসাইনকে সহ সভাপতি ও নূরুল জান্নাত মান্নাকে সাধারণ সম্পাদক করে ২০১৭-১৮ সেশনের জন্য ইশা ছাত্র আন্দোলন’র পাকুন্দিয়া উপজেলা কমিটি গঠন করা হয়।

যুব সমাজ ধর্মীয় শিক্ষায় শিক্ষিত হলে জঙ্গিবাদের উত্থান হতো না: পীর সাহেব চরমোনাই



 ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর আমীর মুফতি সৈয়দ মোহাম্মদ রেজাউল করীম পীর সাহেব চরমোনাই বলেছেন, সমাজ আজকে নীতি-নৈতিকতাহীন, বস্তুতান্ত্রিক সফলতার চিন্তায় বিভোর। মানুষ বল্গাহীন দুর্নীতি, হত্যা, পাপাচার এবং দুুরাচারে লিপ্ত হচ্ছে। শাসক গোষ্ঠী ক্ষমতাকে লুণ্ঠনের অধিকার মনে করছে। রাজনীতিকে সেবা নয়; বরং শোষনের হাতিয়ার বানিয়েছে। জাতি ভয়াবহ ধ্বংসের দিকে ছুটে চলছে। এই ধরণের সংকট মোকাবেলার জন্য বাংলার যুব সমাজকে জেগে উঠতে হবে। জাতির হাজার বছরের মুক্তির স্বপ্ন যুবকদের কাঁধে অর্পিত হয়। যুবসমাজকে সুষ্ঠু পথে পরিচালিত করা গেলেই দেশ সুখ-সমৃদ্ধিতে ভরে উঠবে। তাই তরুণ ও যুব সমাজকে রক্ষাসহ ইসলামী শিক্ষার জ্ঞানে শিক্ষিত এবং তাদের সুষ্ঠ পথে পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করতে হবে।
তিনি বলেন, জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবাদের বিস্তার রোধে অবিলম্বে ধর্মহীন শিক্ষানীতি ও প্রস্তাবিত শিক্ষা আইন ২০১৬ অবিলম্বে বাতিল করে ওলামায়ে কেরাম ও ইসলামিক স্কলারদের সাথে নিয়ে এগুলো সংস্কারের ব্যবস্থা নিতে হবে। জঙ্গিবাদ বন্ধে, জঙ্গি কার্যক্রমের উস্কানিদাতা এবং অর্থদাতাদের চিহ্নিত করে ওদের বিরুদ্ধে দ্রুত কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। তিনি বলেন, জঙ্গি ও সন্ত্রাস বিরোধী কওমি শিক্ষার স্বকীয়তা রক্ষা করতে হবে।
পীর সাহেব চরমোনাই বলেন, এদেশের মুসলিম যুবকেরা জ্ঞানের অভাবে এবং পশ্চিমা অপপ্রচারের কারণে ইসলামকে বাদ দিয়ে একদিকে কুফরী গণতন্ত্র-সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলন করছে। অপরদিকে ভ্রান্তমতবাদে আকৃষ্ট হয়ে জঙ্গিবাদে সম্পৃক্ত হচ্ছে জান্নাত পাওয়ার মিথ্যা আশায়। এ পথ থেকে তাদেরকে ফিরিয়ে আনতে হবে।
শুক্রবার (৩১মার্চ’১৭) রাজধানীর কাজী বশির মিলনায়তনে আয়োজিত ইসলামী যুব আন্দোলনের ১ম যুব কনভেনশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।


কেন্দ্রীয় কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কে এম আতিকুর রহমান এর সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব মাওলানা মুহাম্মাদ নেছার উদ্দিন-এর সঞ্চালনায় কনভেনশনে বিশেষ মেহমান হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর প্রেসিডিয়াম সদস্য প্রিন্সিপাল সৈয়দ মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল-মাদানী, সিনিয়র নায়েবে আমীর মুফতী সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম, মহাসচিব অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা ইউনুছ আহমাদ, উপদেষ্টা অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন, যুগ্ম মহাসচিব অধ্যাপক এটিএম হেমায়েত উদ্দিন, মাওলানা নেয়ামতুল্লাহ আল-ফরিদি, অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান, মাওলানা গাজী আতাউর রহমান, সহকারী মহাসচিব আলহাজ্ব আমিনুল ইসলাম, বিকল্প যুব ধারার সাধারণ সম্পাদক মির্জা আসাদুজ্জামান বাচ্চু, জাতীয় যুব সংহতির সদস্য সচিব ফখরুল আহসান শাহজাদা, সাংগঠনিক সম্পাদক ইঞ্জি. আশরাফুল আলম ও মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ূম প্রমুখ।
পীর সাহেব চরমোনাই বলেন, স্বাধীনতার ৪৫ বছর অতিক্রান্ত হয়ে গেলেও মানুষ স্বাধীনতার প্রকৃত স্বাদ আজো পায়নি। অথচ ইসলামকে কেন্দ্র করে স্বাধীনতার সুফল জনগণের কাছে পৌঁছে দেয়ার পূর্ণ সুযোগ রয়েছে। আর এজন্য সন্ত্রাস নির্ভর রাজনীতি পরিহার করে যুবকদেরকে আদর্শিক রাজনীতিতে ফিরিয়ে আনতে হবে। একই সাথে ইসলামী সমাজ প্রতিষ্ঠারজন্য কুরআনের আইন প্রতিষ্ঠায় সর্বাত্মক ত্যাগ ও কুরবানীর নজরানা পেশ করতে হবে।
পীর সাহেব চরমোনাই বলেন, ইসলামের নামে জঙ্গী ও সন্ত্রাসী কর্মকা- দ্বারা মানুষ হত্যা করে ইসলামকে কলঙ্কিত করা হচ্ছে। এসব অপকর্মের স্থান ইসলামে নেই। এগুলো প্রতিহত করে ইসলামের সঠিকরূপ তুলে ধরার জিম্মাদারি গ্রহণ করতে হবে দায়িত্বশীলদের। দেশের সর্বোচ্চ বিচারালয় সুপ্রীম কোর্টের সামনে গ্রীক দেবীর মূর্তি স্থাপন করার মত দুঃসাহস সরকার দেখাচ্ছে। বাংলাদেশ বিশ্বের বুকে অন্যতম সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম দেশ। এদেশের ইতিহাস-ঐতিহ্যের সাথে ইসলাম অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। ইসলামে মূর্তি কিংবা যেকোন প্রাণির ভাস্কর্য নিষিদ্ধ। কিন্তু এদেশের হাতে গোনা কয়েকটি নাস্তিকের চক্রান্তে ইসলাম ও দেশ বিরোধী এই চক্রান্ত কোনোভাবেই সহ্য করা হবে না। এখনো সময় আছে সরকারকে গ্রীক দেবীর মূর্তি অপসারণ করতেই হবে। যদি মূর্তি অপসারণ না করা হয় তবে সারাদেশে আন্দোলনের দাবানল ছড়িয়ে পড়বে। আর উদ্ভূত পরিস্থিতির দায়ভার সরকারকেই নিতে হবে।
সম্মেলন শেষে তিনি ইসলামী যুব আন্দোলনের এর চলমান কমিটি বিলুপ্ত করে চলমান সেশনের জন্য নতুন কমিটি ঘোষণা করেন। নবগঠিত কমিটির কেন্দ্রীয় সভাপতি কে এম আতিকুর রহমান, সহ-সভাপতি প্রকৌশলী শরিফুল ইসলাম ও সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা নেছার উদ্দিন এর নাম ঘোষণা করে শপথ বাক্য পাঠ করান।
www.iabnews.net

বৃহস্পতিবার, ৩০ মার্চ, ২০১৭

জাতীয় যুব কনভেনশন : ইসলামী আন্দোলনের ডানা

এম শামসুদ্দোহা তালুকদার: বাংলাদেশে ইসলামী আন্দোলনের ডানায় আরেকটি টেকসই পালকের সংযোজন হলো। দেশের বৃহৎ ইসলামী রাজনৈতিক সংগঠন “ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ”এর যুবফ্রন্ট হিসেবে ”ইসলামী  যুব আন্দোলন” এর আত্মপ্রকাশ ঘটছে। ৩১ শেমার্চ ’১৭ইং তারিখ পবিত্র জুমাবার রাজধানীতে ‘জাতীয় যুব কনভেনশন’এর মাধ্যমে সেটির আনুষ্ঠানিক শুভসূচনা করবেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মুহতারাম আমির জনাব মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম, পীর সাহেব চরমোনাই। এ সংগঠনটির ছাত্র ফোরাম ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন ইতিমধ্যে পঁচিশ বৎসর পুর্তি জাঁকজমকভাবে পালন করেছে। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের অপর অঙ্গ সংগঠন “ইসলামী শ্রমিক আন্দোলন’ খেটে খাওয়া জনতার পক্ষে কাজ করে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। এর নেতৃত্বে রয়েছেন রাজপথের বীর সেনানী, পীর সাহেব চরমোনাইর রাজনৈতিক উপদেষ্টা জনাব অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের শীর্ষ নেতৃত্ব এতদিন হয়তো সেরকম চিন্তা করেননি যে, তাঁদের অনুসারী যুব নেতা-কর্মীরা আলাদা সংগঠন গড়ুক। কিন্তু সমসাময়িক বিভিন্ন ইস্যু মোকাবেলা, সাংগঠনিক প্রয়োজনীয়তা ও যুগের চাহিদা পূরণে ‘ইসলামী যুব-আন্দোলন’এর অনিবার্যতা দেখা দিয়েছে। সমাজে ইসলামী রাজনীতির চর্চাটা যতই এগিয়ে চলছে, ততোই একটি শ্রেণী ইসলামী আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ সম্মানিত ওলামায়ে কেরামদের ব্যাপারে বেসামাল হয়ে উঠেছে। সাধারণ মানুষ ও যুব সমাজকে বিভ্রান্ত করার জন্যে এতদাঞ্চলে সুস্থসমাজ বিনির্মানে আলেম সমাজের ব্যাপক ভূমিকার কথা ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা চলছে। সে প্রেক্ষিতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ একটি সময়োপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে ”ইসলামী যুব আন্দোলন” গঠনের মধ্য দিয়ে। জাতীয় যুব কনভেনশনের মাধ্যমে যোগ্যতম আলেম, ত্যাগী নেতবৃন্দের সমন্বয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় কমিটি গঠিত হবে।

বাংলাদেশের সমকালীন রাজনৈতিক অঙ্গনটা এলোমেলো। এখানে জঙ্গীবাদের মরণ খেলা চলছে, আইন-শৃংখলা পরিস্থিতি তলানিতে ঠেকেছে, কোন কিছু স্বাভাবিক নিয়মে চলছে না, সরকারের কাঁধে নাস্তিক্যবাদ ও পৌত্তলিকতা ভর করেছে। সবচেয়ে উদ্বেগের ব্যাপার- এখানে ইসলামী মূল্যবোধের বিষয়টি উপেক্ষিত। আর তা হরণের আয়োজনও প্রায় চুড়ান্ত। প্রায় ৯২% মুসলমানদের দেশে ইসলাম-মুসলমান শতভাগ নিরাপদ থাকার কথা। কিন্তু বাংলাদেশ নামক ভূখন্ডটি এখন নানা হুমকির আওতায়। পৌত্তলিক প্রেতাত্মারা আজ দেশের সুপ্রীমকোর্ট অঙ্গণেও হানা দিয়েছে। ভাস্কর্যের নামে ওখানে গ্রীক দেবী জ্যাস্টিসিয়াস এর লোকাল ভার্সন শাড়ী পড়া এক নারী মুক্তি স্থাপন করা হয়েছে। অবশ্যই এটা ধ্বংস বা অপসারণ করার নিয়ত আছে যুব-আন্দোলনের নেতা-কর্মীদের। এ নিবন্ধ লেখার সময় জানা গেল, দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পহেলা বৈশাখ উদযাপনের নামে হিন্দুয়ানি সংস্কৃতি- ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’ আয়োজনের জন্য সরকারি নির্দেশনা জারী করা হয়েছে। এক কথায়- দেশ থেকে ইসলামী সংস্কৃতি ও মূল্যবোধকে নির্বাসনে পাঠানোর অপচেষ্টা করছে কায়েমী গোষ্ঠী। কোন এক ফার্সি কবির বয়ানে তার প্রতিবিম্ব আমরা দেখতে পাই। “বরবাদে গুলিস্তা কে লিয়ে একহি উল্লু কাফি হ্যায়, আগার হার শাখ মে উ ব্যায়াঠি হো তো?’ আঞ্জামে গুলিস্তা কো কেয়া হোগা?” এর ভাবানুবাদ করলে যা দাঁড়ায়- একটি সুন্দর বাগান তছনছ করার জন্য একটি বানরই যথেষ্ঠ, কিন্তু বাগানের গাছে গাছে শাখায় শাখায় যদি বানর বসে থাকে সে বাগানের কি হাল হতে পারে? আসলেই ভেবে দেখুন!

হালে বাংলাদেশের অবস্থাটা হয়েছে এমনই। আপনি একটি ইস্যু নিয়ে কথা বলবেন তা কিন্তু নয়, ইস্যুর পর ইস্যু হাজির। এখানে যতসব ইসলাম বিরোধী ইস্যুর চাষ হয়। কবির পংক্তি মতে এখানে বানরের সংখ্যা এত বেশি যে, বাংলাদেশ নামক মাতৃভূমিটাই আজ হুমকির সম্মুখীন। এদেশে ইসলামী তাহযীব-তমুদ্দুন বলতে অবশিষ্ট কিছু রইল না!

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ আজ উপলব্ধি করছেন বাংলাদেশ নামক বাগানটায় ইসলামের পতাকা উড্ডীন করা এবং তা জারী রাখতে চাইলে অসংখ্য যোগ্য নেতৃত্বের প্রয়োজন, বিশেষ করে যুব শ্রেণীর মাঝে সেটা ব্যাপক হারে দরকার বিধায় ইসলামী যুব আন্দোলনের অদ্যকার বাস্তবতা। বাতিলের সমুদয় চক্রান্ত রুখে দেয়ার দায়িত্ব পালন করবে ইসলামী যুব-আন্দোলন। ইসলামী যুব-আন্দোলন আগামীতে ইসলামী রাজনীতির ইতিহাসের একটি অধ্যায় অবশ্যই দখল করে নিবে, ইন্শাআল্লাহ্।

সাম্প্রতিককালে সমগ্র বিশ্বব্যাপী মুসলিম উম্মাহ্ বিশেষ করে বাংলাদেশের মুসলমানেরা আল্লাহ্দ্রোহী, ইহুদী-খ্রিষ্ট চক্রের নানা ষড়যন্ত্রের শিকার। এর মোকাবেলায় হাক্কানী পীর-মাশায়েখগণ এ দেশের সরল ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের ইমান-আকীদা সংরক্ষণ ও তাদের মাঝে হেদায়েতের আলো প্রজ্জ্বলিত রাখবার জন্য নিরন্তর প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছেন। ১৯৮৭ইং সালের ১৩ই মার্চ ‘ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলন’ নামে ধর্মভিত্তিক একটি রাজনৈতিক দলের গোড়াপত্তন করেন মরহুম পীর সাহেব সৈয়দ মুহাম্মাদ ফজলুল করীম রহ.। তিনি বাতিলের বিরুদ্ধে আজীবন লড়াই করে গেছেন। সত্যিই তিনি রাজনৈতিক ময়দানে আলেমদের অবস্থান পাকাপোক্ত করে গেছেন। আজ একই লক্ষ্যে ডায়নামিক নেতৃত্ব দিয়ে এগিয়ে যাচ্ছেন মুহতারাম আমীর সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম পীর সাহেব, চরমোনাই। সহ-নেতৃত্বে আছেন ‘যুগের রাহ্বার’ খ্যাত সিনিয়র নায়েবে আমির জনাব সৈয়দ মুহাম্মাদ ফায়েজুল কারীম। তাঁদের সুযোগ্য নেতৃত্বের ফলে আজ ইসলামী মূল্যবোধ নিয়ে যারা তামাশা করছে তারাও সমীহ করতে বাধ্য হচ্ছে। তাঁরা রাজপথে ইসলামী ও গণমুখী আন্দোলনের মাধ্যমে গাফেল সরকারকে বার্তা দিয়ে যাচ্ছেন- ওহে! নাস্তিকবান্ধব শক্তি, তোমাদের ইসলাম নিয়ে মশকরা করার দিন শেষ হতে চলছে।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনে করে, কুরআন সুন্নাহ থেকে দূরে সরে থাকার কারণেই মুসলমানেরা সবচেয়ে লাঞ্চনা- বঞ্চনার শিকার। এ হারানো গৌরব ফিরে পেতে হলে পবিত্র কুরআন সুন্নাহর উপর আমল বাড়াতে হবে, সকলকে ইসলামের সুমহান আদর্শের পতাকাতলে ফিরে আসতে হবে। মরহুম পীর সাহেব হুজুর রহ. দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করতেন, নীতি ও আদর্শের সাথে আপোষ করে ইসলামকে বিজয়ী করা যাবে না। তাই তিনি নেতৃত্ব পরিবর্তনের চেয়েও নীতির পরিবর্তনের আন্দোলনে সোচ্চার ছিলেন। তিনি সরাসরি জিহাদী অনুপ্রেরণা নিয়ে সারা দেশ ঘুরে বেড়িয়ে আন্দোলনের মধ্যদিয়ে ‘নেতা নয় নীতির পরিবর্তন চাই’ এটিকে জনপ্রিয় শ্লোগানে পরিণত করেছেন ।

নীতি ও আদর্শের প্রশ্নে আপোষহীন থেকে আদর্শ রাজনীতি প্রবর্তন ও গুণগত মান পরিবর্তনে ইসলামী যুব-আন্দোলনের নব গঠিত কমিটির নেতৃবৃন্দ আগামীতে রাজপথে বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখবেন বলে আশা করি। ইসলামী যুব-আন্দোলনের আহ্বায়ক কমিটির দু’কান্ডারী তৃণমূল থেকে উঠে আসা। উভয়েরই রয়েছে রাজপথের অভিজ্ঞতা এবং তাঁরা সাংগঠনিক প্রজ্ঞায় সমৃদ্ধ। আহ্বায়ক জনাব কে.এম আতিকুর রহমান, সদস্য সচিব মুহাম্মদ নেসারউদ্দিন উভয়েই ইশা ছাত্র আন্দোলনের যথাক্রমে সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক। তাদের পাশাপাশি একঝাঁক তরুণ আলেম ও ত্যাগী নেতাকর্মীর সম্মিলন ঘটতে যাচ্ছে এ মিশনে। তাদের ঈমানী চেতনা অত্যন্ত ধারালো বটে, এর ঝলক দেখা যাবে বাতিলের বিরুদ্ধে আন্দোলন-সংগ্রামে, উত্তপ্ত রাজপথে আর চরমোনাই মাহফিলের ময়দানে।

দেশের সর্বশ্রেণী ও পেশার মানুষদেরকে ইসলামী আন্দোলনে সম্পৃক্ত করতে হলে তাদেরকে আদর্শ ও নৈতিকতার ছবি দেখাতে হবে। তাঁদেরকে ব্যক্তি জীবনে সুন্নতের হুবহু পাবন্দি ও আচার-আচরণে অত্যন্ত সরলতা বজায় রাখতে হবে। তাদের কথা-বার্তায় যথেষ্ঠ নমনীয়তার ছাপ থাকবে। মনে রাখতে হবে, সদ্যজাত এ সংগঠনটির নেপথ্য মূলে রয়েছে, আধ্যাত্মিক প্রেরণা আর লা-ই লাহা ইল্লাল্লাহর শক্তিমান দর্শন। আমরা জানি, একটি ভালো বা পবিত্র কথা একটি ভালো বৃক্ষের মত, যা পবিত্র কুরআনের বাণী। এরশাদ হচ্ছে- ‘একটি ভালো কথা তথা পবিত্র বাক্য পবিত্র বৃক্ষের মত, তার শিকর মজবুত এবং শাখা আকাশের দিকে উত্থিত, সে পালনকর্তার নির্দেশে অহরহ ফল দান করে।’ (সূরা ইব্রাহিম, আয়াত: ২৪-২৫)।

