বুধবার, ১৯ এপ্রিল, ২০১৭

প্রধান বিচারপতি সুপ্রিমকোর্ট প্রাঙ্গণে নিজ ধর্মের মূর্তি স্থাপন করে নিরপেক্ষতা হারিয়েছেন : পীর সাহেব চরমোনাই

আইএবি নিউজ: বাংলাদেশ ইসলামী আন্দোলনের আমীর (পীর সাহেব চরমোনাই) মুফতি সৈয়ম মুহাম্মদ রেজাউল করিম বলেন, বাংলাদেশের মুসলমানদের হুঁশ থাকলে কখনো জাতীয় ঈদগাহের পাশের্^ ও সুপ্রীম কোর্টের সামনে মূর্তি মেনে নিবে না। প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহা বাংলাদেশের সব মানুষের প্রধান বিচারপতি। তিনি সংখ্যাগরিষ্ট মুসলমানের দেশে সুপ্রীম কোর্টের সামনে তার নিজের ধর্মের মূর্তির স্থাপন করে তার নিরপেক্ষতা হারিয়েছেন। তিনি প্রধান বিচারপতি থাকার অধিকার হারিয়েছেন।

বিশে^র কোন দেশে এমনকি পাশর্^বর্তী ভারতেও আদালতের সামনে কোন মূর্তি নেই। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী ইতোমধ্যে সুপ্রীম কোর্টের সামনে থেকে মূর্তি সরানোর কথা বলেছেন আমরা প্রধানমন্ত্রীর কথার উপর সম্মান দেখিয়েছি। আমরা লক্ষ্য করছি প্রধানমন্ত্রী কি করেন? যদি ২১ এপ্রিলের মধ্যে সুপ্রীম কোর্টের সামনে থেকে গ্রীক মূর্তি সরানো না হয় তা হলে আগামী ২১ তারিখ ঢাকায় মহা সমাবেশ করা হবে। ঐ মহা সমাবেশ থেকে ইসলামী আন্দোলন কঠিন আন্দোলনের কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবে বলে হুঁশিয়ারী দেন চরমোনাই পীর।

তিনি গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে রাঙামাটি পৌরসভা চত্বরে রাঙামাটি ইসলামী আন্দোলনের উদ্যোগে আয়োজিত এক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। ইসলামী আন্দোলনের আগামী ২১ এপ্রিল ঢাকায় মহা সমাবেশ সফল করা ও সুপ্রীম কোর্টের সামনে থেকে গ্রীক মূর্তি সরানোর দাবিতে এ সমাবেশ আয়োজন করা হয়।

ইসলামী আন্দোলন রাঙামাটি জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেনের সভাপতিত্বে সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন ইসলামী আন্দোলনের কেন্দ্রীয় কমিটির শ্রম বিষয়ক সম্পাদক জান্নাতুল ইসলাম, চট্টগ্রাম মহানগর দক্ষিনের সভাপতি মোঃ শফকত হোসাইন, ইসলামী যুব আন্দোলনের কেন্দ্রীয় বিজ্ঞান প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক শেখ মোঃ মারুফ, ইসলামী যুব আন্দোলন রাঙামাটি জেলা কমিটির আহবায়ক মাওলানা ওমর আলী, ইসলামী শ্রমিক আন্দোলনের রাঙামাটি জেলা কমিটির সভাপতি নাসির হোসেন প্রমুখ। এ ছাড়াও ইসলামী ছাত্র আন্দোলন ও ইসলামী আন্দোলনের জেলা উপজেলার নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন। সমাবেশ পরিচালনা করেন ইসলামী আন্দোলনের রাঙামাটি জেলা কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক নূর হোসেন।

