বুধবার, ৩১ মে, ২০১৭

মূর্তির পক্ষালম্বনকারীরা মুশরিক, তাদের ধ্বংস অনিবার্য: পীর সাহেব চরমোনাই


ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর আমীর মুফতী সৈয়দ মোহাম্মদ রেজাউল করীম (পীর সাহেব চরমোনাই) বলেছেন, রমজান মাস পবিত্র কুরআন নাজিলের মাস, ইসলাম প্রতিষ্ঠার মাস, ইসলামের প্রথম সামরিক বিজয়ের মাস। মুসলমানের দ্বীন ও দুনিয়ার সমৃদ্ধি, পার্থিব ও আধ্যাত্মিক উন্নতি, দৈহিক ও মানবিক শ্রেষ্ঠত্ব আর গৌরব ও মর্যদার অবিস্মরণীয় স্মৃতি বয়ে নিয়ে আসে মাহে রমজান।
উন্নত চরিত্র অজর্নের পক্ষে অন্তরায় পাশবিক বাসনার প্রাবল্যকে পরাভূত করত: পাশবিক শক্তিকে আয়ত্ত্বাধীন করা হচ্ছে সিয়ামের তাৎপর্য। কুরআন নাজিলের মহান এ মাসে কুরআনী শাসন প্রতিষ্ঠায় সকলকে কাজ করতে হবে। তিনি ইসলামের বিরুদ্ধে গভীর চক্রান্ত শুরু হয়েছিল তা আজো অব্যাহত আছে। তিনি যে কোন ইসলামবিরোধী অপপ্রচার থেকে বিরত থাকতে সরকারকে পরামর্শ দেন।
আজ (সোমবার) সকালে বরিশালের চরমোনাই মাদরাসা ময়দানে ১৫ দিনব্যাপী বিশেষ তালিম তারবিয়াতের ২য় দিনের আলোচনায় পীর সাহেব চরমোনাই উপরোক্ত কথা বলেন।
গতকাল শুরু হওয়া তালিম তারবিয়াতে মুরিদদের পাশাপাশি সাধারণ মুসল্লিদেরও ভীড় লক্ষ্য করা যায়। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে কয়েক হাজার মানুষ বরিশালের কীর্তনখোলা নদীর তীরে সমবেত হয়েছে। এতে পীর সাহেব চরমোনাই, নায়েবে আমীর মুফতী সৈয়দ ফয়জুল করীম ছাড়াও চিশতিয়া সাবেরিয়া তরিকার বিশিষ্ট আলেম ও খলিফাগণ নসিহত পেশ করবেন।
চলমান মূর্তির ইস্যুতে পীর সাহেব বলেন, মূর্তি স্থাপন ও সংরক্ষণ উভয়ই শিরক। মহান আল্লাহ সকল গুনাহ ক্ষমা করলেও শিরক ক্ষমা করবেন না। কোন মুসলমান মূর্তি পক্ষে অবস্থান নিতে পারে না। যারা মূর্তির পক্ষে অবস্থান নিয়েছে তারা মুশরিক, মুসলমান নয়। তিনি সরকারের প্রতি মূর্তি ধ্বংসের আহবান জানিয়ে বলেন, মূর্তি ধ্বংস করুন, নতুবা আপনারা ধ্বংস হয়ে যাবেন। মূর্তির পক্ষ নিয়ে ইতিহাসে কেউ রক্ষা পায় নি। বড় বড় সম্রাজ্য আল্লাহ মূর্তি পূজার অপরাধে ধ্বংস করে দিয়েছেন।
সূত্র : IAB News

শুক্রবার, ৫ মে, ২০১৭

আসবো আবার ফিরে - - মুহিব খান

আসবো আবার ফিরে
------------------------------------------------------------------------
- মুহিব খান
কারবালা হতে পলাশী পেরিয়ে
শাপলার পাদদেশে
বহু রক্তের সাগর মাড়িয়ে
আমরা পড়েছি এসে

আমরা এসেছি রাতের আঁধারে
পায়ে পিষে সব বাঁধা
আমাদের আনা ভোরের আলোয়
শাপলা হয়েছে সাদা
আমাদের স্রোতে ওঠে রাজপথে
তরঙ্গ উত্তাল
আমাদের তাজা তপ্ত-লহুতে
শাপলা হয়েছে লাল
আমরা পারিনি, তবুও হারিনি
তবুও ছাড়িনি আশা
আমাদের হার মানাতে পারেনি
মৃত্যু সর্বনাশা
আমরা ভুলিনি সীমারের চোখ
মীর জাফরের হাসি
শত আঁধারের বুক চিরে তাই
বারে বারে ফিরে আসি
সত্য ন্যায়ের প্রহরী আমরা
যুগে যুগে উঠি জেগে
অত্যাচারীর প্রাণ কেঁপে ওঠে
আমাদের ভাবাবেগে
কতো তলোয়ার, ছুরি, খঞ্জর
কতো বন্দুক গুলি
আমাদের করে এফোঁড় ওফোঁড়
তবুও আওয়াজ তুলি
তবুও জাগাই বজ্রমুষ্ঠি
মুক্ত আকাশ ছুঁয়ে
তবুও দাড়াই, কদম বাড়াই
কাদা-মাটি-খুন ধুয়ে
আমরা কখনো হারিয়ে যাবো না
অচিরেই উঁচু শিরে
লক্ষ হাজার শাপলা সেনানী
আসবো আবার ফিরে
দিন বদলের পতাকা ওড়াবো
এই শাপলার বুকে
ঘোষণা দিলাম- দেখবো সেদিন
কারা আমাদের রুখে!
------------------------------------------------------------------------
২২ মার্চ, ২০১৬