নেতৃত্ব পর্যায়ে যেসব বাক্যে পবিত্রতা ও সত্যকথন থাকেএমন কথাবার্তার রেওয়াজ থাকলে তৃণমূলেও তার প্রভাব পড়ে। ফলে সংগঠনের নেতা-কর্মীদের ব্যবহারিক আচরণে সন্তুষ্ট থাকবে সাধারণ মানুষ। যার ফলাফল হবে নিঃসন্দেহে ইতিবাচক। অনুরূপভাবে মন্দ বা নোংরা কথা যাতে অসত্যের মিশেল মূলত: তাতে ধোঁকাবাজির উপকরণ থাকে। এদেশের জনগণের সাথে ধোঁকাবাজি করা সাধারণ রাজনীতিবিদদের পুরোনো অভ্যাস। তাদের থেকে যুব-আন্দোলনের নেতা-কর্মীরা এড়িয়ে চলবেন। রাজনীতিতে ধোঁকাবাজি বিলুপ্ত করতে চাইলে গণমানুষের সাথে অমূলক কথা, মিথ্যা আশ্বাস বা ভিত্তিহীন প্রতিশ্রুতি দেয়া যাবে না। এটা যে কত বড় মারাত্মক ব্যাপার তা এআয়াতের মাধ্যমেই আন্দাজ করা যায়। এরশাদ হচ্ছে- ‘এবং নোংরা বাক্যের উদাহরণ হল- নোংরা বৃক্ষের ন্যায়, যাকে ভূমি থেকে উপড়ে ফেলা হয়, যার কোন স্থায়িত্ব নেই।’ (সূরা ইব্রাহিম, আয়াত-২৬)।আর এ প্রসঙ্গে প্রিয় নবীর অসংখ্য সতর্কবার্তা রয়েছে, তিনি (স:) বলেছেন- ‘ভাষার ফসলই  মানুষকে জাহান্নামে উপুড় করে নিক্ষেপ করবে’ (তিরমিযি)। তিনি (স.) আরো বলেছেন-“প্রকৃত মুসলিম সে, যার মুখ (ভাষা) ও হাত (কর্ম) থেকে মুসলমানেরা নিরাপদ থাকে” (সহীহ বুখারী)।

প্রিয় নবী মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ (স:) এর পবিত্র চরিত্র মাধুরী ও উত্তম নীতিবোধ ছিল- সেকালের সকল শ্রেণির মানুষের নিকট অতি আকর্ষনীয়। স্বয়ং আল্লাহ্ তায়ালা তাঁর পূর্ববর্তী নবী রাসুলদেরকেও দাওয়াত দানের ক্ষেত্রে সুবচন ও সুন্দর আচরণের ব্যাপারে গুরুত্ব দিতেন।হযরত মুসা আ. ও তদীয় ভ্রাতা হারুন আ. কে ফেরাউনের নিকট দাওয়াত প্রদানের সময় কেমন আচরণ করতে হবে, সে ব্যাপরেও দিক নির্দেশনা দিয়েছেন। এরশাদ হচ্ছে- “তোমরা যাও ফেরাউনের কাছে, সে বিদ্রোহী হয়ে গেছে। তার সাথে কোমলতার সাথে কথা বলবে যাতে করে সে উপদেশ গ্রহণ করে, কিংবা ভীত হয়ে যায়”(সূরা ২০, আয়াত: ৪৩-৪৪)।

ইসলামী আন্দোলনের নিয়ম-নীতি ও কর্ম পদ্ধতি প্রণীত আছে বটে, সেটার অনুসরণসহ নিজস্ব আচরণবিধি পালনের মধ্য দিয়ে দাওয়াতি কার্যক্রমে সফলতা আসবে নিঃসন্দেহে। অন্যান্য রাজনৈতিক দলের যুব-সংগঠনগুলো বর্তমানে তস্করে পরিণত হয়েছে। এ অপ্রিয় সত্যটা দেমাগে রেখে যেন ইসলামী যুব আন্দোলনের সাংগঠনিক তৎপরতা পরিচালিত হয়। চলনে-বলনে আর চরিত্রে যুব আন্দোলনের নেতাকর্মীরা তাকওয়ার লেবাসে আকীর্ন থাকবে এটা কিন্তু সবাই প্রত্যাশা করে। এদেশের সবাই জানে ইসলামী আন্দোলনের শীর্ষ নেতৃত্ব তাঁদের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য, উন্নত আচার-আচরণ ও সুবচনের মাধ্যমেই দেশ-বিদেশে ব্যাপক জনপ্রিয়। চরমোনাই তরিকার কোটি কোটি অনুসারীদের নিকট পীর সাহেব চরমোনাই ‘আইডল’ হিসেবে অভিষিক্ত। তাঁরা ঠিকই পয়গম্বরদের উত্তরাধিকারী হিসেবে প্রতিষ্ঠা পেয়েছেন এবং নিরলস মেহনতের সাথে তাঁরা দাওয়াত, তাবলীগ ও জেহাদের খেদমত চালিয়ে যাচ্ছেন, একমাত্র এদেশে তাগলিবে দ্বীন প্রতিষ্ঠার জন্য।

ইসলামী যুব আন্দোলন এর নেতা-কর্মীদেরকে মূল নেতৃত্বের যোগ্য শীষ্য হতে হবে। ফলে সাধারণ মানুষকে ডাকিবা মাত্র তারা সাড়া দিবে। আর রাজপথ ভরে উঠবে বিভিন্ন ইস্যুতে আর নির্বাচনের ঋতুতে। আপামর জনতাও হাতপাখার অনুকূলে প্রচারণায় নামবেন। অত:পর তাদের ভোটের মাধ্যমে বাক্সটা স্ফীত হবে, ইনশাআল্লাহ্। আল্লাহর জমীনে ইসলামকে গালিব করাতে হলে ইসলামী যুব আন্দোলনের প্রতিটি নেতা-কর্মীকে হতে হবে ‘উসওয়াতুন হাসানার’ যোগ্য উত্তরসূরী এবং মাওলা পাকের কুদরতি রঙ-এ নিজেদেরকে রাঙাতে হবে। ওগো রাব্বে কারিম! ইসলামী যুব আন্দোলনকে আপনি কবুল করে নিন।

 

লেখক: ফ্রিল্যান্স কলামিস্ট ও ইসলামী গবেষক

৩১ মার্চ জাতীয় যুব কনভেনশন সফল করে ইসলামবিরোধী শক্তিকে একটি ম্যাসেজ দিতে চাই: ইসলামী যুব আন্দোলন

আইএবি নিউজ: ইসলামী যুব আন্দোলন-এর কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ বলেছেন, ৩১ মার্চ ২০১৭ শুক্রবার সকাল ৯টায় রাজধানীর কাজী বশির মিলনায়তনে ইসলামী যুব আন্দোলনের ১ম জাতীয় যুব কনভেনশন সফলের মাধ্যমে ইসলামবিরোধী শক্তিকে একটি ম্যাসেজ দিতে চাই। দেশ, দেশের স্বাধীনতা রক্ষায় যুব সমাজ জীবন ও রক্ত দিতে প্রস্তুত রয়েছে। সুপ্রিমকোর্ট প্রাঙ্গণ থেকে গ্রিক দেবীর মূর্তি অপসারণে যুব কনভেনশন ব্যাপক ভূমিকা পালন করবে।

বুধবার (২৯ মার্চ) বিকেলে জাতীয় যুব কনভেনশন সফলের বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্বশীলদের সাথে মতবিনিময়কালে নেতৃবৃন্দ উপরোক্ত কথা বলেন।

পুরানা পল্টনস্থ আইএবি মিলনায়তনে সংগঠনের আহ্বায়ক কেএম আতিকুর রহমানের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন যুব আন্দোলনের সদস্য সচিব মাওলানা নেছার উদ্দিন, যুবনেতা আতিকুর রহমান মুজাহিদ, শেখ নুরুন্নবী, নুরুল ইসলাম আল-আমিন প্রমুখ।

সভায় ইসলামী যুব আন্দোলনের জাতীয় যুব কনভেনশন সফলের জন্য যুব সমাজের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।

গ্রিক দেবীর মূর্তি ও মঙ্গল শোভাযাত্রা মুসলিম জাতির জন্য অশনিসংকেত: অধ্যক্ষ ইউনুছ আহমাদ

আইএবি নিউজ: ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর মহাসচিব অধ্যক্ষ মাওলানা ইউনুছ আহমাদ বর্ষ বরণের নামে মঙ্গল শোভাযাত্রার আয়োজন গ্রামে-গঞ্জের স্কুল কলেজগুলোতে ছড়িয়ে দেয়ার অশুভ পরিকল্পনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে বলেছেন, সুপ্রিমকোর্ট প্রাঙ্গণে গ্রিক দেবীর মূর্তি ও ১৪ এপ্রিল সারাদেশে বিধর্মীয় মূর্তির শোভাযাত্রা অনুশীলনের জন্যে এদেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ তৌহিদী জনতাকে বাধ্য করার উদ্যোগ ঈমানদার মুসলমানরা মেনে নেবে না। অমুসলিমদের প্রতীক ও উপমা ব্যবহার করা ইসলামে নিষিদ্ধ।

তিনি বলেন, মঙ্গল শোভাযাত্রা একটি সংখ্যালঘু হিন্দু জনগোষ্ঠীর ধর্ম ও সংস্কৃতির অংশ। মূলতঃ দেব-দেবীকে উদ্দেশ্য করে এসব আচার অনুষ্ঠানের মাধ্যমে একটি সংখ্যালঘু গোষ্ঠী কল্যাণ কামনা করে থাকে। কেননা সংখ্যালঘু হিন্দু একটি জনগোষ্ঠীর ধর্মীয় বিশ্বাস মোতাবেক পেঁচা মঙ্গলের প্রতীক ও লক্ষ্মীর বাহন, ইঁদুর গণেশের বাহন, হনুমান রামের বাহন, হাঁস স্বরসতীর বাহন, সিংহ দূর্গার বাহন, গাভী রামের সহযাত্রী, সূর্য দেবতার প্রতীক ও ময়ূর কার্তিকের বাহন। মঙ্গল শোভাযাত্রা ও মূর্তি ইসলামবিরোধী কাজ। এসব প্রতীকের মাধ্যমে সংখ্যালঘুরা পূজা-প্রার্থণা করলেও মুসলমানদের জন্য এটা হারাম।

বৃহস্পতিবার (৩০ মার্চ) বিকেলে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর মজলিসে আমেলা (কার্যনির্বাহী পরিষদ)-এর এক সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

সভায় ঘোষিত ২১ এপ্রিলে মহাসমাবেশসহ অন্যান্য কর্মসূচি বাস্তবায়নে বিভিন্ন পর্যালোচনা শেষে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের রাজনৈতিক উপদেষ্টা অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন, যুগ্ম মহাসচিব- অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান ও মাওলানা গাজী আতাউর রহমান, ঢাকা দক্ষিণ সভাপতি মাওলানা ইমতিয়াজ আলম, সাংগঠনিক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আশরাফুল আলম, সহ-সংগঠনিক সম্পাদক কেএম আতিকুর রহমান, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ুম, সহ-প্রচার সম্পাদক মাওলানা নেছার উদ্দিন, ঢাকা উত্তর সভাপতি অধ্যক্ষ মাওলানা শেখ ফজলে বারী মাসউদ, আলহাজ্ব হারুন অর রশিদ, মাওলানা মাওলানা লোকমান হোসাইন জাফরী, মাওলানা আতাউর রহমান আরেফী, এ্যাডভোকেট লুৎফুর রহমান শেখ, আলহাজ্ব আব্দুর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কাশেম, বরকতউল্লাহ লতফি, আলহাজ্ব নাজিম উদ্দিন, অধ্যাপক ডা. শোয়াজ্জেম হোসেন, মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাকী, আলহাজ্ব কে জি মাওলা, আলহাজ্ব সেলিম মাহমুদ, এ্যাডভোকটে একেএম এরফান খান প্রমুখ।

তিনি বলেন, মুসলমানের সংস্কৃতির উৎস ইসলামী জীবন দর্শন ভিত্তিক মূল্যবোধ। স্থানীয় ও লোকজ ঐতিহ্যের উপাদান মুসলিম সংস্কৃতিতেও আছে। কিন্তু এর অবস্থান ইসলামী ঐতিহ্যের সীমানা অতিক্রম করে নয়। আল্লাহকে বাদ দিয়ে অন্য কারো কাছে মঙ্গল প্রার্থণা করা ইসলামে নিষিদ্ধ। ৯২ ভাগ মুসলমানের দেশে মঙ্গল শোভাযাত্রা কোন ক্রমেই যুক্তিযুক্ত হতে পারে না। কেননা মঙ্গল শোভাযাত্রার সাথে শিরক বা মহান আল্লাহর সাথে অংশীদারিত্বের ধারণা জড়িত। তাই মঙ্গল শোভাযাত্রা সার্বজনীন নয়। জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার উৎসবও নয়। প্রকাশ্যে মঙ্গল শোভাযাত্রা বাতিল করতে হবে।

 

ইসলামের দাওয়াত পৌছে দিতে পারলেই ছাত্রদের মাঝে আদর্শিক পরিবর্তন সম্ভব: ইশা ছাত্র আন্দোলন

স্টাফ রিপোর্টার : গতকাল ৩০ মার্চ রোজ বৃহস্পতিবার ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন ফতুল্লা থানা কার্যালয়ে ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন ফতুল্লা থানা শাখার সভাপতি আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ হাসান এর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মু. সাইফুল ইসলাম এর সঞ্চালনায় ২০১৭ সালের বার্ষিক পরিকল্পনা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন ইশা ছাত্র আন্দোলন ফতুল্লা থানা শাখার মজলিশে আমেলার দায়িত্বশীলগণ। উক্ত বৈঠকে ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন ফতুল্লা থানা শাখার ২০১৭ সালের কার্যক্রমের পরিকল্পনা হাতে নেয়া হয়।

ইশা ছাত্র আন্দোলন ফতুল্লা থানা শাখার সভাপতি আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ হাসান তার উদ্বোধনী বক্তব্যে বলেন, ইসলামের দাওয়াত সকল ছাত্রদের মাঝে পৌছে দিতে পারলেই কেবল ছাত্রদের মাঝে আদর্শিক পরিবর্তন সম্ভব।

সভাপতি আরো বলেন, কেবল মাত্র একটি পরিপূর্ণ ইসলামী বিপ্লবই পারে সমাজের সকল স্তরের মানুষের মাঝে শান্তির সুবাতাস এনে দিতে। তাই তিনি ইসলাম প্রতিষ্ঠায় সকলকে ঐক্যবদ্ধ হবার আহবান জানান। এছাড়াও তিনি বলেন, ইসলামী সংস্কৃতি বাদ দিয়ে পাশ্চাত্য অসভ্যতা গ্রহণের ফলেই আজ মানুষের মাঝে থেকে মনুষ্যত্ব হারিয়ে যাচ্ছে। দেশের এই অরাজকতাময় পরিস্থিতিতে ইসলামী শাসনই মানবতার কাঙ্ক্ষিত মুক্তির ঠিকানা। তিনি দেশের সর্বস্তরের ছাত্রদের পাশ্চাত্য সংস্কৃতির বিরুদ্ধে একটি ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনে ঝাপিয়ে পড়ার আহবান জানান।

এছাড়াও উক্ত বৈঠকে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর উর্ধতন বিভিন্ন শাখার দায়িত্বশীলগণ উপস্থিত ছিলেন। ফতুল্লা থানায় ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলনের কাজের অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা হয়। অবশেষে সাধারণ সম্পাদকের দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে বৈঠক সমাপ্ত হয়।

ইশা ছাত্র আন্দোলন গোয়াইনঘাট থানা সম্মেলন অনুষ্ঠিত

সিলেট সংবাদদা: ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন গোয়াইনঘাট থানা শাখার উদ্যেগে শাখা সভাপতি আব্দুস শুকুরের সভাপতিত্বে ও মু. আব্দুল হাকিমের সঞ্চালনায় আজ ৩০ মার্চ'১৭ বৃহস্পতিবার বিকাল ৩টায় দৌবাড়ী ইউনিয়ন কমপ্লেক্স মিলানায়তনে গোয়াইনঘাট থানা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন সিলেট জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মু. আবু তাহের মিসবাহ। সম্মেলন শেষে প্রধান অতিথি ২০১৬ সেশনের কমিটি বিলুপ্ত করে ২০১৭ সেশনের নতুন কমিটি ঘোষণা করেন। কমিটিতে সভাপতিঃ মু. সাইদুর রহমান আজাদ, সহ-সভাপতিঃ মু. আব্দুল হাকিম ও সাধারণ সম্পাদকঃ মু. আফজল হুসাইনকে মনোনীত করা হয়।

ভারতের সাথে প্রতিরক্ষা চুক্তি করলে দেশবাসী মেনে নেবে না: পীর সাহেব চরমোনাই

আইএবি নিউজ: ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর আমীর মুফতী সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম (পীর সাহেব চরমোনাই) বলেছেন, বর্তমান সরকার পুনরায় ক্ষমতায় ফিরে পেতে ভারতের কৃপা নিয়ে টিকে থাকতে চায়। ভারতের সাথে প্রতিরক্ষা চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশকে গোলামীর জিঞ্জিরে আবদ্ধ করতে চাইলে জনগণ তা মেনে নেবে না। দেশ বিরোধী যে কোন চুক্তি দেশবাসী মানবে না। এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, বাংলাদেশের যে সমস্যাগুলো আছে, সেগুলো সমাধান বেশি প্রয়োজন। কিন্তু তিস্তা চুক্তি হবে কিনা তা এখনো অনিশ্চিত। ভারতের সাথে সামরিক চুক্তি হলে আমাদের অভ্যন্তরীণ সব পরিকল্পনা ফাঁস হয়ে যাবে, ফলে নিজস্ব স্বকীয়তা বলতে কিছু থাকবে না। আমরা পরাধীনতার শিকলে আজীবনের জন্য আবদ্ধ হয়ে যাব। পীর সাহবে চরমোনাই বলেন, ২৫ সাল গোলামী চুক্তির খেসারত জাতিকে চরমভাবে দিতে হয়েছে। এখন সামরিক চুক্তি হলে চিরদিনের জন্য ভারতের গোলামী করতে হবে। কাজেই দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনীকে শেষ করার জন্য সামরিক চুক্তির নামে গোলামী চুক্তি দেশপ্রেমিক ঈমানদার জনতা মানবে না। তিনি বলেন, জনগণের সেন্টিমেন্ট বুঝে ভারতের সাথে প্রতিরক্ষা চুক্তি থেকে বিরত থাকতে হবে সরকারকে। আমরা এখন স্বাধীন আছি কি-না, এ প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। আমাদের ব্যক্তি স্বাধীনতা নেই, রাজনৈতিক স্বাধীনতা নেই, অর্থনৈতিক স্বাধীনতাও হুমকির মুখে।

ভারতের সাথে প্রতিরক্ষা চুক্তি করলে দেশবাসী মেনে নেবে না: পীর সাহেব চরমোনাই




ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর আমীর মুফতী সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম (পীর সাহেব চরমোনাই) বলেছেন, বর্তমান সরকার পুনরায় ক্ষমতায় ফিরে পেতে ভারতের কৃপা নিয়ে টিকে থাকতে চায়। ভারতের সাথে প্রতিরক্ষা চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশকে গোলামীর জিঞ্জিরে আবদ্ধ করতে চাইলে জনগণ তা মেনে নেবে না। দেশ বিরোধী যে কোন চুক্তি দেশবাসী মানবে না। এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, বাংলাদেশের যে সমস্যাগুলো আছে, সেগুলো সমাধান বেশি প্রয়োজন। কিন্তু তিস্তা চুক্তি হবে কিনা তা এখনো অনিশ্চিত। ভারতের সাথে সামরিক চুক্তি হলে আমাদের অভ্যন্তরীণ সব পরিকল্পনা ফাঁস হয়ে যাবে, ফলে নিজস্ব স্বকীয়তা বলতে কিছু থাকবে না। আমরা পরাধীনতার শিকলে আজীবনের জন্য আবদ্ধ হয়ে যাব। পীর সাহবে চরমোনাই বলেন, ২৫ সাল গোলামী চুক্তির খেসারত জাতিকে চরমভাবে দিতে হয়েছে। এখন সামরিক চুক্তি হলে চিরদিনের জন্য ভারতের গোলামী করতে হবে। কাজেই দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনীকে শেষ করার জন্য সামরিক চুক্তির নামে গোলামী চুক্তি দেশপ্রেমিক ঈমানদার জনতা মানবে না। তিনি বলেন, জনগণের সেন্টিমেন্ট বুঝে ভারতের সাথে প্রতিরক্ষা চুক্তি থেকে বিরত থাকতে হবে সরকারকে। আমরা এখন স্বাধীন আছি কি-না, এ প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। আমাদের ব্যক্তি স্বাধীনতা নেই, রাজনৈতিক স্বাধীনতা নেই, অর্থনৈতিক স্বাধীনতাও হুমকির মুখে।
সূত্র : IAB News

বুধবার, ২৯ মার্চ, ২০১৭

ইশা ছাত্র আন্দোলন চাঁদপুর সরকারী বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ শাখার সম্মেলন অনুষ্ঠিত

স্টাফ রিপোর্টার ॥

ইসলাম  শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন চাঁদপুর সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ শাখার উদ্যোগে ২৮ মার্চ মঙ্গলবার দুপুর ১২.১৫ মিনিটে কলেজ গ্যালারি মিলানায়তনে কলেজ সম্মেলন ২০১৭ অনুষ্ঠিত হয়। ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন চাঁদপুর সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ শাখার সভাপতি মুহাম্মাদ মহসিন হোসেনের সভাপতিত্বে সাধারণ সম্পাদক এস এম মহিউদ্দিন মিয়াজীর পরিচালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি জেনারেল শেখ মুহাঃ সাইফুল ইসলাম।