প্রধান অতিথি চরমোনাই পীর আরো বলেন, স্বাধীনতার পর যারা এদেশ পরিচালনা করেছেন তারা বাংলাদেশকে বিশে^র কাছে চোরের দেশ হিসেবে প্রথম বানিয়েছেন। তাদের দিয়ে দেশের মানুষের ভাগ্যের কোন উন্নতি হয়নি। দেশের বিরুদ্ধে এবং ইসলাম বা ধর্মের বিরুদ্ধে যখন যে ষড়যন্ত্র হয়েছে তখনই ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ রাজপথে নেমে এসেছে। তিনি বলে ইসলামী আন্দোলন কখনো সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যকে পশ্রয় দেয় না। ইসলামী আন্দোলন শান্তিপূর্ণ পরিবেশে আন্দোলন করতে চায় উল্লেখ করে তিনি সরকারের প্রধানমন্ত্রী ও প্রধান বিচারপতির কাছে সুপ্রীম কোর্টের সামনে থেকে মূর্তি অপসারনের অনুরোধ জানান।

এর আগে সমাবেশ মিছিল সহকারে যোগ দেন ইসলামী আন্দোলন এর বিভিন্ন উপজেলার নেতাকর্মীরা।

মঙ্গলবার, ১৮ এপ্রিল, ২০১৭

মূর্তি অপসারণে টালবাহানা করলে সর্বত্র আন্দোলন গড়ে উঠবে: মুফতি ফয়জুল করীম

আইএবি নিউজ: ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর নায়েবে আমীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম বলেছেন, সুপ্রিমকোর্ট প্রাঙ্গণে স্থাপিত গ্রিক দেবীর মূর্তি অপসারণ করতেই হবে। কোনভাবে বহাল রাখার চেষ্টা করলে ধর্মপ্রাণ জনতা ফুসে উঠতে বাধ্য হবে।

প্রয়োজনে সর্বত্র আন্দোলন গড়ে উঠবে তবু মূর্তি বহাল মেনে নেয়া হবে না। মূর্তি অপসারণের ক্ষেত্রে গড়িমসি করলে সরকারের জন্য কল্যাণকর হবে না। ইসলামের আক্বীদা অনুযায়ী মূর্তি প্রতিস্থাপন ও মূর্তি মানা এবং ন্যায় বিচারের প্রতীক মনে করা সম্পূর্ণ ইসলামবিরোধী ও হারাম। কাজেই ইসলামী আক্বীদা বিশ্বাসকে সামনে রেখে মূর্তি অপসারণ করতে হবে। অন্যথায় দেশের পরিস্থিতি অস্থিতিশীল উঠলে সরকারের কিছু করার থাকবে না। তিনি এ বিষয়ে ওলামায়ে কেরামের সাথে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্র“তি বাস্তবায়নের আহ্বান জানান।

মঙ্গলবার বিকেলে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর উদ্যোগে অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় মহাসমাবেশ সফলের লক্ষ্যে প্রস্তুতি কমিটির সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের মহাসচিব অধ্যক্ষ মাওলানা ইউনুছ আহমাদ, যুগ্ম মহাসচিব- অধ্যাপক এটিএম হেমায়েত উদ্দিন ও মাওলানা গাজী আতাউর রহমান, ঢাকা দক্ষিণ সভাপতি মাওলানা ইমতিয়াজ আলম, সাংগঠনিক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আশরাফুল আলম, মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ূম, সহ-সংগঠনিক সম্পাদক কেএম আতিকুর রহমান, মুফতি হেমায়েতুল্লাহ, আলহাজ্ব হারুন অর রশিদ, মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাকী, আলহাজ্ব আব্দুর রহমান, মাওলানা আতাউর রহমান আরেফী, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কাশেম, মুফতি কেফায়েতুল্লাহ কাশফি, আলহাজ্ব কে জি মাওলা প্রমুখ।

মুফতি ফয়জুল করীম বলেন, গ্রিক দেবীর মূর্তি মুসলমানদের সংস্কৃৃতির অংশ নয়। এটা সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রতীক। ৯২ ভাগ মুসলমানের এদেশে সাম্প্রদায়িক মূর্তি স্থাপন করে কারা দেশকে অস্থিতিশীল করতে চায় তাদের খুঁজে বের করতে হবে। তিনি ২১ এপ্রিলের জাতীয় মহাসমাবেশ সফলে জেলাশাখাগুলোকে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণের জন্য জোর নির্দেশ প্রদান করেন। মহাসমাবেশ হবেই, সফল করতে হবে। তিনি বলেন, এদেশের জনগণের আবেগ উদ্দীপ্ত তৌহিদবাদী জনগণ ঈমান রক্ষার আন্দোলনে সোচ্চার। মূর্তি স্থাপন রাব্বুল আল্লাহ রাব্বুল আলামিন ও রাসূল সা. চরম অসন্থষ্টির কারণ। তিনি বলেন, সুপ্রিমকোর্ট প্রাঙ্গণ থেকে গ্রিক দেবীর মূর্তি অবিলম্বে অপসারণ করতেই এর কোন বিকল্প সহ্য করা হবে না। আগামী ২০ এপ্রিলের মধ্যেই মূর্তি অপসারণ করতে হবে।