তিনি বলেন, মহান স্বাধীনতার মাস বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে

স্মরণীয় মাস। এ মাসে বাংলাদেশের

কোটি কোটি জনতা স্বাধীনতার তরে ঝাপিয়ে পড়েন মহান

মুক্তিযুদ্ধে। দীর্ঘ ৯ মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের

পর আমরা স্বাধীনতা অর্জন করেছিলাম।

কিন্তু আমরা আমাদের কাঙ্খিত

স্বাধীনতা আজও পাইনি। এদেশের মানুষ পাকিস্তানী আমলে যেমন বৈষম্যের স্বীকার হতো এখনো সাধারণ জনগন সেই বৈষম্যের স্বীকার। খুন, হত্যা, গুম, ধর্ষন, লুন্ঠন, দুর্নীতি এখনো হচ্ছে। সুতরাং শুধু নেতার বদল হলে কাঙ্খিত মুক্তি পাওয়া সম্ভব নয়, প্রয়োজন নীতির পরিবর্তন।

ইসলামী শাসন ব্যবস্থা ছাড়া এই ৯০ ভাগ মুসলমানের দেশে মুক্তি, স্বাধীনতা

পাওয়া অসম্ভব।

আমাদের দেশের শাসক শ্রেণীর দুর্বলতার কারণে ভিনদেশী সাংস্কৃতিক আগ্রাসনের শিকার হচ্ছে দেশ। আমাদেরকে ভারতীয় সাংস্কৃতিক আগ্রাসনে জর্জরিত করেছে। নিজস্ব সংস্কৃতির চর্চার পরিবর্তে ভিনদেশী সংস্কৃতির আমদানী করা হচ্ছে। গ্রীক দেবীর মূর্তিও মুসলমানের সংস্কৃতি নয়, এটা ভারতীয় সংস্কৃতি। মূর্তির সংস্কৃতি রুখে দিতে হবে। মূর্তি অপসারণের দাবীতে আগামী মাস থেকে আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে চাঁদপুরে। কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে ছাত্র সংসদ পূনারায় চালু করার দাবীতে চাঁদপুরে কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ে মানববন্ধন, অধ্যক্ষ বরাবর স্বারকলিপি প্রদান সহ বিক্ষোভ সমাবেশ এর কর্মসূচি ঘোষণা করেন।

শেখ মুহাঃ সাইফুল ইসলাম বলেন, সরকারের দলের মন্ত্রীরা মূর্তিকে ন্যায় বিচারের প্রতীক মনে করে মূর্তির পক্ষে অবস্থান নিয়ে নিজেরাও ঈমানহারা হচ্ছে এবং দেশবাসীকেও ঈমানহারা বানাচ্ছে। নব্য নাস্তিক-মুরতাদ ও নবীর দুশমনসহ সকল ষড়যন্ত্রকারী শক্তিকে রুখে দিতে হবে। ভাষা আল্লাহরই দান। মুখের ভাষাকে যারা কেড়ে নিতে চেয়েছিল তারা আসলেই মানবতার শত্রু। এই মানবতার শত্রুদের যেভাবে বাংলার দামাল ছেলেরা পরাজিত করে বাংলা ভাষা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন তেমনিভাবে মহানবীর দুশমন নব্য নাস্তিকদের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক সংগ্রামে অবতীর্ণ হতে হবে। আজ কলেজ ক্যাম্পাসে ইসলামী দলগুলোকে কোনঠাসা করে রাখতে চায়। আমাদের বাকস্বাধীনতা যালিম গোষ্ঠী কেড়ে নিতে চায়, প্রকাশ্যে প্রোগ্রাম করতে বাঁধা সৃষ্টি করতে চায় এ স্বাধীন দেশে সকল প্রকার অরাজকতা অপরাজনীতি উৎখাত করে সুষ্ট রাজনিতির পরিবেশে ক্যাম্পাসগুলোতে আনতে হবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ চাঁদপুর জেলা শাখার সিনিয়র সহ-সভাপতি মাওলানা মুজাম্মিলুল হক, সেক্রেটারি শেখ মুহাঃ জয়নাল আবদীন, জয়েন্ট সেক্রেটারি মাওলানা কে এম ইয়াসিন রাশেদ সানী, ছাত্র ও যুব বিষয়ক সম্পাদক শাহ্ জামাল গাজী সোহাগ, ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন জেলা সভাপতি মুহাম্মদ রিয়াজুর রহমান, সহ-সভাপতি শেখ রায়হান মুহাঃ আকতার, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ চাঁদপুর জেলা শাখার সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক মোঃ মামুনুর রশীদ খান বেলাল, সদর উপজেলা সেক্রেটারি মাওলানা মোঃ নুর উদ্দিন, ইসলামী শ্রমিক আন্দোলন চাঁদপুর জেলা শাখার সভাপতি মাওলানা আফসার উদ্দীন।

অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন চাঁদপুর সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক নেছার উদ্দীন, অর্থ সম্পাদক মোঃ আসাদুল্লাহ্ সুমন, দফতর সম্পাদক মহসিন ঢালী, ছাত্র কল্যাণ সম্পাদক মোঃ মনজুর গাজী, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম সহ কলেজ শাখার অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

প্রধান অতিথি ২০১৬ সেশনের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করে ২০১৭ সেশনের ১ বছেরর নতুন কমিটিতে সভাপতি এস এম মহিউদ্দিন মিয়াজী, সহ-সভাপতি মোঃ নেছার উদ্দীন ও সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মাদ আনোয়ার হোসেন সজীব এর নাম ঘোষণা করে সংগঠনের নীতিমালা অনুযায়ী শপথবাক্য পাঠ করান। দেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে শহীদদের জন্য এবং দেশবাসীর জন্য বিশেষ দোয়া ও মুনাজাত করে সম্মেলন সমাপ্তি করেন।

মঙ্গলবার, ২৮ মার্চ, ২০১৭

মঙ্গল শোভাযাত্রার মত হিন্দুয়ানী সংস্কৃতি সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমানদের ঘাড়ে চাপিয়ে দেয়া হচ্ছে: মুফতী ফয়জুল করীম

আইএবি নিউজ: ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর সিনিয়র নায়েবে আমীর মুফতী সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম (সাহেবজাদা ও খলিফা, শায়েখ চরমোনাই রহ.) বর্ষ বরণের নামে মঙ্গল শোভাযাত্রার আয়োজন গ্রামে-গঞ্জেও ছড়িয়ে দেয়ার অশুভ পরিকল্পনার তীব্র সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেন, বাঙ্গালী সংস্কৃতির সার্বজনীনতার তত্ত্বের আড়ালে এসব বিধর্মীয় মূর্তির শোভাযাত্রা অনুশীলনের জন্যে এদেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ তৌহিদী জনতাকে বাধ্য করার উদ্যোগ গ্রহণযোগ্য নয়। অমুসলিমদের প্রতীক ও উপমা ব্যবহার করা ইসলামে নিষিদ্ধ।

তিনি বলেন, মঙ্গল শোভাযাত্রা একটি সংখ্যালঘু হিন্দু জনগোষ্ঠীর ধর্ম ও সংস্কৃতির অংশ। মূলতঃ দেব-দেবীকে উদ্দেশ্য করে এসব আচার অনুষ্ঠানের মাধ্যমে একটি সংখ্যালঘু গোষ্ঠী কল্যাণ কামনা করে থাকে। কেননা সংখ্যালঘু হিন্দু একটি জনগোষ্ঠীর ধর্মীয় বিশ্বাস মোতাবেক পেঁচা মঙ্গলের প্রতীক ও লক্ষ্মীর বাহন, ইঁদুর গণেশের বাহন, হনুমান রামের বাহন, হাঁস স্বরসতীর বাহন, সিংহ দূর্গার বাহন, গাভী রামের সহযাত্রী, সূর্য দেবতার প্রতীক ও ময়ূর কার্তিকের বাহন। কেউ কেউ শরীরে দেব-দেবীর, জন্তু-জানোয়ারের প্রতিকৃতি, কালির লোহিত বরণ জিহ্বা, গণেসের মস্তক ও মনসার উল্কি একে ভাড় সেজে এবং মৃদঙ্গ-মন্দিরা, খোল-করতাল বাজিয়ে মঙ্গল শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণ করে। এসব প্রতীকের মাধ্যমে তারা পূজা-প্রার্থণা করেন। ইসলামে এটা হারাম।

এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, মুসলমানের সংস্কৃতির উৎস ইসলামী জীবন দর্শন ভিত্তিক মূল্যবোধ। স্থানীয় ও লোকজ ঐতিহ্যের উপাদান মুসলিম সংস্কৃতিতেও আছে। কিন্তু এর অবস্থান ইসলামী ঐতিহ্যের সীমানা অতিক্রম করে নয়। আল্লাহকে বাদ দিয়ে অন্য কারো কাছে মঙ্গল প্রার্থণা করা ইসলামে নিষিদ্ধ।

মুফতী ফয়জুল করীম বলেন, ইউনেস্কোর সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের তালিকায় যুক্ত মঙ্গলশোভাযাত্রা সাম্প্রদায়িক। মঙ্গল শোভাযাত্রা কোন ক্রমেই বাংলাদেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম জীবনধারার সঙ্গে যুক্ত নয়। কেননা মঙ্গল শোভাযাত্রার সাথে শিরক বা মহান আল্লাহর সাথে অংশীদারিত্বের ধারণা জড়িত। তাই মঙ্গল শোভাযাত্রা সার্বজনীন নয়। জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার উৎসবও নয়। প্রকাশ্যে মঙ্গল শোভাযাত্রা বাতিল করতে হবে।

 

অধ্যক্ষকে লাঞ্চিত কারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে: জাতীয় শিক্ষক ফোরাম

স্টাফ রিপোর্টার : জাতীয় শিক্ষক ফোরামের কেন্দ্রীয় আহবায়ক অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান ও সদস্য সচিব এ.বি.এম. জাকারিয়া এক যৌথ বিবৃতিতে রাজশাহীর তানোরে সরনজাই কলেজ অধ্যক্ষ ইমারত আলীকে ইউপি চেয়ারম্যান কর্তৃক লাঞ্চিত করার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

লাঞ্চিতকারী ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মালেক সহ জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবী করে নেতৃবৃন্দ বলেন, শিক্ষক হল আদর্শ মানুষ গড়ার কারিগর। শিক্ষকদের সম্মান অক্ষুন্ন রাখা প্রতিটি মানুষের নৈতিক দায়িত্ব। যে জাতি শিক্ষক সমাজকে সম্মান করতে জানেনা, সে জাতির ধ্বংস অনিবার্য। সরকার দলীয় স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানকে অত্র কলেজের প্রোগ্রামে প্রধান অতিথি না করায় সরনজাই কলেজের অধ্যক্ষকে ইউপি চেয়ারম্যান সহ যারা লাঞ্চিত করার পাশাপাশি ঔধ্যতপূর্ণ ও আইনের পরিপন্থি বক্তব্য দিয়েছেন তাদের আগামী ৪৮ ঘন্টার মধ্যে দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি দাবী করেন জাতীয় শিক্ষক ফোরামের নেতৃদ্বয়।

 

বর্ষবরণের নামে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মঙ্গল শোভাযাত্রা আয়োজনের নির্দেশ প্রত্যাহার করুন: মুক্তিযুদ্ধ প্রজন্ম কাউন্সিল

স্টাফ রিপোর্টার : ১৪ এপ্রিল বর্ষবরণের নামে সারা দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে মঙ্গল শোভাযাত্রা বাধ্যতামূলক আয়োজনে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের নেয়া সিদ্ধান্তকে প্রত্যাখ্যান করে তা প্রত্যাহারের দাবী জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধ প্রজন্ম কাউন্সিলের চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম কবির।

গণমাধ্যমে প্রদত্ত আজ এক বিবৃতিতে শহিদুল ইসলাম কবির বলেন, ৩০ লক্ষ শহীদের রক্তের বিনিময়ে যে বাংলাদেশ নামক রাষ্ট আমরা পেয়েছি তার ৯২ ভাগ মানুষ ইসলামকে অনুসরণ করে। তারা আল্লাহর হুকুম আহকাম মেনে চলতে চেষ্ঠা করেন। ইসলাম নির্দেশিত উৎসব তারা পালন করেন। মুসলিম প্রধান দেশে রাষ্ট্রীয়ভাবে মঙ্গল শোভা যাত্রা বাধ্যতামূলক আয়োজনের সিদ্ধান্ত কোনোভাবে গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। দেশের সাধারণ ধর্মপরায়ন মানুষ এ সিদ্ধান্ত কোনো ভাবেই মেনে নিবে না।

তিনি বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেয়া মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে ৫% মুক্তিযোদ্ধাকেও এ মঙ্গল শোভাযাত্রা আয়োজনের পক্ষে পাওয়া যাবে না। এ মুহুর্তে মুক্তিযোদ্ধাদের প্রাণের দাবী হচ্ছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মঙ্গল শোভাযাত্রা আয়োজনের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করা। মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠত বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মাকে অশান্ত করবে এই অশ্লীল ভিনদেশী হিন্দুয়ানী সংস্কৃতি।

সরকার যদি দেশের সকল স্কুল কলেজে এঙ্গল শোভা যাত্রা আয়োজনের চাপিয়ে দেয়া সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবীতে মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযোদ্ধার সন্তানরা দেশবাসীকে সাথে নিয়ে প্রয়োজনে আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবে।

সামরিক চুক্তির মাধ্যমে দেশের স্বাধীনতা বিকিয়ে দেওয়ার ষড়যন্ত্র হচ্ছে : অধ্যক্ষ মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল মাদানী

আইএবি নিউজ: ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যক্ষ মাওলানা সৈয়দ মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল-মাদানী বলেছেন, ক্ষমতাসীন সরকার দেশের স্বার্থ জলাঞ্জলি দিয়ে ভারতের স্বার্থ রক্ষায় সামরিক চুক্তি করতে মরিয়া হয়ে উঠছে। স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব বিসর্জন দিয়ে করা কোনো চুক্তি দেশের মানুষ মেনে নেবে না। তিনি বলেন, দেশপ্রেমিক ঈমানদার জনতার সেন্টিমেন্ট বিরোধী যে কোন চুক্তি ভারতের সাথে করলে দেশবাসী স্বাধীনতা যুদ্ধের ন্যায় গর্জে উঠতে বাধ্য হবে। সামরিক চুক্তি দেশের জন্য আজীবন অকল্যাণই বয়ে আনবে। সামরিক চুক্তি হলে সেনাবাহিনীর অভ্যন্তরীণ সকল পরিকল্পনা, রণ কৌশল ভারত জেনে গেলে ভবিষ্যৎে যুদ্ধ কার সাথে হবে? কাজেই সামরিক চুক্তি করা থেকে বিরত থাকতে হবে। ভারতের সাথে সকল অমিমাংসিত বিষয়গুলোর সমাধান আগে প্রয়োজন। এরপর নতুন কোন চুক্তি করতে হলে দেশবাসীর মতামত গ্রহণ করে চুক্তি করতে হবে। রাতের আধারে ভারতে সাথে কোন চুক্তি দেশপ্রেমিক জনতা মেনে নেবে না। দেশবাসী দীর্ঘ দিনের অমিমাংসিত তিস্তা চুক্তির বাস্তবায়ন চায়। সরকার গঙ্গা নদীর পানি বণ্টন চুক্তি পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়ন করতে পারেনি, ৫৪টি নদীর পানি নিয়েও চুক্তি করতে পারেনি। অন্যদিকে পানিসম্পদ মন্ত্রীর মুখে আমরা শুনতে পাই-তিস্তা নদীর পানি চুক্তি হবে কি- না তা নিয়ে তিনি সন্দিহান। তাহলে কোন্ চুক্তি হবে?

গতকাল (সোমবার) বিকেলে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর এক জরুরী সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। এতে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের রাজনৈতিক উপদেষ্টা অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন, যুগ্ম মহাসচিব অধ্যাপক মাওলানা এটিএম হেমায়েত উদ্দিন ও মাওলানা গাজী আতাউর রহমান, মাওলানা ইমতিয়াজ আলম, কেএম আতিকুর রহমান, মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ূম, মাওলানা নেছার উদ্দিন, মাওলানা লোকমান হোসাইন জাফরী প্রমুখ।

অধ্যক্ষ মাদানী আরো বলেন, দেশের স্বাধীনতা বিকিয়ে দেওয়ার ষড়যন্ত্র অব্যাহত। বড় দেশের সঙ্গে যখন কোনো সামরিক-প্রতিরক্ষা চুক্তি করা হয় তখন সেই বড় দেশই আরও শক্তিশালী হয়। দুর্বল দেশ শক্তিশালী হতে পারে না। আরো দুর্বল বা নতজানু হয়। তিনি বলেন, সরকারকে দেশের মানুষের মনের ভাষা বুঝতে হবে। তিনি বলেন, জঙ্গিবাদ মোকাবেলায় নিরীহ-নিরাপরাধ মানুষকে কোনভাবেই হয়রানী করলে ঈমানদার জনতা মেনে নেবে না। তিনি বলেন, ইসলামী শিক্ষা বাধ্যতামূলক করলে জঙ্গিবাদ আর থাকবে না। কেননা ইসলাম সন্ত্রাস বা চরমপন্থা সমর্থন করে না।

ইসলামী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম পরিষদ ঢাকা মহানগর কমিটি গঠিত: ইয়াছির আহবায়ক, ইয়াছিন সদস্য সচিব

স্টাফ রিপোর্টার : ইসলামী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম পরিষদ ঢাকা মহানগর কমিটি গত ২৬ মার্চ গঠিত হয়েছে। তথ্য প্রযুক্তিবিদ জনাব মুহাম্মদ ইয়াছির আরাফাতকে আহবায়ক ও মুহাম্মদ ইয়াছিন আকন্দকে সদস্য সচিব করে ঢাকা মহানগর কমিটি গঠন করা হয়েছে।

ইসলামী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম পরিষদ ঢাকা মহানগর কমিটি গঠনের লক্ষ্যে রবিবার বেলা ১১টায় পুরানা পল্টনস্থ ইসলামী আন্দোলন এর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংগঠনের কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহবায়ক শহিদুল ইসলাম কবির এর সভাপতিত্বে ও কেন্দ্রীয় সদস্য সচিব মুহাম্মদ নুরুজ্জামান সরকার এর পরিচালনায় এক সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এতে বক্তব্য রাখেন ইসলামী মুক্তিযোদ্ধা পরিষদের কেন্দ্রীয় সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা খালেকুজ্জামান, ঢাকা মহানগর সদস্য সচিব বীর মুক্তিযোদ্ধা ক্যাপ্টেন আবুল হাসেম খান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকা মহানগরের সহ-সভাপতি আলহাজ্ব আলতাফ হোসেন, ইসলামী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম পরিষদের কেন্দ্রীয় সহকারী সদস্য সচিব আরিফ বিন মেহের উদ্দীন, ঢাকা মহানগর নেতা মুহাম্মদ ইয়াসির আরাফাত, আতাউর রহমান রিযাজ, মুহাম্মদ ইয়াছিন আকন্দ, মোঃ সাহাদুজ্জামান মোল্লা, মোঃ মিজানুর রহমান, সুলতান বিন হাফিজ ও মোঃ রেজাউল করীম।

নবগঠিত ইসলামী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম পরিষদ ঢাকা মহানগরের কমিটির সদস্যরা হলেন আহবায়ক-মুহাম্মদ ইয়াসির আরাফাত, যুগ্ম আহবায়ক- আতাউর রহমান রিযাজ, সদস্য সচিব- মুহাম্মদ ইয়াছিন আকন্দ, অর্থ সচিব- মোঃ সাহাদুজ্জামান মোল্লা, সাংগঠনিক ও প্রচার সচিব- মোঃ মিজানুর রহমান, সদস্য- সুলতান বিন হাফিজ সদস্য-ডা. মুহাম্মদ ইব্রাহিম।

জঙ্গীবাদের নামে ইসলাম, মানবতা ও দেশবিরোধী অশুভ চক্রকে সম্মিলিতভাবে প্রতিহিত করতে হবে: ইঞ্জিনিয়ার গিয়াস উদ্দিন

স্টাফ রিপোর্টার : করুণ ও সংকটময় পরিস্থিতির মধ্যদিয়ে জীবনযাপন করছে স্বাধীন বাংলাদেশের শান্তিপ্রিয় জনগণ। প্রশাসন থেকে নিয়ে সাধারণ জনগণ সকলের উচিৎ অন্যায়-অবিচার, হিংসাত্মক রাজনীতি, জুলুম-নির্যাতন, ক্ষমতার অপ-ব্যবহার সহ সকল নাটকীয়তা পরিহার করে বিপথগামী জঙ্গী তথা ইসলামের শত্রু, দেশের শত্রু, মহান স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বের শত্রুদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিরোধ গড়ে তোলা।

সামাজিক প্রতিরোধের নামে বিরোধী মত বা দলের নেতাকর্মীদের দমন করা নয়। জাতীয় সমস্যার সমাধানে সকলে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করা এখন অতীব প্রয়োজন।

রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন না করলে কি হয় তা এখন পরিষ্কার। কিছুদিন পূর্বেও র‌্যাব-পুলিশের বিভিন্ন অভিযানকে দেশের জনগণের একটি বড় অংশ বিতর্কিত তথা নাটক হিসেবে বলতে দ্বিধা করে নাই। সিলেটের আতিয়ায় সশস্ত্র বাহিনীর অভিযান নিয়েও ছিল জনমনে নানান প্রশ্ন। অথচ আমার দেশের গোয়েন্দা অফিসার আজ মৃত্যু সজ্জায়। নিরীহ জনগণ নিহত হবার পাশাপাশি আহত অনেকে। সারাদেশের জনগণের মনে আজ চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।

এটা আজ সুস্পষ্ট যে, ইসলাম, দেশ ও মানবতার শত্রুদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ দৃষ্টিভঙ্গী  নিয়ে কাজ করা শতভাগ জরুরী হয়ে পড়েছে।

গতকাল ২৬ শে মার্চ (রবিবার) মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকা মহানগর উত্তরের আওতাধীন আদাবর থানা শাখার উদ্যোগে শাখা সভাপতি মাওলানা আবু সাঈদের সভাপতিত্বে থানা কার্যালয়ে আয়োজিত আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে নগর সহকারী দফতর সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মুহাম্মাদ গিয়াস উদ্দিন উপরোক্ত কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, আমরা চাইনা এদেশ ফিলিস্তিন, ইরাক, আফগান, সিরিয়া, কাশ্মীরের মত পরিণতি ভোগ করুক। ইসলাম শান্তির ধর্ম। ইসলামকে কলুষিত করতেই “আল্লাহু আকবার” পবিত্র শব্দ ব্যবহার করে বিপথগামীরা একের পর এক তাণ্ডব চালাচ্ছ।

সরকার ও প্রশাসনের প্রতি আহবান জানিয়ে তিনি বলেন, আসুন দয়া করে দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব রক্ষা করতে হাতে হাত রেখে ঐক্যবদ্ধভাবে গণ-প্রতিরোধ গড়ে তুলি। বিপথগামী জঙ্গীদের মূল উৎস যেকোন মূল্যে খুঁজে বের করতে হবে। অস্ত্রের যোগানদাতা কে বা কারা তা উৎঘাটন করতে হবে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আদাবর থানা ও ওয়ার্ড শাখা, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, বাংলাদেশ মুজাহিদ কমিটি, ইসলামী শ্রমিক আন্দোলন, ইসলামী যুব আন্দোলন, ইশা ছাত্র আন্দোলনের দায়িত্বশীল সহ প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।

সোমবার, ২৭ মার্চ, ২০১৭

ইশা ছাত্র আন্দোলন লক্ষীপুর জেলা শাখার স্বাধীনতা দিবস উদযাপন

লক্ষ্মীপুর থেকে পারভেজ: গতকাল ২৬ মার্চ রোজ রবিবার সকাল ৯টায় ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন লক্ষ্মীপুর জেলা শাখার উদ্যোগে জেলা সভাপতি মুহাম্মদ নোমান সিদ্দিকীর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মু. নূরুল আলমের সঞ্চালনায় দক্ষিণ তেমুহনি জেলা কার্যালয়ে মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ লক্ষ্মীপুর জেলা শাখার সভাপতি আলহাজ্ব অনারারি ক্যাপ্টেন (অব:) মু. ইব্রাহিম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ লক্ষ্মীপুর জেলা শাখার ছাত্র ও যুব বিষয়ক সম্পাদক মাওলানা মু. মাহবুবুর রহমান।

প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ কালো রাতে অপারেশন সার্চলাইট নামে নিরীহ ঘুমন্ত বাঙ্গালির উপরে যে গণহত্যা চালিয়েছে তা ইতিহাসে কলঙ্কজনক অধ্যায় হিসেবে রচিত হয়েছে। ২৬শে মার্চের সেই দীপ্ত শপথ পরবর্তীতে আমাদেরকে স্বধীনতা এনে দিয়েছে। দেশ স্বাধীন হয়েছে ঠিকই কিন্ত স্বধীনতার স্বপ্নসাধ এখনো পূরন হয়নি। আজও মানুষ খুন হচ্ছে, গুম হচ্ছে, এখনো আমার মা-বোন ধর্ষিত হচ্ছে, এজন্য কি এ দেশ স্বাধীন হয়ছে? যদি দেশে আবারও ত্রাসের রাজত্ব কয়েম হয় তাহলে আমরা হাত গুঁটিয়ে বসে থাকবো না। মাজলুম মানুষের কাঙ্ক্ষিত মুক্তির জন্য আরেকটি বিপ্লবের জন্য ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে।

বিশেষ অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, আজ ভারতের সাথে যে প্রতিরক্ষা চুক্তির কথা শুনা যাচ্ছে যদি তা বাস্তবায়ন হয় তাহলে আমাদের সামরিক বাহিনীকে পঙ্গু করে দেওয়া হবে। এ স্বাধীন ভুখন্ডকে আরেকটি ''সিকিম'' বা ভারতের গোলাম বানানোর গভীর ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে।  সুতারং ছাত্র সমাজকে আবারো ঐক্যবদ্ধ হয়ে সকল অপশক্তির কবর রচনা করতে হবে।

সভাপতি তার উদ্ভোধনী বক্তব্যে বলেন, চলমান প্রতিরক্ষা চুক্তি থেকে জনগনের দৃষ্টি এড়ানোর জন্য বিভিন্ন জায়গায় জঙ্গি হামলার ইস্যূ তৈরী করে সরকার ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের অপচেষ্টায় লিপ্ত। আলোচনা সভা ও র‍্যালীতে আরো উপস্থিত ছিলেন ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন লক্ষ্মীপুর জেলা শাখার সহ-সভাপতি মু. ইমরান হোসাইন, সাংগঠনিক সম্পাদক মু. রাশেদুল ইসলাম, প্রশিক্ষণ সম্পাদক মু. মাঈন উদ্দিন চিশতী, প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক মু. ফারবেজ হোসাইন সহ প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।আমাদের শান্তিপূর্ণ দেশে জঙ্গি ইস্যূ তৈরী করে বিশ্বের দরবারে আমাদের দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করার খেসারত সরকারকেই দিতে হবে।

আলোচনা শেষে দ.তেমুহনী চত্বর থেকে এক বিশাল র‍্যালী লক্ষ্মীপুর সামাদ মোড়ে গিয়ে শেষ হয়। পরিশেষে স্বাধীনতা সংগ্রামে নিহত সকল শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া ও মুনাজাত করা হয়। ইশা ছাত্র আন্দোলন লক্ষীপুর জেলা শাখার স্বাধীনতা দিবস উদযাপন

 

সামরিক চুক্তি করে স্বাধীনতা বিকিয়ে দেয়ার ষড়যন্ত্র সহ্য করা হবে না: অধ্যাপক এটিএম হেমায়েত উদ্দিন

আইএবি নিউজ: ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর যুগ্ম মহাসচিব অধ্যাপক মাওলানা এটিএম হেমায়েত উদ্দিন বলেছেন, স্বাধীনতার ৪৬ বছর অতিবাহিত হলেও দেশবাসী স্বাধীনতার সুফল পায়নি। ভারতের সাথে সামরিক চুক্তি করে বাংলাদেশকে পরাধীনতার শিকলে আবদ্ধ করতে চায়। এই চুক্তি হলে বাংলাদেশ আজীবনের জন্য ভারতের গোলামীতে আবদ্ধ হবে। সেনাবাহিনীর গোপন কৌশল ও পরিকল্পনা প্রকাশ পেয়ে গেলে দেশ স্বাধীন স্বকীয়তা হারাবে। তিনি বলেন, সরকারের ছত্রছায়ায় ধর্মীয় সেন্টিমন্টের ওপর বার বার আঘাত হানছে। বিরানব্বই ভাগ মুসলমানের দেশে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বাতিলে রিট হয়। সুপ্রিমকোট প্রাঙ্গণে গ্রিক দেবীর মূর্তি স্থাপন করে জনগণকে শিরকের দিকে নিয়ে যেতে চায়। এরচেয়ে দুঃখজনক বিষয় আর কি হতে পারে? তিনি বলেন, খুন, হত্যা ও নৈরাজ্যে আজ নিত্যদিনের ঘটনায় পরিণত হয়েছে। মুসলমান ইসলাম ও ধর্মের জন্য এবং বিসমিল্লাহ বলেই আমরা যুদ্ধ করেছি। প্রতিটি গুলি করার সময় আমরা আল্লাহর উপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস করে এবং বিসমিল্লাহ বলে গুলি চালাতাম। কস্মিনকালেও ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য আমাদের মত মুসলমান মুক্তিযোদ্ধারা যুদ্ধ করেনি।

তিনি বলেন, ১৯৭১ সনে স্বাধীনতার ঘোষণায়ও ধর্মনিরপেক্ষতার উল্লেখ নেই। ১৯৭২ সালে ২৫ বছর মেয়াদী বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী চুক্তির মাধ্যমে ধর্মনিরপেক্ষতাকে রাষ্ট্রীয় মূলনীতি হিসেবে বাংলাদেশের ওপর চাপিয়ে দেয়া হয়। ভারত সেক্যুলার হওয়ার জন্যে বাংলাদেশকে প্রেসক্রিপশন দেয়ার পর থেকেই সি আর দত্তসহ একশ্রেণীর লোক উপরোক্ত দাবি জানাতে শুরু করে, যা অগণতান্ত্রিক, সংবিধান বিরোধী ও সার্বজনীন মানবধিকারের পরিপন্থী।

গতকাল (রবিবার) বিকেলে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকা মহানগর দক্ষিণ-এর উদ্যোগে পুরানা পল্টনস্থ অফিস মিলনায়তনে “মহান স্বাধীনতার ৪৬ বছর প্রাপ্তি ও প্রত্যাশা” শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি উপরোক্ত কথা বলেন। সংগঠনের ঢাকা মহানগর দক্ষিণ সভাপতি মাওলানা ইমতিয়াজ আলমের সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারী মাওলানা এবিএম জাকারিয়ার পরিচালনায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন নগর সহ-সভাপতি আলহাজ্ব আব্দুর রহমান ও আলহাজ্ব্ আলতাফ হোসেন, মুক্তিযোদ্ধা আবুল কাশেম, ডা. শহিদুল ইসলাম, মাওলানা আব্দুর রাজ্জাক প্রমুখ।

সভাপতির বক্তব্যে মাওলানা ইমতিয়াজ আলম বলেন, স্বাধীনতার ৪৬ বছর পরও মুসলমানরা পরাধীন। আজ মুসলমানরা ঈমান ও আমল নিয়ে বেচে থাকা কঠিন হয়ে পরছে। জুলুম নির্যাতন বেড়ে চলছে। সর্বত্র খুন-খারাবী মহামারি আকার ধারণ করছে।

তিনি বলেন, দেশের স্বাধীনতার রক্ষার পরিবর্তে ক্ষমতাসীনরা দেশ বিক্রির ষড়যন্ত্র করছে। দেশের টাকা লুট হয়, ডিজিটাল কায়দায়, ডিজিটাল সরকার বলতে লজ্জা থাকা উচিত।

দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা প্রতিটি নাগরিকের নৈতিক দায়িত্ব: অধ্যক্ষ শেখ ফজলে বারী মাসউদ

স্টাফ রিপোর্টার : স্বাধীনতা আল্লাহ তা’আলার মহা নিয়ামত। এ স্বাধীনতা অক্ষুন্ন রাখা দেশের প্রতিটি নাগরিকের ঈমানী ও নৈতিক দায়িত্ব। কারণ মানুষ জন্মগতভাবে স্বাধীন। সে কেবল আল্লাহর গোলামী করবে। আর কারো নয়। তাই স্বাধীনতা বিপন্ন হলে আল্লাহর দাসত্বও সঠিকভাবে করা যায় না। ফলে ইসলাম স্বাধীনতার প্রতি যথেষ্ট গুরুত্ব প্রদান করেছে।

গত ২৬ মার্চ’১৭ইং রবিবার বিকাল ৪টায় মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকা মহানগর উত্তরের উদ্যোগে পল্টনস্থ নগর কার্যালয়ে আয়োজিত আলোচনা সভা ও দো’আ মাহফিলে নগর উত্তরের সভাপতি অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা শেখ ফজলে বারী মাসউদ সভাপতির বক্তব্যে উপরোকক্ত কথা বলেন।

উক্ত সভায় অন্যান্যদের মাধ্যে উপস্থিত ছিলেন সহ-সভাপতি আলহাজ্ব আনোয়ার হোসাইন, সেক্রেটারী মোশাররফ হোসেন, জয়েন্ট সেক্রেটারী মাওলানা আরিফুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক হাফেজ মাওলানা সিদ্দিকুর রহমান, মুফতী মাছউদুর রহমান, একে এম নাজমুল হক, হাফেজ নিজাম উদ্দিন, প্রকৌশলী গিয়াস উদ্দিন প্রমুখ।

তিনি আরো বলেন, বহু ত্যাগ ও রক্তের বিনিময়ে অর্জিত আমাদের এই স্বাধীনতাকে অর্থবহ করে তুলতে হবে। এই স্বাধীনতাকে ভুলণ্ঠিত হতে দেয়া যায় না। কিন্তু পরিতাপের বিষয় বর্তমান অবস্থা দৃষ্টিতে মনে হচ্ছে একটি গোষ্ঠি এ দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব বিকিয়ে দিতে চায়। জঙ্গী তৎপরতা আর অরজকতা সৃষ্টি করে যারা দেশের মধ্যে বিশৃংখলা সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে, আর সেক্ষেত্রে ইসলামের নাম ব্যবহার করছে, তারা যে ইসলাম, দেশ-জাতি ও মানবাতার শত্রু এতে কোন সন্দেহ নেই। তাদের এই অপকর্ম কোনো দেশপ্রেমিক ধর্মপরায়ণ নাগরিক আদৌ মেনে নিতে পারে না। এমনিভাবে দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব বিকিয়ে দিয়ে কোনো দেশের সাথে যে কোনো ধরণের চুক্তি দেশপ্রেমিক জনগণ মানবে না এবং মানতে পারে না। সুতরাং এধরণের কোন চুক্তি করা হলে চুক্তিকারীদের চরম মূল্য দিতে হবে। অন্যান্য নেতৃবৃন্দ বলেন, বিপথগামী জঙ্গীরা ইসলাম ও দেশের শত্রু। মহান স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বেরও শত্রু তারা। তাদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিরোধ গড়ে তোলতে হবে। আসুন আমরা হাতে হাত রেখে ঐক্যবদ্ধভাবে সামনে এগিয়ে যাই।

শহীদদের স্মরণে গাজীপুরে ইসলামী যুব আন্দোলনের দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

নিজস্ব সংবাদদাতা : ইসলামী যুব আন্দোলন গাজীপুর মহানগরের উদ্যোগে স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে শহীদদের স্মরণে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

গতকাল ২৬ মার্চ রোজ রবিবার বিকাল ৫টায় নগর আহবায়ক মাও. এম এ হানিফ সরকারের সভাপতিত্বে ও নগর সদস্য সচিব এইচ.এম তৈয়বুর রহমান এর পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর মুহতারাম যুগ্ম-মহাসচিব, জননেতা অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ গাজীপুর মহানগরের সভাপতি আলহাজ্ব মুহাম্মাদ ফাইজুদ্দীন, নগর সেক্রেটারি মুফতী হুসাইন আহমাদ, সাংগঠনিক সম্পাদক মাও. আবু জাফর মু. সালেহ।

এতে অন্যান্যর মধ্যে বক্তব্য রাখেন ইসলামী শ্রমিক আন্দোলন এর নগর আহবায়ক মুহা. ইকবাল হোসেন হাওলাদার, ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলনের নগর সদস্য সচিব  মুহা. সালমান আনসারী সহ মহানগর, থানা ও ইউনিট শাখা যুব আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ।আলোচনা শেষে মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী সকলের জন্য দোয়া করা হয়।

বাইরে থাকলে গুম হয়, ঘরে থাকলে খুন হয়: পীর সাহেব চরমোনাই

পাথরঘাটা (বরগুনা) সংবাদদাতা: দেশে আজ কারো নিরাপত্তা নেই, বাইরে থাকলে গুম হয়, আর ঘরে থাকলে খুন হয়। চরমোনাই মাহফিল শেষে আপনাদের এলাকারই সন্তান মো: হানিফ ঢাকায় যাওয়ার পথে আটকের পর নিহত হয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী গুম-খুনের সাথে জড়িত হচ্ছে। রক্ষক যদি ভক্ষক হয় তাহলে মানুষের নিরাপত্তা কোথায়?

গত শুক্রবার বিকেলে পাথরঘাটা খাসকাচারি মাঠে ইসলামী আন্দোলন আয়োজিত এক জনসভায় বক্তৃতায় এ কথা বলেন মুফতী সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম পীর সাহেব চরমোনাই। মাস্টার রুহুল আমিনের সভাপতিত্বে জনসভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, সাবেক এমপি ও ইসলামী আন্দোলনের বরগুনা জেলার সহ-সভাপতি গোলাম সরোয়ার হিরু, ইসলামী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম পরিষদের কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক শহিদুল ইসলাম কবির, ইসলামী শ্রমিক আন্দোলনের বরগুনা জেলা সভাপতি গোলাম হায়দার স্বপন, ইসলামী শ্রমিক আন্দোলন পাথরঘাটা উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মোখলেছুর রহমান প্রমুখ।

পীর সাহেব আরো বলেন, স্বাধীনতা পর ৪৬ বছর ধরে যারা দেশ পরিচালনা করছেন তারা বিশ্বদরবারে চৌর্যবৃত্তিতে (দুর্নীতিতে) বাংলাদেশকে পাঁচবার প্রথম বানিয়েছেন। তিনি বলেন, দুনিয়ার কোনো আদালতের সামনে মূর্তি নেই, অথচ মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশে ন্যায়ের প্রতীক হিসেবে সুপ্রিমকোর্টের সামনে গ্রিক দেবীর মূর্তি স্থাপন করা হয়েছে। অবিলম্বে এ মূর্তি অপসারণের জন্য তিনি সরকারের কাছে দাবি জানান। তিনি আরো বলেন, হিন্দুসহ অমুসলিমদের একমাত্র গ্রান্টি হচ্ছে ইসলাম। দেশে ইসলাম প্রতিষ্ঠিত থাকলেই তারা নিরাপত্তাসহ বাস করতে পারবেন। আগামী নির্বাচনে হাত-পাখা প্রতীকে ভোট দেয়ার জন্য উপস্থিত জনগণের প্রতি তিনি আহ্বান জানান।

বরিশালে ইশা ছাত্র আন্দোলনের স্বাধীনতা দিবস পালিত

নিজস্ব সংবাদদাতা : মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে ইশা ছাত্র আন্দোলন বরিশাল জেলা ও মহানগর শাখার উদ্যোগে নগরীতে গতকাল ২৬শে মার্চ সকাল ১০টায় এক বর্ণাঢ্য স্বাধীনতা র‍্যালী অনুষ্ঠিত হয়।

জেলা সভাপতি কে.এম শরীয়াতুল্লাহ এর সভাপতিত্বে র‍্যালীপূর্ব সমাবেশে বক্তব্য রাখেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ বরিশাল জেলা সেক্রেটারি উপাধ্যক্ষ সিরাজুল ইসলাম, মহানগর সেক্রেটারি মাওলানা জাকারিয়া হামিদী, ছাত্র আন্দোলন বরিশাল জেলা শাখার সাবেক সভাপতি মাওলানা কাওছারুল ইসলাম, মাওলানা নাসির উদ্দিন, এইচ এম সানাউল্লাহ, মহানগর সাবেক সভাপতি এস এম আজিজুল হক, মহানগর সভাপতি আরিফ শাহরিয়ার। সমাবেশে আরো উপস্থিত ছিলেন ছাত্র আন্দোলন বরিশাল জেলা সহ-সভাপতি নূরুল করীম মহিউদ্দিন, মহানগর সাধারণ সম্পাদক খালিদ সাইফুল্লাহ, জেলা প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আরমান হুসাইন রিয়াদ প্রমূখ।

সমাবেশ শেষে র‍্যালীটি নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে টাউনহল চত্বরে এসে দু'য়া ও মুনাজাতের মাধ্যমে সমাপ্ত হয়।

ইশা ছাত্র আন্দোলনের বর্ণাঢ্য র‌্যালীতে মুখরিত কিশোরগঞ্জ

কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি: মহান স্বাধীনতা দিবস ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে ইশা ছাত্র আন্দোলন কিশোরগঞ্জ জেলা শাখার আয়োজনে মুক্তিযুদ্ধে শাহাদাত বরণকারী সকল শহীদদের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল ও বর্ণাঢ্য র‌্যালী অনুষ্ঠিত হয়। গতকাল সকাল ৯টা হতে জেলা কার্যালয়ে জেলা সভাপতি জোবায়ের আহমাদ এর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মাও. এমদাদুল্লাহ মাহবুর এর পরিচালনায় আলোচনা অনুষ্ঠিত আলোচনায় অংশ গ্রহণ করেন জেলা সহসভাপতি হুমায়ুন কবীর, দফতর সম্পাদক আবু বকর, অর্থ সম্পাদক আবরারুল হকসহ জেলা, থানা ও ইউনিয়ন দায়িত্বশীলগণ। 

সভাপতি তার বক্তব্যে বলেন, আমরা আজ স্বাধীনতার ৪৬ বছরে পদার্পণ করেছি কিন্তু আজো আমরা প্রকৃত স্বাধীনতার স্বাদ পাইনি। আজও সন্ত্রাসীদের হাতে খুন হয় স্কুলের ছাত্র। অহরহ খুন খারাবি হচ্ছে। তাই আমাদের তরুণ প্রজন্মকে দেশ গড়ার শপথ নিতে হবে। আলোচনা শেষে একরামপুর জেলা কার্যালয় হতে র‌্যালী শহীদি মসজিদের সামনে দিয়ে কালী বাড়ী হয়ে শহরের গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাগুলো পদক্ষিণ করে। দৃষ্টি নন্দন র‌্যালী দেকে দর্শক সারিতে উপস্থিত সাধারণ জনতা স্বাধীনতার চেতায় আপ্লুত হয়ে পড়ে। র‌্যালী শেষে জেলা অফিস কার্যালয়ে নেতাকর্মীরা মিলিত হয় এবং র‌্যালীতে অংশ গ্রহণকারী সকলকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে সমাপ্ত ঘোষণা করেন।

কিশোরগঞ্জে ইসলামী আন্দোলনের স্বাধীনতার প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি: গতকাল ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ কিশোরগঞ্জ জেলা শাখার উদ্যোগে "স্বাধীনতার প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি শীর্ষক" আলোচনা সভা জেলা কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। সেক্রেটারী মাওলানা মহিউদ্দিন আজমীর পরিচালনায় ও জেলা সভাপতি হাফেজ মাওলানা আলমগীর হোসাইন এর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তারা স্বাধীনতার ইতিহাস, প্রেরণা ও বর্তমান প্রেক্ষাপট নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করেন। 

সভাপতি তার বক্তব্যে বলেন, মুহাম্মদ বিন কাসিমের নেতৃত্বে উপমহাদেশে ইসলাম আসার পর থেকে মানুষ স্বাধীনতা লাভ করেছে। এর পর ইংরেজ বেনিয়া কর্তৃক কৌশলগতভাবে দেশ দখল ও পরাধীন হয়ে যায় ভারতীয় উপমহাদেশ। এই পরাধীনতার কবল থেকে স্বাধীনতার সংগ্রাম করে শাহাদত বরণ করেছেন হাজারো আলেম। ইংরেজদের বিতাড়িত করার মধ্য দিয়েই আমরা প্রথম স্বাধীনতার চেতনা, সংগ্রামের লড়াই করি আর এর নেতৃত্ব দিয়েছিল আলেম সমাজ। আর পাকিস্তান গঠন হয়েছে ইসলামী রাষ্টের চেতনা নিয়ে। কিন্তু তারা আমাদের উপর শোষন করেছে, আমাদের পরাধীনতার শিকলে আবদ্ধ করে রেখেছিল যার প্রেক্ষিতেই আমরা আবারো স্বাধীনতার সংগ্রামে ঝাপিয়ে পড়ি। এ সংগ্রাম ছিল জালেমের বিরুদ্ধে মজলূমের সংগ্রাম। তাই আমি বলতে চাই স্বাধীনতা সংগ্রামে যারা জুলুমকারীদের সহায়তা করেছে, যারা ঘর বাড়ীতে অগ্নিসংযোগ, শিশু হত্যা, নারী ধর্ষণে সহায়তা করেছে তাদের বিচার হওয়া দরকার। 

এছাড়াও অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন অর্থ সম্পদক হেলাল উদ্দিন আহমেদ জুয়েল, জেলা আইন বিষয়ক সোহাগ ইবনে নূর, সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম ফারুকী, সহ দফতর সম্পাদক আশরাফ আলী সোহান, সহ-অর্থ সম্পাদক রিদওয়ান আহমেদ, সমাজকল্যাণ সম্পাদক রুকন উদ্দিন আহমেদসহ প্রমূখ নেতৃবৃন্দ। পরিশেষে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনার মধ্য দিয়ে আলোচনা সভা সমাপ্ত হয়।

রবিবার, ২৬ মার্চ, ২০১৭

আগামীকাল ইশা ছাত্র আন্দোলন চাঁদপুর সরকারি কলেজ শাখার সম্মেলন

স্টাফ রিপোর্টারঃ ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন চাঁদপুর সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ শাখার উদ্যোগে আগামীকাল মঙ্গলবার সকাল ১০টায় কলেজের গ্যালারী অডিটোরিয়াম মিলানায়তনে কলেজ সম্মেলন-২০১৭ অনুষ্ঠিত হবে ইনশাআল্লাহ্।

কলেজ সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্হিত থাকবেন ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন এর সেক্রেটারি জেনারেল শেখ মুহাঃ সাইফুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্হিত থাকবেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ও ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলনের জেলা শাখার নেতৃবৃন্দ।

সম্মলনের পোস্টার সাটানো, ফেস্টুন, দেওয়াল রাইটিং এ পুরো চাঁদপুর সরকারি কলেজ আচ্ছাদিত। ইতি মধ্যেই সকল প্রকার প্রস্তুতি সমপন্ন হয়েছে। কলেজের সর্বস্তরের দায়িত্বশীলদের আগামীকাল যথা সময়ে উপস্হিত থাকার জন্য আহবান করেছেন সংগঠনের কলেজ শাখার সাধারণ সম্পাদক এস এম মহিউদ্দিন মিয়াজী।

স্বাধীনতা যুদ্ধের বীর শহীদদের জন্য সেনবাগে ইশা ছাত্র আন্দোলনের দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

স্টাফ রিপোর্টার : ২৬ মার্চ রবিবার সকাল ৯ ঘটিকা থেকে ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন সেনবাগ থানা শাখার উদ্যোগে স্বাধীনতা সংগ্রামে জীবন দানকারী বীর সৈনিকদের স্মরণে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। শাখা সভাপতি মুহাম্মদ ইয়াসিনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ দিদারুল আলমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন নোয়াখালী জেলা (উত্তর) শাখার সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ তাজুল ইসলাম মাসুম। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন আইএবি সেনবাগ থানা সভাপতি আলহাজ্ব আবদুল ওয়াদুদ। আরো বক্তব্য রাখেন সংগঠনের থানা ও ইউনিয়ন নেতৃবৃন্দ।

স্বাধীনতার মর্ম তারাই বুঝে যারা পরাধীন: এইচ এম সাখাওয়াত উল্যাহ

চাটখিল সংবাদদাতা: মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন চাটখিল উপজেলা শাখার উদ্যোগে ২৬ মার্চ রোজ রবিবার সকাল ১০ ঘটিকা হতে শাখা কার্যালয়ে উপজেলা সভাপতি হাছান আহমেদ এর সভাপতিত্বে স্বাধীনতার জন্য জীবন বিলিয়ে দেয়া বীর সৈনিকদের স্মরণে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

এতে প্রধান অথিতি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ইশা ছাত্র আন্দোলন নোয়াখালী জেলা (উত্তর) শাখার সংগ্রামী সভাপতি হাফেজ মুহাম্মদ সাখাওয়াত উল্যাহ। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ চাটখিল উপজেলা শাখার সিনিয়র সহ-সভাপতি হযরত মাওলানা ইলিয়াস, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মদিনা শাখার দায়িত্বশীল মাওলানা আমিনুল ইসলাম, ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন চাটখিল উপজেলা শাখার সাবেক সভাপতি ছাত্রনেতা মুহাম্মাদ নাজিম উদ্দিন সহ থানা নেতৃবৃন্দ।



প্রধান অতিথির বক্তব্যে কেন্দ্রীয় শূরা সদস্য ও জেলা সভাপতি হাফেজ মুহাম্মদ সাখাওয়াত উল্লাহ বলেন, স্বাধীনতার প্রকৃত মর্ম তারাই বুঝে যারা পরাধীন। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী যে হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছিল তা ইতিহাসে বিরল। এটি ইতিহাসের এক কালো অধ্যায়। আমরাই সেই জাতি যারা অকাতরে জীবন বিলিয়ে স্বল্প সময়ে বিশ্ব দরবারে অনন্য এক নজীর স্থাপন করেছি। কিন্তু মনে রাখতে হবে, স্বাধীন এই মুসলিম দেশের অস্তিত্ব ব্রাহ্মণ্যবাদীরা মেনে নেয়নি। একাত্তরে তারা স্বার্থ হাসিলের জন্য এসেছিল। সেই থেকে তারা আজো আমাদের রক্তে কেনা পতাকায় ত্রিশূলের রক্তগঙ্গা বসাতে মরিয়া। তাই স্বাধীন দেশের হেফাযত ও এর উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি অর্জনে আমাদের সচেতন থাকতে হবে।

অনুষ্ঠানে বিগত সেশনের সভাপতি ও চাটখিল উপজেলার দীর্ঘদিনের কাণ্ডারী মুহাম্মাদ নাজিম উদ্দিনের দায়িত্ব থেকে বিদায় উপলক্ষ্যে সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয় এবং স্বাধীনতা সংগ্রামে শাহাদাত বরণকারী  সকল শহীদদের রুহের মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মুনাজাত করা হয়।

মাতৃভূমির স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার ব্যাপারে কারো সাথে আপোষ চলবে না: ইশা ছাত্র আন্দোলন ঢা. ম. প.

নিজস্ব প্রতিবেদক : ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন ঢাকা মহানগর পশ্চিমের উদ্যোগে আজ ২৬ শে মার্চ সকাল ৭:৩০ স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে কেন্দ্রীয় শুরা সদস্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী ছাত্র ছাত্র নেতা জিএম বায়েজীদ বলেন, স্বাধীনতার ৪৫ বছর পেরিয়ে গেছে কিন্তু এ দেশের মানুষ এখনো স্বাধীনতার প্রকৃত স্বাদ উপলব্ধি করতে পারেনি। এ দেশের মানুষ এখনো পরাধীনতার শৃংখলে আবদ্ধ।



প্রোগ্রামে সভাপতিত্ব করেন নগর পশ্চিমের সহ-সভাপতি ছাত্র নেতা এইচএম দেলোয়ার হোসাইন। আরো উপস্থিত ছিলেন নগর সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মাদ নূরুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক মনোয়ার হুসাইন, নগর প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক এসএম সফিউল ইসলাম, অর্থ সম্পাদক মিজানুর রাহমান, দপ্তর সম্পাদক নাযির আহমাদ তালুকদার, রায়হান আহমাদ, সাব্বির হুসাইন, খলিলুর রাহমান,  আব্দুর রহিম ও বিভিন্ন থানার দায়িত্বশীলবৃন্দ। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে আরো বলেন,  মাতৃভূমির স্বাধীনতা ও সার্বভভৌমত্ব রক্ষার ব্যাপারে কারো সাথে আপস চলবে না। প্রয়োজনে নিজের জীবনের বিনিময়ে হলেও এ দেশের স্বাধীনতা আমরা রক্ষা করবই ইনশাআল্লাহ।

থানা প্রতিনিধি সভা-২০১৭ অনুষ্ঠিত

স্টাফ রিপোর্টার : আজ ২৬ মার্চ রোজ রবিবার সকাল ১১টায় ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন ঢাকা মহানগর পশ্চিম এর উদ্যোগে নগর অফিস মিলনায়তনে থানা প্রতিনিধি সভা-২০১৭ অনুষ্ঠিত হয়।

নগর সহ-সভাপতি এইচএম দেলোয়ার হুসাইনের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মাদ নূরুল ইসলামের পরিচালনায় সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় শুরা সদস্য, ছাত্রনেতা জিএম বায়েজীদ। আরো  উপস্থিত ছিলেন নগর ও থানা নেতৃবৃন্দ।

ময়মনসিংহে ইসলামী আন্দোলনের মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালিত

ময়মনসিংহ থেকে রফিক মণ্ডল: আজ ২৬ মার্চ রবিবার ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ময়মনসিংহ জেলা শাখার উদ্যোগে ময়মনসিংহ বড় মসজিদ প্রাঙ্গণে মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে বীর শহিদদের রুহের মাগফিরাত কামনায় এক আলোচনা দোয়া ও সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

এতে সভাপতিত্ব করেন ইসলামী আন্দোলন ময়মনসিংহ জেলা সেক্রেটারী মোশারফ হুসাইন খান জিহাদী।

বক্তব্য রাখেন ইসলামী শ্রমিক আন্দোলনের কেন্দীয় সহকারি সাধারণ সম্পাদক মাও. মামুনুর রশিদ, যুব নেতা সাইফুল্লাহ মনসুর, খালেদ সাইফুল্লাহ, ইশা ছাত্র আন্দোলন ময়মনসিংহ জেলা সভাপতি রফিকুল ইসলাম মন্ডল প্রমুখ।

সভাপতির বক্তব্যে মাওঃ জিহাদী বলেন, স্বাধীনতার ৪৬ বছর পরও আমরা পরাধীনতার জিঞ্জিরে আবদ্ধ। আজ কোথাও মানুষের জান মালের নিরাপত্তা নেই, ইজ্জত আবরুর নিরাপত্তা নেই। আজো সীমান্তে পাখির মত গুলি করে মানুষ হত্যা করা হচ্ছে। ভোটের অধিকার কেরে নেওয়া হচ্ছে। মুসলমানদের ঈমানী অধীকার কেরে নিয়ে সুপ্রিমকোর্টের সামনে মুর্তি স্থাপন করেছে। তিনি অবিলম্বে মুর্তি অপসারণের দাবি জানান।

সম্মেলন শেষে শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়ার মাধ্যমে অনুষ্ঠান সমাপ্ত করা হয়।

মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে রাজধানীর ৩৩নং ওয়ার্ডে ইসলামী আন্দোলনের দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

স্টাফ রিপোর্টার : ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকা মহানগর এর ৩৩নং ওয়ার্ড শাখায় মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রাজধানীর ঐতিহাসিক বাইতুল জান্নাত জামে মসজিদে মক্তবের শিশু শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের নিয়ে আলোচনা সভা ও মহান মুক্তিযুদ্ধে জীবন বিলিয়ে দেয়া শহীদদের আত্মার  মাগফিরাত কামনা করে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

এতে আলোচনা পেশ করেন ও দোয়া পরিচালনা করেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকা মহানগর উত্তরের আওতাধীন মোহাম্মাদপুরর থানা শাখার প্রশিক্ষণ সম্পাদক ও অত্র মসজিদের সম্মানিত ইমাম হাফেজ মুহাম্মাদ ইউসুফ খান।

টেকনাফে ইশা ছাত্র আন্দোলনের কমিটি গঠন

টেকনাফ থেকে এনামুল হক মঞ্জুর: ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন টেকনাফ উপজেলা শাখার কমিটি গঠিত হয়েছে। কমিটি গঠন উপলক্ষ্যে গতকাল (শনিবার) বেলা ২টায় হ্নীলা উম্মে সালমা (রা:) বালিকা মাদরাসা মিলনায়তনে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। হাফেজ মোহাম্মদ রফিকের কুরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন হাফেজ কবির আহমদ। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ টেকনাফ উপজেলা শাখার সভাপতি মাওলানা তৈয়ব আরমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ টেকনাফ উপজেলা শাখার প্রচার সম্পাদক হাফেজ ইমাম হোছাইন, অর্থ সম্পাদক হাফেজ জসিম উদ্দিন। প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন কক্সবাজার জেলা শাখার সহ সভাপতি ছাত্রনেতা হাফেজ কলিমুল্লাহ ইসলামাবাদী।

সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন হাফেজ ফরিদুল আলম, হাফেজ মোহাম্মদ মুছা, ইসহাক, আব্দুল জলিল, হাফেজ মুহাম্মদ রফিক, হাফেজ সরওয়ার কামাল, হাফেজ জাহেদ হোছাইন, হাফেজ আব্দুল্লাহ প্রমুখ। শেষে উপস্থিত সকলের মতামতের ভিত্তিতে হাফেজ আখতার কামালকে সভাপতি, হাফেজ ফরিদুল আলমকে-সহ সভাপতি ও হাফেজ মোহাম্মদ রফিককে সাধারণ সম্পাদক করে আগামী এক বছরের জন্য শক্তিশালী পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়।

রাজধানীর আদাবরে যৌথ সভা অনুষ্ঠিত

স্টাফ রিপোর্টার : আজ ২৬ মার্চ'১৭ বাদ মাগরিব ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ আদাবর থানা শাখার উদ্যোগে থানা কার্যালয়ে যৌথ সভার আয়োজন করা হয়।

থানা সভাপতি মাওলানা আবু সাঈদ-এর সভাপতিত্বে ও ইসলামী শ্রমিক আন্দোলন আদাবর থানা সেক্রেটারি মুহাম্মদ রেজাউল করিমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকা মহানগর উত্তরের সহকারী দফতর সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মুহাম্মাদ গিয়াস উদ্দিন।

অনুষ্ঠানে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, বাংলাদেশ মুজাহিদ কমিটি, ইসলামী শ্রমিক আন্দোলন, ইসলামী যুব আন্দোলন, ইশা ছাত্র আন্দোলন সহ সহযোগী সংগঠনগুলোর থানা ও ওয়ার্ড শাখার নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে ইশা ছাত্র আন্দোলন মাদারীপুর জেলার বর্ণাঢ্য র‍্যালী অনুষ্ঠিত

মাদারীপুর থেকে নাঈম ইসলাম: আজ ২৬ মার্চ'১৭ রোজ রবিবার ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন মাদারীপুর জেলা শাখার উদ্যোগে মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে বর্ণাঢ্য র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়। র‍্যালীটি ইটেরপুল থেকে শুরু হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে মাদারীপুর প্রেসক্লাবের সামনে এসে শেষ হয়। র‍্যালী শেষে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন ইশা ছাত্র আন্দোলন মাদারীপুর জেলা সভাপতি মুহাম্মাদ শফিকুল ইসলাম শাহীন, সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করীম, সাংগঠনিক সম্পাদক ও কালকিনি থানা সভাপতি মুহাম্মাদ তামিম হুসাইন, মাদারীপুর সরকারি নাজিমউদ্দীন কলেজ শাখার সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মাদ জাকির হুসাইন প্রমুখ।

আলোচনা শেষে শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া ও মুনাজাতের মাধ্যমে র‍্যালী সমাপ্ত হয়।

মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে ইশা ছাত্র আন্দোলন মাদারীপুর জেলার বর্ণাঢ্য র‍্যালী অনুষ্ঠিত

মাদারীপুর থেকে নাঈম ইসলাম: আজ ২৬ মার্চ'১৭ রোজ রবিবার ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন মাদারীপুর জেলা শাখার উদ্যোগে মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে বর্ণাঢ্য র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়। র‍্যালীটি ইটেরপুল থেকে শুরু হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে মাদারীপুর প্রেসক্লাবের সামনে এসে শেষ হয়। র‍্যালী শেষে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন ইশা ছাত্র আন্দোলন মাদারীপুর জেলা সভাপতি মুহাম্মাদ শফিকুল ইসলাম শাহীন, সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করীম, সাংগঠনিক সম্পাদক ও কালকিনি থানা সভাপতি মুহাম্মাদ তামিম হুসাইন, মাদারীপুর সরকারি নাজিমউদ্দীন কলেজ শাখার সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মাদ জাকির হুসাইন প্রমুখ।

আলোচনা শেষে শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া ও মুনাজাতের মাধ্যমে র‍্যালী সমাপ্ত হয়।

ইসলামী শাসনব্যবস্থা ছাড়া কখনো পূর্ণ স্বাধীনতা পাওয়া সম্ভব নয়: ইশা ছাত্র আন্দোলন বিএল কলেজ

ক্যাম্পাস প্রতিনিধি: মহান স্বাধীনতা দিবস বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে স্মরনীয় দিন। এদিন বাংলাদেশের কোটি কোটি জনতা এদেশের স্বাধীনতার তরে ঝাপিয়ে পড়েন মহান মুক্তিযুদ্ধে। দীর্ঘ ৯ মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর আমরা স্বাধীনতা অর্জন করেছিলাম। কিন্তু আমরা আমাদের কাঙ্খিত স্বাধীনতা আজও পাইনি। এদেশের মানুষ পাকিস্তানী আমলে যেমন বৈষম্যের স্বীকার হতো এখনো সাধারণ জনগন সেই বৈষম্যের স্বীকার। খুন, হত্যা, গুম, ধর্ষন, লুন্ঠন, দুর্নীতি এখনো হচ্ছে। সুতরাং শুধু নেতার বদল হলে কাঙ্খিত মুক্তি পাওয়া সম্ভব নয়, প্রয়োজন নীতির পরিবর্তন। ইসলামী শাসন ব্যবস্থা ছাড়া এই ৯০ ভাগ মুসলমানের দেশে মুক্তি, স্বাধীনতা পাওয়া অসম্ভব।

আজ ২৬শে মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন সরকারি বি.এল কলেজ শাখা (সাংগঠনিক জেলা) আয়োজিত সমাবেশ ও র‌্যালী উপলক্ষ্যে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ খুলনা মহানগর প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক এস.এম তরিকুল ইসলাম কাবির এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শাখা সভাপতি এম.এ. হাসিব গোলদার ও পরিচালনা করেন সাধারণ সম্পাদক মুহাঃ হাসানুজ্জামান।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন কলেজ শাখার সহ-সভাপতি আলফাত হোসেন লিটন, সালমান সাদিক আসিফ, এম.এম মাইনুল ইসলাম, মুফতি হুসেইন মুহাম্মদ জুম্মান, মুহা: শরিফুল ইসলাম, এস.এম শাহীন হোসেন, মুহাঃ আল আমিন,  মুহাঃ মামুন-অর-রশিদ, মুহাঃ সজিব হোসেন, মুহা: আব্দুস সবুর, মুহা: আব্দুল্লাহ আল মামুন, মুহা: তামীম হাসান আলাল, মুহা: হাবিবুর রহমান  প্রমুখ।

স্বাধীনতাকে অর্থবহ করতে জঙ্গিবাদ রুখতে হবে: ইশা ছাত্র আন্দোলন

আইএবি নিউজ: পাকিস্তানিরা বাংলাদেশীদের ওপর অর্থনৈতিক, সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে বৈষম্য, জুলুম ও নির্যাতন করার কারণেই ৭১-এ বাংলার আবাল, বৃদ্ধা-বণিতা ও যুব সমাজ ফুঁসে উঠেছিল। মানবতাকে জুলুমের হাত থেকে রক্ষা করতেই মুক্তিসেনারা জীবন উৎসর্গ করেছিলেন। কিন্তু দুঃখের সাথে আমরা লক্ষ্য করছি, বর্তমান ক্ষমতাসীনরাও মানবতার উপর জুলুম চালিয়ে যাচ্ছে। রাজনৈতিক দলগুলো আজ ক্ষমতাসীনদের প্রতিহিংসার শিকার। সরকার মানুষের জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারেনি। শিক্ষার্থীদের অধিকার নিশ্চিত করতে পারে নি। দারিদ্র, বেকারত্ব ও দুর্নীতির অভিশাপ থেকে দেশ এখনো মুক্তি পায় নি। এসকল নব্য জুলুম থেকে জাতিকে মুক্ত করতে আজ ছাত্র-জনতার ঐক্যবদ্ধ হওয়া প্রয়োজন।

আজ ২৬ মার্চ’১৭ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন-এর কেন্দ্রীয় সভাপতি জি.এম. রুহুল আমীন-এর সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি জেনারেল শেখ মুহাম্মাদ সাইফুল ইসলাম-এর সঞ্চালনায় আয়োজিত আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে কেন্দ্রীয় সভাপতি উপরোক্ত কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, সম্প্রতি সময়ে আমরা যেভাবে জঙ্গি তৎপরতা লক্ষ্য করছি তাতে মনে হচ্ছে কোন স্বার্থান্বেসী গোষ্ঠী গভীর ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে দেশে আন্তর্জাতিক জঙ্গিদের কার্যক্রম রয়েছে তা প্রমাণ করতে চাচ্ছে। তাই আমাদেরকে এই ষড়যন্ত্রের জবাবে ঐক্যবদ্ধ জাতি হিসেবে প্রমাণ করতে হবে এবং দেশ ও মানবতার স্বার্থে, স্বাধীনতাকে অর্থবহ করতে এ সকল জঙ্গি কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে গণসচেতনতা তৈরি করতে হবে। সাথে সাথে যাদের লাগামহীন অসংযত কার্যক্রম ও বক্তব্যের জন্য এসব ভয়ংকর জঙ্গি সৃষ্টি হচ্ছে তাদের ব্যপারেও সরকারসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে কার্যকরী ভূমিকা রাখতে হবে।

উক্ত অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন-এর কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি শাইখ ফজলুল করীম মারুফ, জয়েন্ট সেক্রেটারি জেনারেল মুহা. হাছিবুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক এস.এম এমদাদুল্লাহ ফাহাদ, প্রশিক্ষণ সম্পাদক নোমান আহমাদ প্রমুখ।

 

স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে ঝিনাইদহে ইশা ছাত্র আন্দোলনের প্রতিযোগিতা ও র‌্যালী অনুষ্ঠিত

ঝিনাইদহ সংবাদদাতা : ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন ঝিনাইদহ জেলা শাখার ব্যাবস্থাপনায় ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে প্রতিযোগিতা ও র‌্যালী অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ রবিবার সকাল ৯টায় ঝিনাইদহের আরাপপুরস্থ সংগঠনের জেলা কার্যালয়ে কুইজ, বক্তৃতা ও বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মধ্যে পূরস্কার বিতরণ শেষে স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের স্মরণে শহরে বর্ণাঢ্য র‌্যালী বের করে সংগঠনটি। র‌্যালীটি আরাপপুর থেকে শুরু হয়ে পোস্ট অফিস মোড় থেকে কেসি কলেজ পর্যন্ত প্রদক্ষিণ করে পায়রা চত্ত্বরে এসে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যের মাধ্যমে শেষ হয়।

ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন ঝিনাইদহ জেলা সভাপতি মুহাম্মাদ বদরুল আমীনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মাদ রাসেল উদ্দীনের সঞ্চালনায় প্রতিযোগিতা ও র‌্যালীতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ইসলামী শ্রমিক আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সহ-সাধারণ সম্পাদক মাওলানা ফখরুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঝিনাইদহ জেলা শাখার সহ-সভাপতি ডা. এইচ.এম. মুমতাজুল করীম, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা হুমায়ুন কবীর, ইসলামী যুব আন্দোলন ঝিনাইদহ জেলা শাখার সদস্য সচিব মুফতি আব্দুল্লাহ আল মামুন, ইশা ছাত্র আন্দোলনের জেলা সহ-সভাপতি মুহাঃ আলী হুসাইন, সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মাদ রাসেল উদ্দীন প্রমুখ।

 

মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে রাজধানীর আদাবরে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

স্টাফ রিপোর্টার : মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ আদাবর থানা শাখার উদ্যোগে আজ ২৬ মার্চ সকাল ১১টায় থানা কার্যালয়ে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকা মহানগর উত্তরের সহকারী দফতর সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মুহাম্মাদ গিয়াস উদ্দিন।

সভাপতিত্ব করেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ আদাবর থানা শাখার সভাপতি মাওলানা মুহাম্মাদ আবু সাঈদ।

এসময় থানা ও ওয়ার্ড শাখার নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

ইশা ছাত্র আন্দোলন কুমিল্লা জেলা দক্ষিণের স্বাধীনতা দিবস পালিত

কুমিল্লা সংবাদদাতা : আজ ২৬ মার্চ'১৭ রবিবার ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন কুমিল্লা জেলা দক্ষিণ শাখার আয়োজনে সভাপতি ইস্রাফিল মাহমুদ এর নেতৃত্বে লাকসামে মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য র‌্যালীর আয়োজন করা হয়। উক্ত র‌্যালীতে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ লাকসাম উপজেলার সেক্রেটারী মাওলানা নাজমুল হক, সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আহমাদ উল্লাহ্ খালিদ, শ্রমিক আন্দোলন কুমিল্লা জেলা দক্ষিণের সেক্রেটারী নেছার উদ্দীন, ইসলামী যুব আন্দোলন কুমিল্লা জেলা দক্ষিণের আহবায়ক মাওলানা মোরশেদুল আলম, সদস্য সচিব মাহমুদুর রহমান হাসিব।

সভাপতি তার বক্তব্যে বলেন, স্বাধীনতার ৪৬ বছর অতিক্রম হলেও আমরা আজও স্বাধীনতার প্রকৃত সুফল পাইনি। তাই ইসলাম, দেশ, মানবতা ও স্বাধীনতা রক্ষা করতে হলে ৭১’এর মুক্তিযোদ্ধাদের ন্যায় পুণঃজাগ্রত হতে হবে। ছাত্র সমাজকে দেশের স্বার্থে স্বদেশ প্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশের তরে জোরালো ভূমিকা রাখতে হবে। জেলা ছাত্র নেতৃবৃন্দের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন সহ-সভাপতি রবিউল হোসাইন, সাধারণ সম্পাদক মনির হোসাইন, আহসান উল্লাহ, আলমগীর হোসাইন, জিল্লুর রহমান, মহিউদ্দিন, রশিদ আহমাদ, ইব্রাহিমসহ প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।

র‌্যালীটি জেলা কার্যালয়ের সামনে থেকে শুরু হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে জেলা কার্যালয়ের সামনে এসে সকল শহীদের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া ও মুনাজাতের মাধ্যমে সমাপ্ত হয়।

স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ছাত্র আন্দোলন অতন্দ্র প্রহরীর ভূমিকা পালন করতে প্রস্তুত: কে.এম শিহাব উদ্দিন

সিলেট প্রতিনিধি: মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন সিলেট জেলা ও মহানগর শাখার উদ্যোগে “স্বাধীনতার ইতিহাস, একাত্তরের চাওয়া-পাওয়া” শীর্ষক এক আলোচনা সভা আজ ২৬ মার্চ (রবিবার) বন্দরবাজার আই.এস.সি.এ. মিলানায়তনে অনুষ্ঠিত হয়।

ইশা ছাত্র আন্দোলন সিলেট মহানগর শাখার সভাপতি কে.এম শিহাব উদ্দিনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মনির হুসাইনের সঞ্চালনায় সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, ইশা ছাত্র আন্দোলন সিলেট জেলা প্রশিক্ষণ সম্পাদক আব্দুল মুক্তাদির চৌধুরী রাকিব, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মাহফুজ আহমদ মাহী, মহানগর প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ইসমাঈল আহমদ, অর্থ সম্পাদক মুহিবুর রহমান রনি, দফতর সম্পাদক ফরিদ উদ্দিন, কওমী মাদ্রাসা বিষয়ক সম্পাদক রায়হান আহমদ, স্কুল বিষয়ক সম্পাদক  আব্দুর রাজ্জাক, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল্লাহ আরাফাত প্রমুখ।

সভাপতির বক্তব্যে কে.এম শিহাব উদ্দিন বলেন, ২৫ মার্চ রাতের কালো অন্ধকার রাতের বাঙ্গালী হত্যার ইতিহাস বাংলাদেশের মানুষ এখনো ভুলেনি। মানুষ ভুলেনি দু’শত বছর থেকে চলে আসা স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিকথা। আজাদী লড়াই, শ্যামলী ময়দানে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ, রেশমী রুমাল আন্দোলন, বৃটিশ খেদাও আন্দোলন, পাক ভারত দি-খন্ড, ভাষা আন্দোলন, ছয়দফা আন্দোলন, উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান এবং একাত্তরে চূড়ান্ত স্বাধীনতা।

তিনি আরো বলেন, জনগণ একটি দেশ, পতাকা ও ভূখন্ড পেয়েছে কিন্তু স্বাধীনতার স্বাদ এখনো পায়নি। সম্প্রতি সিলেট দক্ষিণ সুরমায় স্বাধীনতার মাসে জঙ্গি নামধারী সন্ত্রাসীদের অতর্কিত হামলা প্রমাণ করে দেশ এখনো পরাধীনতায় আবদ্ধ। নতুবা স্বাধীন দেশে এমন অপ্রীতিকর ঘটনা কেন ঘটবে!

তিনি সভায় ছাত্র সমাজের প্রতি আহবান জানান, ছাত্র আন্দোলন দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বদ্ধপরিকর, ছাত্র আন্দোলনের বিকল্প নেই। অতএব সবাইকে ছাত্র আন্দোলনের মাধ্যমে চূড়ান্ত ইসলামী বিপ্লব প্রতিষ্ঠায় এগিয়ে আসতে হবে।

ভারতীয় আধিপত্যবাদের হাত থেকে মাতৃভূমিকে বাঁচাতে আরেকটি মুক্তিযুদ্ধ প্রয়োজন: ইশা ছাত্র আন্দোলন নোয়াখালী জেলা উত্তর

নোয়াখালী থেকে আব্দুল ওয়াহাব: ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন নোয়াখালী জেলা (উত্তর) শাখাধীন বেগমগঞ্জ থানা শাখার উদ্যোগে আজ ২৬ মার্চ (রবিবার) মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে নোয়াখালীর প্রধান বাণিজ্যিক শহর চৌমুহনীতে বিশাল বর্ণাঢ্য র্যালী অনুষ্ঠিত হয়েছে। সংগঠনের চৌমুহনী পৌর শাখার সভাপতি মুহাম্মদ উসমান গণীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত র্যালী পরবর্তী সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা সহ-সভাপতি মুহাম্মদ সাদ্দাম হোসাইন, সাংগঠনিক সম্পাদক মুহাম্মদ আবদুল ওয়াহাব, ইসলামী আন্দোলন বেগমগঞ্জ থানা সভাপতি মাওলানা নূর উদ্দিন, ইশা ছাত্র আন্দোলন বেগমগঞ্জ পশ্চিমের সভাপতি মুহাম্মদ ইবরাহিমসহ নেতৃবৃন্দ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা সহ-সভাপতি বলেন, বাংলাদেশ ইতিহাসের কঠিন ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে। প্রধানমন্ত্রিসহ সরকারের কর্তারা জনগণকে খেল-তামাশায় পরিণত করেছেন। প্রতিরক্ষা চুক্তির নামে দেশকে গোলামীর জিঞ্জিরে আবদ্ধ করার আয়োজন চূড়ান্ত। এমতাবস্থায় আরেকটি মুক্তি সংগ্রামের জন্য জন্য জীবনবাজী রেখে নেতৃত্ব দিতে হবে ইশা ছাত্র আন্দোলনকে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক বলেন, বিদেশী মদদের উপর নির্ভর করে সরকার দেশবাসীকে শোষণ করছে। গ্যাস খাত লাভজনক থাকার পরেও এর দাম বাড়িয়ে দলীয় নেতাদের পকেট ভারি করার ব্যবস্থা করা হয়েছে। জঙ্গি তকমা লাগিয়ে শান্তিপ্রিয় দেশবাসীকে অস্থিরতার মধ্যে রাখা হচ্ছে।শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীপনায় ব্যাহত হচ্ছে শিক্ষার পরিবেশ। এই শ্বাসরুদ্ধকর পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে এসব তাগুতি শাসনের পরিবর্তে ইসলামী শাসনব্যবস্থার প্রতিষ্ঠা অপরিহার্য হয়ে দাড়িয়েছে।

সর্বস্তরের নেতা-কর্মীদের প্রনোচ্ছল অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত র্যালীটি চৌমুহনী হকার্স মার্কেট থেকে শুরু হয়ে চৌমুহনী কাচারী বাড়ী জামে মসজিদ প্রদক্ষিণ করে চৌমুহনী পশ্চিম বাজার পেট্রোল পাম্প অতিক্রম করে চৌমুহনী পাবলিক হল চত্বরস্থ প্রধান সড়কে সমাবেশের মাধ্যমে সমাপ্ত হয়। সমাবেশে স্বাধীনতাকামী সৈনিকদের জন্য দোয়া ও মুনাজাত করা হয়।

৪৬ বছরেও মানুষ স্বাধীনতার কাঙ্খিত সুফল পায়নি: ইশা ছাত্র আন্দোলন নোয়াখালী জেলা দক্ষিণ

নোয়াখালী প্রতিনিধি: আজ ২৬ মার্চ রোজ রবিবার সকাল ১০টায় নোয়াখালী জেলা জামে মসজিদ চত্বরে ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন নোয়াখালী জেলা দক্ষিণ এর উদ্যোগে শাখা সভাপতি মুহাম্মদ আবদুল মুকিত এর সভাপতিত্বে মহান স্বাধীনতা দিবসের আলোচনা সভা ও বর্ণাঢ্য র‌্যালী অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ নোয়াখালী জেলা শাখার সিনিয়র সহ-সভাপতি মাওলানা মাহমুদুর রহমান।

উদ্বোধনী বক্তব্যে জেলা সভাপতি সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, স্বাধীনতার ৪৬ বছরেও আমরা পরাধীনতার শৃঙ্খলে আবদ্ধ। আমাদের ব্যক্তি স্বাধীনতা নেই, আমাদের রাজনৈতিক স্বাধীনতা নেই, এখন আবার ভৌগোলিক স্বাধীনতাও হুমকির মধ্যে। ভারত সফরকালে প্রধানমন্ত্রী কি চুক্তি স্বাক্ষর করেছন তা জনগন জানে না। তবে পত্র-পত্রিকায় যা বলা হচ্ছে তা নিঃসন্দেহে পুরো জাতিকে ঊদ্বিগ্ন করে তূলছে, স্বাধীনতার কাঙ্খিত সুফল মানুষ পায়নি।



তিনি আরো বলেন, ছাত্র সংসদ নির্বাচন না থাকার কারণে শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস ও দখলদারিই কেবল বাড়েনি, শিক্ষার পরিবেশও বিঘ্নিত হচ্ছে। অবস্থা এমন দাড়িয়েছে যে, সরকার-সমর্থক ছাত্রসংগঠনটির বাইরের নেতাকর্মীদের ক্যাম্পাসে থাকাই কঠিন হয়ে পড়ছে। এই অবস্থার উত্তরণ তথা শিক্ষাঙ্গনে সুস্থ ছাত্ররাজনীতি চর্চার জন্য ছাত্র সংসদ নির্বাচনের বিকল্প নেই।

প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, শোষণ-বঞ্চনামুক্ত বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার প্রত্যয় নিয়েই ১৯৭১-এ এদেশের মানুষ স্বাধীনতা যুদ্বে অংশ নিয়েছিলো। স্বাধীনতার পর আমাদের অগ্রযাত্রা বিভিন্নভাবে বাধাগ্রস্ত হয়েছে, জনগনের মৌলিক ও মানবিক অধিকার খর্ব হয়েছে। কিন্তু প্রতিবারই এদেশের আপমর মানুষ লড়াই-সংগ্রামের মাধ্যমে মৌলিক অধিকার পুনরুদ্ধার করেছে।

শাখা সাধারণ-সম্পাদক মুহা. দিদার হোসাইন সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় আরো বক্তব্য রাখেন মাওলানা শহীদুল ইসলাম,মাওলানা মমিনুল হক, এইচ.এম কাউছার আহমাদ, মাওলানা শাহাদাত হোছাইন, মাওলানা ফিরোজ আলম, আল-আমিন সাইফুল্লাহসহ প্রমূখ।

নেতৃবৃন্দ সুপ্রিমকোর্ট এর সামনে থেমিসের মূর্তি স্থাপনের নিন্দা জানিয়ে আরো বলেন, মুসলমানরা স্থাপত্যকলা ও শিল্পকলার বিরুদ্ধে নয়, কিন্তু গ্রিক দেবীর মূর্তি স্থাপনপূর্বক আমাদের জাতীয় মন ও মানসে বিজাতীয় কৃষ্টির অনুপ্রবেশ আমরা বরদাশত করবো না। গ্রিকপুরাণের কল্পিত দেবী থেমিস রোমানদের কাছে ন্যায়ের প্রতিক হতে পারে, কিন্তু সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম স্বাধীন দেশের নাগরিক হিসেবে আমরা তাদের ইতিহাস ও ঐতিহ্য থেকে ধার করে কেন হীন ঔপনিবেশিক ধ্যানধারণা লালন করবো? আমরা ভূইফোঁড় জাতি নই যে, পরজীবিতার আশ্রয় নিতে হবে। গ্রীক দেবীর সঙ্গে এ দেশের ইতিহাস ঐতিহ্য ও ভাব-সম্পদের নূন্যতম সম্পর্ক নেই। এরপরও কিভাবে আমাদের সুপ্রিমকোর্টের সামনে এরকম অগ্রহণযোগ্য ও বিজাতীয় মূর্তিকে স্থাপন করা হলো? কারা এটি করার সুযোগ পেলো কর্তৃপক্ষকে এ বিষয়ে দেশের মানুষের কাছে জবাবদিহী করতে হবে। 

আলোচনা সভা শেষে একটি বিশাল বর্ণাঢ্য র‌্যালী শহর প্রদক্ষিণ করে শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া ও মুনাজাতের মাধ্যমে শেষ করা হয়।

ইশা ছাত্র আন্দোলন ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত

স্টাফ রিপোর্টার : ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা শাখার উদ্যোগে শাখা আহবায়ক বদরুল হক্বের সভাপতিত্বে ও মু. শরীফ আহমদের সঞ্চালনায় আজ ২৬ মার্চ'১৭ রোজ রবিবার সকাল ৯টায় আইএবি মিলনায়তন ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন সিলেট জেলা শাখার প্রশিক্ষণ সম্পাদক মু. আব্দুল মুক্তাদির চৌধুরী রাকিব।

সম্মেলন শেষে প্রধান অতিথি ২০১৬ সেশনের কমিটি বিলুপ্ত করে ২০১৭ সেশনের কমিটি ঘোষণা করেন।

কমিটিতে সভাপতিঃ মু. বদরুল হক্ব, সহ-সভাপতিঃ মু. নাদিম আহমদ ও সাধারণ সম্পাদকঃ মু. শরীফ আহমদ মনোনীত হন।

রাজধানীর ভাষানটেকে ইসলামী আন্দোলনের মাসিক দাওয়াতী সভা অনুষ্ঠিত

স্টাফ রিপোর্টার : গতকাল ২৫শে মার্চ রোজ শনিবার ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকা মহানগর উত্তরের আওতাধীন ভাষানটেক থানা শাখায় মাসিক দাওয়াতী সভা অনুষ্ঠিত হয়।

থানা সভাপতি মাওলানা মুহাম্মাদ আলী হুসাইনের সভাপতিত্বে দাওয়াতী সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে আলোচনা পেশ করেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকা মহানগর উত্তরের মুহতারাম সভাপতি অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা শেখ ফজলে বারী মাসউদ।

শনিবার, ২৫ মার্চ, ২০১৭

ইশা ছাত্র আন্দোলন গফরগাঁও উপজেলার সম্মেলন অনুষ্ঠিত

স্টাফ রিপোর্টার : গতকাল ২৪ মার্চ রোজ শুক্রবার সকাল ১০টায়  ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন গফরগাঁও (মোমেনশাহী) উপজেলার সম্মেলন থানা সভাপতি তাশরিফ মাহমুদের সভাপতিত্বে থানা কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা সাধারণ সম্পাদক এইচ এম হুজাইফা।

সম্মেলনে মোঃ তাশরিফ মাহমুদ সভাপতি ও তানভীর আহমেদ মকে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচন করে ২০১৭ সেশনের কমিটি ঘোষণা করা হয়।

ইশা ছাত্র আন্দোলন ইশ্বরগঞ্জ উপজেলার সম্মেলন অনুষ্ঠিত

স্টাফ রিপোর্টার : গতকাল ২৪ মার্চ রোজ শুক্রবার বিকাল ৩টায়  ইসলামী  শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন ইশ্বরগঞ্জ (মোমেনশাহী) উপজেলার সম্মেলন থানা সভাপতি হুসাইন আহমদের সভাপতিত্বে থানা কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা সহ-সভাপতি সাজিদুর রহমান।

সম্মেলনে মোঃ আনিছুর রহমানকে সভাপতি ও বেলাল হুসাইনকে সাধারণ সম্পাদক মনোনীত করে ২০১৭ সেশনের কমিটি ঘোষণা করা হয়।

ইশা ছাত্র আন্দোলন ইশ্বরগঞ্জ উপজেলার সম্মেলন অনুষ্ঠিত

স্টাফ রিপোর্টার : গতকাল ২৪ মার্চ রোজ শুক্রবার বিকাল ৩টায়  ইসলামী  শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন ইশ্বরগঞ্জ (মোমেনশাহী) উপজেলার সম্মেলন থানা সভাপতি হুসাইন আহমদের সভাপতিত্বে থানা কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা সহ-সভাপতি সাজিদুর রহমান।

সম্মেলনে মোঃ আনিছুর রহমানকে সভাপতি ও বেলাল হুসাইনকে সাধারণ সম্পাদক মনোনীত করে ২০১৭ সেশনের কমিটি ঘোষণা করা হয়।

ত্রিশালে ইশা ছাত্র আন্দোলনের কমিটি গঠন

স্টাফ রিপোর্টার : গতকাল ২৪ মার্চ রোজ শুক্রবার বিকাল ৩টায়  ইসলামী  শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন ত্রিশাল (মোমেনশাহী) উপজেলার সম্মেলন থানা সভাপতি মাহফুজুর রহমানের সভাপতিত্বে থানা কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা সভাপতি রফিকুল ইসলাম মন্ডল।

সম্মেলনে মোঃ মাহফুজুর রহমানকে সভাপতি ও আহসান আল-হককে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচন করে ২০১৭ সেশনের কমিটি গঠন করা হয়।

ভারতের সাথে সামরিক চুক্তি দেশবাসী মানবে না; এ চুক্তি হলে দেশ নতুন করে গোলামীর জিঞ্জিরে আবদ্ধ হবে: মুফতী ফয়জুল করীম

আইএবি নিউজ: ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর নায়েবে আমীর মুফতী সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম (সাহেবজাদা ও খলিফা, শায়েখ চরমোনাই রহ.) বলেছেন, প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর দেশবাসীকে চরম উদ্বিগ্ন করে তুলেছে। এই সফরে তিনি কি কি চুক্তি স্বাক্ষর করবেন জনগণকে তা এখনো জানানো হয়নি। ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের যে সমস্যাগুলো আছে, সেগুলো সমাধান করতে হবে। কিন্তু তিস্তা চুক্তি না হলে কোন্ চুক্তি হবে?

তিনি বলেন, আমরা এখন স্বাধীন আছি কি-না, এ প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। আমাদের ব্যক্তি স্বাধীনতা নেই, রাজনৈতিক স্বাধীনতা নেই, অর্থনৈতিক স্বাধীনতাও হুমকির মুখে। ভারতের সাথে সামরিক চুক্তি হলে আমাদের অভ্যন্তরীণ সব পরিকল্পনা ফাঁস হয়ে যাবে, ফলে নিজস্ব স্বকীয়তা বলতে কিছু থাকবে না। সামরিক চুক্তির ম্যাধমে আমাদের সকল কৌশল জেনে গেলে আমরা টিকে থাকতে পারবো না। আমরা পরাধীনতার শিকলে আজীবনের জন্য আবদ্ধ হয়ে যাব।

মুফতী ফয়জুল করীম বলেন, ২৫ সাল গোলামী চুক্তির খেসারত জাতিকে চরমভাবে দিতে হয়েছে। এখন সামরিক চুক্তি হলে চিরদিনের জন্য ভারতের গোলামী করতে হবে। কাজেই দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনীকে শেষ করার জন্য সামরিক চুক্তির নামে গোলামী চুক্তি দেশপ্রেমিক ঈমানদার জনতা মানবে না। দেশের লক্ষ লক্ষ মানুষ যারা স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধ করেছে, যারা জীবন দিয়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ছিনিয়ে নিয়ে এসেছে, এটাতে উদ্বিগ্ন না হয়ে পারে না।

তিনি বলেন, জনগণের সেন্টিমেন্ট বুঝে ভারতের সাথে প্রতিরক্ষা চুক্তি থেকে বিরত থাকতে হবে সরকারকে। কেননা যে জাতি স্বাধীনতার জন্য জীবন ও রক্ত দিতে পারে সে জাতিকে কোনভাবেই দমিয়ে রাখা যাবে না।

শনিবার (২৫ মার্চ) ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর মজলিসে আমেলার জরুরি সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের রাজনৈতিক উপদেষ্টা অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক কেএম আতিকুর রহমান, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ুম, মুফতি হেমায়েতুল্লাহ, আলহাজ্ব আব্দুর রহমান, মুফতি কেফায়েতুল্লাহ কাশফী, মু. বরকত উল্লাহ লতিফ প্রমুখ।

 

স্বাধীনতা দিবসে কলরবের বিগ বাজেটের আয়োজন ‘প্রিয় বাংলাদেশ আমার'

স্টাফ রিপোর্টার : ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে কলরব শিল্পীগোষ্ঠী আনছে নান্দনিক দেশের গান ‘প্রিয় বাংলাদেশ আমার।’ বিগ বাজেটের এ ভিডিও সঙ্গীতের চিত্রায়ন হয়েছে দেশের মনোরম সব লোকেশনে। যা শ্রোতা-দর্শকদের হৃদয় কাড়বে সহজেই।

‘জেগে আছি আমরা তোমার, দুঃসাহসী দুর্নিবার’ এমন জাগরণী কথাতে শুরু হয়েছে সঙ্গীতটি। কণ্ঠ দিয়েছেন ইমতিয়াজ মাসরুর, সাঈদ আহমাদ, মুহাম্মদ বদরুজ্জামান, আমিনুল ইসলাম মামুন ও আবু রায়হানসহ কলরবের অন্য শিল্পীরা।

গানের কথা লিখেছেন সাইফ সিরাজ। সুর করেছেন মুহাম্মদ বদরুজ্জামান।

মহান স্বাধীনতা দিবসকে উৎসর্গিত দেশের গানটি ইউটিউবে মুক্তি পাবে ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে হলিটিউন রেকর্ডসের চ্যানেলে।

বাংলাদেশ, মুক্তিযুদ্ধ এবং তরুণ প্রজন্মের ভালো লাগার গল্প উঠে এসেছে গানটিতে। সেই সঙ্গে মুক্তিযুদ্ধের অকুতোভয় সৈনিকদের বিজয়গাঁথাও চিত্রিত হয়েছে গানে। গানে গানে শিল্পীরা শপথ নিয়েছেন উন্নত, সমৃদ্ধ ও নিরাপদ আগামীর।

ভিডিওগ্রাফি পরিচালনা করেছেন ডিরেক্টর ফরহাদ আহমেদ।

‘প্রিয় বাংলাদেশ আমার’ ভিডিও সঙ্গীত বিষয়ে কলরবের প্রধান পরিচালক রশিদ আহমাদ ফেরদৌস বলেন, দীর্ঘ নয় মাস পাক হানাদারের সঙ্গে যুদ্ধ করে আমরা বিজয় অর্জন করেছি। ২৬ মার্চ আমরা স্বাধীনতা লাভ করেছি। স্বাধীনতার এই দিনে দেশকে আরও বেশি উর্ধ্বে তুলে ধরতেই আমাদের এই সঙ্গীত। আশা করি সঙ্গীতটি সবাইকে মুগ্ধ করবে।

ইশা ছাত্র আন্দোলন গৌরিপুর উপজেলার সম্মেলন অনুষ্ঠিত

স্টাফ রিপোর্টার : গতকাল ২৪ মার্চ রোজ শুক্রবার সকাল ৯টায়  ইসলামী  শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন গৌরিপুর (মোমেনশাহী) উপজেলার সম্মেলন থানা সভাপতি শেখ কামালের  সভাপতিত্বে থানা কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলার সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ সাব্বির হাসান। সম্মেলনে মোঃ শেখ কামাল সভাপতি ও মোজাম্মেল হককে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচন করে ২০১৭ সেশনের কমিটি ঘোষণা করা হয়।

ইশা ছাত্র আন্দোলন ফুলবাড়িয়া উপজেলার সম্মেলন অনুষ্ঠিত

​স্টাফ রিপোর্টার : গতকাল ২৪ মার্চ শুক্রবার সকাল ৯টায়  ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন ফুলবাড়িয়া (মোমেনশাহী) উপজেলার সম্মেলন রুকনুজ্জামানের সভাপতিত্বে থানা কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা সভাপতি রফিকুল ইসলাম মন্ডল।

সম্মেলনে মোঃ শফিকুল ইসলামকে সভাপতি ও শরিফুল ইসলামকে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচন করে ২০১৭ সেশনের কমিটি ঘোষণা করা হয়।

ইশা ছাত্র আন্দোলন জাফলং সাংগঠনিক থানা শাখার সম্মেলন অনুষ্ঠিত

সিলেট সংবাদদাতা : ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন জাফলং সাংগঠনিক থানা শাখার উদ্যোগে গত ২৪ মার্চ’১৭ রোজ শুক্রবার বাদ আসর শাখা সভাপতি শাহ আলম সাইফ এর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আহাদের পরিচালনায় জাফলং সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে থানা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইশা ছাত্র আন্দোলন সিলেট জেলা শাখার সভাপতি মু. সুহেল আহমদ।

প্রধান অতিথি তার বক্তব্য শেষে ইশা ছাত্র আন্দোলন জাফলং সাংগঠনিক থানা শাখার ২০১৬ সেশনের কমিটি বিলুপ্ত করে ২০১৭ সেশনের জাফলং ইউনিয়ন শাখা কমিটি ঘোষণা করেন। কমিটিতে সভাপতি সুফিয়ান সাদাত, সহ-সভাপতি আব্দুল আহাদ ও সাধারণ সম্পাদক মু. রাসেল আহমদ মনোনীত হন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ গোয়াইনঘাট উপজেলা শাখার সেক্রেটারি  জননেতা মাওলানা ইসহাক আহমদ, ইশা ছাত্র আন্দোলন সিলেট জেলা শাখার প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মাহফুজ আহমদ মাহী, ইসলামী  আন্দোলন বাংলাদেশ জাফলং ইউ/পি শাখার সভাপতি জয়নাল আবেদীন, সেক্রেটারী মাওলানা আনোওয়ার হুসাইন সোহেল।

এছাড়াও  উপস্থিত ছিলেন মাওলানা আবুল কাশেম, হাফিজ শিহাব উদ্দিন, আক্কাস আলী শেখ, মিজানুর রহমান হেলোয়ার, জিয়াউর রহমান সাবু, মকবুল হুসাইন, সাইদুর রহমান আজাদ, ফাহাদ সিদ্দীকি সহ থানা, ইউনিয়ন, প্রতিষ্ঠান ও ওয়ার্ড শাখার দায়িত্বশীল ও সদস্যবৃন্দ।

সম্মেলন শেষে মনোমুগ্ধকর হামদ, না'ত ও মুনাজারা অনুষ্ঠিত হয়। অংশগ্রহণ করেন সিলেটের শীর্ষস্থানীয় উপস্থাপক ও শিল্পীবৃন্দ।

ইশা ছাত্র আন্দোলন ভালুকা উপজেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত

স্টাফ রিপোর্টার : গতকাল ২৪ মার্চ রোজ শুক্রবার বিকাল ৫টায়  ইসলামী  শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন ভালুকা উপজেলার সম্মেলন তারিখুল ইসলামের সভাপতিত্বে থানা কার্যালয়ে অনুষ্ঠীত হয়।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা সভাপতি রফিকুল ইসলাম মন্ডল।

সম্মেলনে ৩ সদস্য বিশিষ্ট আহবায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়।

আহব্বায়ক তারিখুল ইসলাম, যুগ্ম আহবায়ক মাহবুবুল আলম ও সদস্য সচিব তারেক রহমানকে আহবায়ক কমিটিতে নির্বাচিত হন।

ইশা ছাত্র আন্দোলন গোলাপগঞ্জ থানা সম্মেলন অনুষ্ঠিত

স্টাফ রিপোর্টার : ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন গোলাপগঞ্জ থানা শাখার উদ্যেগে শাখা সভাপতি নুরুল হুদা ফয়েজীর সভাপতিত্বে গত ২৪ মার্চ শুক্রবার বেলা ২টায় আইএবি মিলনায়তনে গোলাপগঞ্জ থানা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন সিলেট জেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক মু. ফয়জুল হাসান চৌধুরী।

সম্মেলন শেষে প্রধান অতিথি ২০১৬ সেশনের কমিটি বিলুপ্ত করে ২০১৭ সেশনের কমিটি ঘোষণা করেন।

কমিটিতে সভাপতিঃ মু. মিনহাজুল ইসলাম, সহ-সভাপতিঃ মু. মুহিবুর রাহমান ও সাধারন সম্পাদকঃ মু. আব্দুর রহিম সরদারকে মনোনীত করা হয়।

নীতি ও আদর্শবান তরুণ সমাজ গড়তে ইশা ছাত্র আন্দোলনের বিকল্প নাই: আশরাফ আলী সোহান

স্টাফ রিপোর্টার : কিশোরগঞ্জ বিভিন্ন অনলাইন পত্রিকা ও সোস্যাল মিডিয়ায় প্রকাশিত হয়েছে, সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেণির ছাত্র রাকিবুল ইসলাম রিয়াদকে তার বন্ধুরা ধরে নিয়ে গিয়ে এলোপাথারি লাকড়ি দিয়ে মাথায় আঘাত করে, এরপর ঢাকা মেডিকেলে নেওয়ার পথে রিয়াদের মৃত্যু হয়। আমরা অল্প কয়েক দিন আগেও দেখেছি প্রান্ত নামের আরেকজন ছেলেকে বন্ধুরা মেরে রেল লাইনে ফেলে রাখে।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ কিশোরগঞ্জ জেলা শাখার সহ-দফতর সম্পাদক, সংগ্রামী নেতা আশরাফ আলী সোহান এক বিবৃতিতে বলেন, আজ আমাদের তরুণ সমাজ চরম অবক্ষয়ের দাড়প্রান্তে চলে আসছে। পত্রিকার হেড লাইন এখন “বন্ধুর হাতে বন্ধু খুন” লেখাতে ভরে যাচ্ছে। মাদকের নেশায় ১০ম শ্রেণির তরুণ বালক মা-বাবা মারার হুমকি দিচ্ছে। আজ সমাজে অভিভাবক, পিতামাতা সবাই তার সন্তানকে নিয়ে উদ্বিগ্ন। আমি বলতে চাই আপনি আপনার সন্তানকে কি স্কুল, কলেজ, ভার্সিটির সবচেয়ে ভদ্র মেধাবী ছেলে হিসেবে দেখতে চান? যে ছেলে কিনা পিতামাতার কথা মেনে চলবে, খোদার বিধান পালন করবে? তবে অবশ্যই আপনার সন্তানকে ইশা ছাত্র আন্দোলনে দিন।

আজ সারা দেশে ইশা ছাত্র আন্দোলনের ছেলেরা সাহাবা আজমাঈনদের রোল মডেল হিসেবে পরিণত হচ্ছে। সে স্কুল, মাদ্রাসা বা কলেজের ছাত্র হোক, তার গায়ে সুন্নতী পোষাক দেখা যায়। পিতামাতার অন্যতম ভদ্র ছেলে হিসেবে পরিগণিত হচ্ছে। মাদকের বিষাক্ত ছোবল কখনোই তাকে গ্রাস করে না। তাই সম্মানিত অভিভাকদের বলবো, আজ আমাদের প্রাণের শহর কিশোরগঞ্জের দশম শ্রেণির ছাত্র রাকিবুল ইসলাম রিয়াদ তার বন্ধুদের হাতে খুন হয়েছে, কাল আপনার ছেলে হবে না তার নিশ্চয়তা কি? তাই আসুন আমাদের সন্তানদের ভাল সঙ্গীদের সাথে জড়িয়ে দেই, রুহানিয়াত ও জিহাদের সম্মন্নিত প্রয়াস ইশা ছাত্র আন্দোলনের ফরম পূরণ করিয়ে দেই। তবেই আপনার সন্তান নৈতিকতা সম্পন্ন একজন মানুষ হিসেবে সমাজে বড় হয়ে উঠবে ইনশাআল্লাহ।

ইশা ছাত্র আন্দোলন উত্তরখানের থানা সম্মেলন অনুষ্ঠিত

স্টাফ রিপোর্টার : ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন উত্তরখান (ঢাকা মহানগর উত্তর) এর উদ্যোগে গতকাল শুক্রবার থানা সম্মেলন'১৭ অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র ঢাকা মহানগর উত্তর এর সংগ্রামী সভাপতি ছাত্রনেতা কেএম শরিফুল ইসলাম। প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন ঢাকা মহানগর উত্তর এর সাংগঠনিক সম্পাদক মুহা. রেজাউল করিম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন উত্তরখান থানার সংগ্রামী সভাপতি আলহাজ্ব আলাউদ্দীন।

সম্মেলন শেষে ২০১৭ সেশনের কমিটি ঘোষণা করা হয়।কমিটিতে সভাপতি- মুহা. নবী হোসেন, সহ-সভাপতি-মুহা. ইসহাক ও সাধারণ সম্পাদক- মুহা. পারভেজ মোশারফকে মনোনীত করা হয়।

খুলনায় অটো-মটরবাইক ইসলামী শ্রমিক আন্দোলনের আহবায়ক কমিটি গঠন

স্টাফ রিপোর্টার : গতকাল ২৪ মার্চ রোজ শুক্রবার সন্ধ্যায় আইএবি কার্যালয়ে খুলনা অটো-মটরবাইক ইসলামী শ্রমিক আন্দোলন কমিটি গঠন উপলক্ষ্যে এক সভা অনুষ্ঠিত হহয়। জেলা সভাপতি মোঃ জাহিদুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ আবুল কালাম আজাদের সঞ্চালনায় সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন অটো-মটরবাইক ইসলামী শ্রমিক আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মুফতী মুবাশশির হুসাইন আলমগীর। বিশেষ অতিথি ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ খুলনা মহানগর কমিটির সহ-সভাপতি শেখ মোঃ নাসির উদ্দিনসহ ইসলামী শ্রমিক আন্দোলনের দায়িত্বশীলবৃন্দ। সভাশেষে মোঃ জাকির হোসেনকে আহবায়ক এবং মোঃ ওবায়দুল্লাহকে সদস্য সচিব করে ১১ সদস্য বিশিষ্ট মহানগর কমিটি গঠন করা হয়।

ইশা ছাত্র আন্দোলন সরকারী তিতুমীর কলেজ শাখার পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন সম্পন্ন

স্টাফ রিপোর্টার : গতকাল শুক্রবার ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন সরকারি তিতুমীর কলেজ শাখার পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা ও শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে। শপথ পাঠ করিয়েছেন শাখার সভাপতি মুহাম্মদ তারেক রহমান।

কমিটিতে সভাপতি: মুহাম্মদ তারেক রহমান, সহ-সভাপতি: মু. আঃ মালেক, সাধারণ সম্পাদক: জাহিদুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাঃ মুহাম্মদ কাওছার, প্রশিক্ষণ সম্পাঃ নুরুল ইসলাম, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাঃ ফজলে রাব্বী, অর্থ সম্পাঃ এনায়েতুর রহমান হাদিস, দপ্তর সম্পাঃ মোহাম্মদ হোসেন, ছাত্রকল্যাণ সম্পাঃ মু. ফেরদাউস, সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিঃ সম্পাঃ আব্দুল্লাহ্  সদস্যঃ শফিকুল ইসলাম, সদস্যঃ ইবরাহিম খলিল রিয়াদ, সদস্যঃ মাহবুবে রব্বানীকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

বাহুবলে ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন এর কমিটি গঠন সম্পন্ন

বাহুবল থেকে ইসমাইল আহমদ : ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন বাহুবল উপজেলা শাখার কার্যালয়ে গতকাল ২৪ মার্চ শুক্রবার দুপর ২টায় থানা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। থানা সভাপতি মুবাশ্বির  আহমদের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ সাজেদের সঞ্চালনায় সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন হবিগঞ্জ জেলা সভাপতি তাজুল ইসলাম। বক্তব্য শেষে ২০১৬ সেশনের কমিটি বিলুপ্তি করে সভাপতি আহমদ আলী, সহ-সভাপতি ফরহাদ সাজেদ ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হামিদ আরেফিনকে নির্বাচিত করে ২০১৭ সেশনের কমিটি ঘোষণা করা হয়। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন হবিগঞ্জ জেলা সাবেক সভাপতি মুফতি মঈনুদ্দিন খান তানভীর, জেলা অর্থ সম্পাদক কাউছার আহমদ।

আরো বক্তব্য রাখেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ বাহুবল উপজেলা সভাপতি ডাঃ খুরশেদ আলম মুশাহিদ, ইসলামী মুক্তিযোদ্ধা পরিষদের আহবায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল হোসেন প্রমুখ।

ইশা ছাত্র আন্দোলন গংগাচড়া উপজেলা (রংপুর) শাখার সম্মেলন অনুষ্ঠিত

স্টাফ রিপোর্টার : ইশা ছাত্র আন্দোলন রংপুর জেলা শাখার তত্বাবধানে গতকাল শুক্রবার গংগাচড়া উপজেলা শাখার সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলার সাধারণ সম্পাদক মুহাঃ রিয়াদুল ইসলাম লিমন

তিনি আলোচনা শেষে নতুন কমিটি ঘোষণা দেন এবং শপথ পাঠ করান। কমিটিতে সভাপতি মুহাঃ আনোয়ারুল ইসলাম, সহ-সভাপতি মুহাঃ আবু সায়েম ও সাধারণ সম্পাদক পদে মুহাঃ হযরত আলীকে মনোনীত করা হয়।

ইশা ছাত্র আন্দোলন ভাটারা থানা শাখার সম্মেলন অনুষ্ঠিত

স্টাফ রিপোর্টার : ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন ভাটারা থানা (ঢাকা মহানগর উত্তর) এর উদ্যোগে গতকাল ২৪ মার্চ রোজ শুক্রবার থানা সম্মেলন'১৭ অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকা মহানগর উত্তর এর সংগ্রামী সভাপতি অধ্যক্ষ শেখ ফজলে বারী মাসউদ। প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন ঢাকা মহানগর উত্তর এর সংগ্রামী সহ-সভাপতি জহিরুল ইসলাম ইমরান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইশা ছাত্র আন্দোলন ঢাকা মহানগর উত্তর এর সাহিত্য ও সংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক মোঃ আব্দুর রাজ্জাক।

সম্মেলন শেষে ২০১৭ সেশনের কমিটি ঘোষণা করা হয়।

কমিটিতে সভাপতি- রেদোয়ানুল কারীম, সহ-সভাপতি- আহসান উল্লাহ ও সাধারণ সম্পাদক- মো: আবু হানীফ ফারুকী মনোনীত হন।

শুক্রবার, ২৪ মার্চ, ২০১৭

ইশা ছাত্র আন্দোলন দক্ষিণখান থানা শাখার সম্মেলন অনুষ্ঠিত

স্টাফ রিপোর্টার : ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন দক্ষিণখান থানা শাখা (ঢাকা মহানগর উত্তর) এর উদ্যোগে ২৪ মার্চ রোজ শুক্রবার থানা সম্মেলন'১৭ অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকা মহানগর উত্তর এর সংগ্রামী সহ- সভাপতি আলহাজ্ব আনোয়ার হোসেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকা মহানগর উত্তর এর কৃষি ও শ্রম বিষয়ক সম্পাদক আলহাজ্ব ফরিদ উদ্দিন দেওয়ান। প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন ঢাকা মহানগর উত্তর এর সংগ্রামী সাধারণ সম্পাদক এইচ এম এনামুল হক।

সম্মেলন শেষে ২০১৭ সেশনের কমিটি ঘোষণা করা হয়। কমিটিতে সভাপতি সোহেল ইমরান, সহ-সভাপতি ওমর ফারুক ও সাধারণ সম্পাদক আতিকুর রহমানকে মনোনীত করা হয়।

ইশা ছাত্র আন্দোলন নরসিংদী জেলা শাখার দায়িত্বশীল তারবিয়াত অনুষ্ঠিত

নরসিংদী সংবাদদাতা : ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন নরসিংদী জেলা শাখার উদ্যোগে ২৪ মার্চ রোজ শুক্রবার সকাল ৯টা থেকে জেলা শাখা সভাপতি এইচএম জয়নুল আবেদীন ভুইঞা এর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক শেখ মুহা. আমিনুল ইসলাম এর সঞ্চালনায় দায়িত্বশীল তারবিয়াত অনুষ্ঠিত হয়।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন এর কেন্দ্রীয় কমিটির স্কুল ও কলেজ বিষয়ক সম্পাদক ছাত্র নেতা মুহা. ওমর ফারুক। প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে "সুধী সমৃদ্ধি দেশ গঠনে দায়িত্বশীলদের আরো অগ্রণী ভূমিকা রাখার আহবান জানান। সর্বশেষ তিনি মুনাজাতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান সমাপ্ত করেন। তারবিয়াতে জেলা শাখার আওতাধীন সকল থানা শাখার বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্বশীলগণ উপস্থিত ছিলেন।

ইশা ছাত্র আন্দোলন মোগলা বাজার থানা শাখার দায়িত্বশীল তারবিয়াত অনুষ্ঠিত

মোগলা বাজার সংবাদদাতা: ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন মোগলা বাজার থানা শাখার উদ্যোগে ২৪ মার্চ'১৭ রোজ শুক্রবার বেলা ২টায় আইএবি মিলনায়তনে শাখা সভাপতি রায়হান আহমদের সভাপতিত্তে ও সাধারণ সম্পাদক রুকন আহমদের পরিচালনায় দায়িত্বশীল তারবীয়াত অনুষ্ঠিত হয়।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে তারবিয়াত প্রধান করেন ইশা ছাত্র আন্দোলন সিলেট জেলার প্রশিক্ষণ সম্পাদক আব্দুল মুক্তাদির চৌধুরী রাকিব।

দ্বীন প্রতিষ্ঠায় কর্মীদের আনুগত্যের দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে হবে: মুফতী ফয়জুল করীম

আইএবি নিউজ: ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর সিনিয়র নায়েবে আমীর মুফতী সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম বলেছেন, দ্বীন প্রতিষ্ঠিত না থাকায় সর্বত্র অশান্তি বিরাজ করছে। সন্ত্রাস, দুর্নীতি মহামারি আকার ধারণ করেছে। নৈতিকতা বিবর্জিত শিক্ষা ব্যবস্থার কারণে মানুষ ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে উপনিত। অশান্তি থেকে মূক্তি পেতে সকলকে ইসলাম প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে ফিরে আসতে হবে। দ্বীন প্রতিষ্ঠায় কর্মীদের আনুগত্যের দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে হবে।

তিনি বলেন, ৯২ ভাগ মুসলমানের দেশে আজ ইসলামের অবস্থা বড়ই নাজুক। ইসলাম না থাকায় সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় মূর্তির সংস্কৃতি চালু করে মানুষকে শিরকে লিপ্ত করাতে চাচ্ছে। মূর্তির সংস্কৃৃতি থেকে সরকারকে ফিরে আসতে হবে।

শুক্রবার (২৪ মার্চ) সকাল ১০টা থেকে পুরানা পল্টনস্থ আইএবি মিলনায়তনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকা জেলা শাখার কর্মী তারবিয়াতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

সংগঠনের ঢাকা জেলা সভাপতি আলহাজ্ব সৈয়দ আলী মোস্তফার সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারী আলহাজ্ব শাহাদাত হোসেনের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত কর্মী তারবিয়াতে প্রধান আলোচক ছিলেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ সভাপতি মাওলানা ইমতিয়াজ আলম, বিশেষ আলোচক ছিলেন দক্ষিণ সেক্রেটারী মাওলানা এবিএম জাকারিয়া। তারবিয়াতে অন্যান্যের মধ্যে আলোচনা করেন জেলা সহ-সভাপতি আলহাজ্ব হানিফ মিয়া, আলহাজ্ব হাফেজ জয়নুল আবেদীন, আব্দুর রাজ্জাক বেপারী, জয়েণ্ট সেক্রেটারী অধ্যাপক ডা. কামরুজ্জামান, সাংগঠনিক সম্পাদক, মুহা. হাসমত আলী, মাওলানা নূর হোসাইন, মুফতী আব্দুল করীম, মাওলানা ইলিয়াস হোসাইন, মাওলানা জহিরুল ইসলাম, মুফতী ইজহারুল ইসলাম, হাজী আব্দুল মালেক, ডা. দেলোয়ার হোসেন, টি এম মাহফুজুর রহমান প্রমুখ।

মুফতী ফয়জুল করীম বলেন, মূর্তির সংস্কৃতি ইসলামবিরোধী। যারা মূর্তির সংস্কৃতি লালন করে তারা ঈমানদার হতে পারে না। অবিলম্বে এই মূর্তি সরাতে হবে। মূর্তির বিরুদ্ধে গড়ে উঠা আন্দোলনের জনমত সরকার পতনের আন্দোলনে রূপ নিতে পারে। তাই মূর্তি অপসারণ করলে সরকারেরই কল্যাণ হবে। মূর্তি না সরালে যে কোন মূল্যে ২১ এপ্রিল রাজধানী ঢাকায় জাতীয় মহাসমাবেশ সফলের মাধ্যমে ঈমানদার জনতা গ্রিক মূর্তিসহ সকল মূর্তি ভেঙ্গে দিতে বাধ্য হবে।

 

ওসমানীনগরে ইশা ছাত্র আন্দোলনের সম্মেলন অনুষ্ঠিত: সভাপতি আহমদ উল্লাহ, সাধারণ সম্পাদক শেখ মাসুম

ওসমানীনগর থেকে শেখ আজীজ: ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন ওসমানীনগর উপজেলা শাখার উদ্যোগে আজ ২৪ মার্চ'১৭ রোজ শুক্রবার বাদ জুমা শাখা সভাপতি আবু তাহের মিসবাহ এর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আহমদ উল্লাহ আনছারীর পরিচালনায় তাজপুর বন্ধন কমিউনিটি সেন্টারে বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইশা ছাত্র আন্দোলন সিলেট জেলা শাখার সহ-সভাপতি ইমরান আহমদ।

প্রধান অতিথি তার বক্তব্য শেষে ইশা ছাত্র আন্দোলন ওসমানীনগর উপজেলা শাখার ২০১৬ সেশনের কমিটি বিলুপ্ত করে ২০১৭ সেশনের কমিটি ঘোষণা করেন। ককমিটিতে সভাপতি আহমদ উল্লাহ আনছারী, সহ-সভাপতি মুরশেদ আহমদ চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক শেখ আজিজুর রহমান মাসুম।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ওসমানীনগর উপজেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক জননেতা ইমদাদ আহমদ, ইসলামী শ্রমিক আন্দোলন ওসমানীনগর উপজেলার আহবায়ক জনাব চমক আলী, ইসলামী যুব আন্দোলন সিলেট জেলার সদস্য সচিব রাশিদুল হক চৌঃ বজলু।

এছাড়াও বক্তব্য রাখেন ইশা ছাত্র আন্দোলন উমরপুর ইউপি সভাপতি তাজুল ইসলাম বদরুল, গোয়ালা বাজার ইউপি সভাপতি মু. আজিজুর রহমান মাসুম, উসমানপুর ইউপি সভাপতি মুরশেদ আহমদ চৌধুরী, বুরুঙ্গা ইউপি সভাপতি ইমরান চৌধুরী, দয়ামীর ইউপি সভাপতি হুসাইন আহমদ সহ থানা, ইউনিয়ন, প্রতিষ্ঠান ও ওয়ার্ড শাখার দায়িত্বশীল ও সদস্যবৃন্দ।

ইশা ছাত্র আন্দোলন কোম্পানীগঞ্জ থানা শাখার দায়িত্বশীল তারবিয়াত অনুষ্ঠিত

সিলেট প্রতিনিধি: ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন কোম্পানীগঞ্জ থানা শাখার উদ্যোগে আজ ২৪ মার্চ শুক্রবার বেলা ১১টায় কেরাতুল কুরআন মাদ্রাসার মিলানায়তনে শাখা সভাপতি আল-আমীন মোশারফের সভাপতিত্বে ও প্রশিক্ষণ সম্পাদক সাঈদ আহমদের সঞ্চালনায় দায়িত্বশীল তারবিয়াত অনুষ্ঠিত হয়।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে তারবিয়াত প্রদান করেন ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন সিলেট জেলা শাখার প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মাহফুজ আহমদ মাহী।

 

ইশা ছাত্র আন্দোলন দারুস সালাম থানার সম্মেলন অনুষ্ঠিত

দারুসসালাম সংবাদদাতা : ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন ঢাকা মহানগর পশ্চিমের আওতাধীন দারুস সালাম থানা শাখার উদ্যোগে আজ ২৪ মার্চ রোজ শুক্রবার বিকাল ৩টায় রাজধানীর মিরপুরস্থ বাইতুল কারীম কমপ্লেক্সের ৩য় তলায় থানা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

থানা সভাপতি মুহাম্মদ নাজির আহমেদ তালুকদারের সভাপতিত্বে সম্মেলনের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি অধ্যক্ষ মাওলানা শেখ ফজলে বারী মাসউদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন ইশা ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় ছাত্র কল্যাণ সম্পাদক মুহাম্মদ শরীফুল ইসলাম। ও প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নগর সভাপতি জি এম বায়েজীদ।

সম্মেলনে নেতৃবৃন্দ বলেন, ইশা ছাত্র আন্দোলন দেশ ও জাতির কল্যাণে সর্বদা নিবেদিত। দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্যের প্রশ্নে আপোসহীন। আমরা মাতৃভূমির স্বাধীনতা রক্ষায় প্রয়োজনে জীবন দিতেও প্রস্তুত।

নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, আজ প্রশ্ন ফাঁস মহামারী আকার ধারণ করেছে, শিক্ষামন্ত্রী এর দায় কখনো এড়াতে পারেন না। জাতির মেরুদণ্ডকে আজ দূর্বল করে তোলা হচ্ছে।

ভারতের সাথে প্রতিরক্ষা চুক্তি দেশের স্বাধীনতা চেতনা বিরোধী। দেশকে গোলামির শৃঙ্খল থেকে মুক্ত করার জন্য শান্তিপ্রিয় বাঙালি অস্ত্র ধরেছিল, বিসমিল্লাহ বলে আমার ভাই বন্দুকের ট্রিগার টেনে ছিল, সুপ্রিমকোর্টের সামনে লেডি জাস্টিসের মূর্তি দেখার জন্য নয়। ইশা ছাত্র আন্দোলন সর্বস্তরের ছাত্র জনতাকে সঙ্গে নিয়ে দেশের স্বাধীনতার মান রক্ষার্থে এই মূর্তি অপসারণ করবেই, ইনশা আল্লাহ্।

সম্মেলন শেষে ২০১৭ সেশনের নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়। কমিটিতে সভাপতি নাজির আহমেদ তালুকদার, সহ-সভাপতি মুহাম্মদ ফরহাদ হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন মনোনীত হন।

উক্ত সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন নগর সাংগঠনিক সম্পাদক মুহাম্মদ মনোয়ার হোসেন, নগর প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক মুহাম্মদ সফিউল ইসলাম, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ দারুস সালাম থানার সভাপতি আলহাজ আবু ইউসুফসহ নগর ও থানা নেতৃবৃন্দ।

সাহাবাদের আদর্শে উজ্জবীত হয়ে ছাত্রদের দেশ ও জাতির নেতৃত্বে আসীন হতে হবে: ইশা ছাত্র আন্দোলন না:গঞ্জ জেলা

নারায়ণগঞ্জ জেলা সংবাদদাতা : আজ ২৪শে মার্চ রোজ শুক্রবার ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখার সংগ্রামী সভাপতি মুহাম্মদ মামুনুর রশীদ এর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ শিব্বির আহমদ এর পরিচালনায় থানা দায়িত্বশীলদের নিয়ে দায়িত্বশীল তারবিয়াত ২০১৭ অনুষ্ঠিত হয়। তারবিয়াতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন কেন্দ্রীয় কমিটির মুহতারাম জয়েন্ট সেক্রেটারি ছাত্র নেতা মুহাম্মদ হাসিবুল ইসলাম।

প্রধান অতিথি দায়িত্বশীলদের উদ্দ্যেশ্য করে বলেন, ইশা ছাত্র আন্দোলন একটি জবাবদিহীমূলক সংগঠন। শুধু আখেরাতেই নয় আমরা দুনিয়ায়ও কাজের হিসাব দেয়ার জন্য প্রস্তুত। ছাত্র আন্দোলন কোন গতানুগতিক সংগঠন নয়।

তিনি আরো বলেন, আজ যারাই বাংলাদেশ ব্যাংকসহ বিভিন্ন ব্যাংকের টাকা লুট করছে তাদের মধ্যে আল্লাহর ভয় নেই। আর যাদের অন্তরে আল্লাহরর ভয় নেই তাদের দ্বারা দুনিয়ার সকল অপকর্মই সম্ভব। তাই ছাত্র আন্দোলন এর সকল দায়িত্বশীলদের আরো তাক্বওয়া অর্জন করতে হবে।



সভাপতি তার উদ্বোধনি আলোচনায় বলেন, জাতি আজ দিশেহারা। দেশের সকল স্তরে, অফিস-আদালতে ঘুষের বানিজ্য। ঘুষদেয়া যেন এক নিয়মে পরিণত হয়েছে। তাই ছাত্র আন্দোলন এর সকল দায়িত্বশীলদের যোগ্য হয়ে সকল প্রকার দুর্নীতি ও দুঃশাসনের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। এই দায়িত্বশীল তারবিয়াত থেকে আমাদের দিপ্ত শপথ নিতে হবে যে আমরা দুর্নীতি ও সন্ত্রাসমুক্ত বাংলাদেশ গড়বো।

তারবিয়াতে আরো উপস্থিত ছিলেন জেলা শাখার সংগ্রামী সহ-সভাপতি মুহাম্মদ ইমদাদুল হক, সাংগঠনিক সম্পাদক মুহাম্মদ ফারুক হোসেন, প্রশিক্ষণ সম্পাদক মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম, অর্থ সম্পাদক আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ হাসান,  প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক মুহাম্মদ আব্দুর রশীদ প্রমুখ।