খালিশপুরের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ইশা ছাত্র আন্দোলনের দাওয়াতি সভা অনুষ্ঠিত

স্টাফ রিপোর্টার : দাওয়াতী পক্ষ উপলক্ষে চলছে দাওয়াতী সভা। আজ খুলনার খালিশপুরের ন্যাশনাল স্কুল, প্রভাতি স্কুল, বি এন স্কুল এন্ড কলেজ এবং হাজী মুহাম্মাদ মুহাসিন কলেজ ক্যাম্পাসে ব্যাপক দাওয়াতী সভা ও সদস্য সংগ্রহ করা হয়।



এ সময় উপস্হিত ছিলেন ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন খুলনা জেলা দক্ষিণের সহ-সভাপতি মুহা. ইসহাক ফরিদী, সাধারণ সম্পাদক মুহা. আব্দুল্লাহ আল নোমান, প্রশিক্ষণ সম্পাদক মুহা. আব্দুস সালাম জায়েফ, অর্থ সম্পাদক মুহা. মঈনুল ইসলাম, খালিশপুর থানার সভাপতি মুহা. মামুন অর রশিদ, মুহা. জামাল হোসেন, মুহা. বাইজিদ হোসেন, মুহা. আজাদ হোসেনসহ প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।

সুপ্রিমকোর্ট প্রাঙ্গণ থেকে মূর্তি অপসারণে সরকারকে বাধ্য করা হবে: ইশা ছাত্র আন্দোলন

আইএবি নিউজ: ১৮ এপ্রিল’১৭ ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন-এর কেন্দ্রীয় সভাপতি জি.এম. রুহুল আমীন, সহ সভাপতি শেখ ফজলুল করীম ও সেক্রেটারি জেনারেল শেখ মুহাম্মাদ সাইফুল ইসলাম এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন, দেশের সর্বোচ্চ বিচারালয় প্রাঙ্গণে সম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিকভাবে গ্রিক দেবি থেমিসিসের মূর্তি স্থাপনের মধ্য দিয়ে সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের আকিদা-বিশ্বাসে আঘাত করা হয়েছে এবং সুপ্রীম কোর্টের পবিত্র অঙ্গনকে অপবিত্র করা হয়েছে।

নেতৃদ্বয় বলেন, আদালতের নিজস্ব সমস্যার অন্ত নেই। মামলার অস্বাভাবিক জট. দীর্ঘসূত্রতা ও দুর্নীতিসহ নানা অসঙ্গতির কারণে বিচারব্যবস্থার প্রতি মানুষের মাঝে আস্থাহীনতা তৈরি হচ্ছে। প্রধান বিচারপতির উচিত সম্প্রদায় চিন্তার উর্ধ্বে এ সকল সমস্যার সমাধান করা।

নেতৃদ্বয় আরো বলেন, দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণের সেন্টিমেন্টে আঘাত করে হাজার বছরের ঐতিহ্যবিরোধী কোন কিছু চাপিয়ে দেয়া কিছুতেই ন্যায়সঙ্গত হতে পারে না। অতএব ন্যায়ের স্বার্থে, জাতীয় ঐক্যের স্বার্থে এবং আদালতের পবিত্রতা রক্ষার স্বার্থে এ মূর্তি অপসারণ করতেই হবে। এ ব্যাপারে কোন টালবাহানা দেশের ছাত্রসমাজ সহ্য করবে না এবং অপসারণের বিকল্প কোন কিছু মেনে নেবে না।

বিবৃতিতে তারা আরো বলেন, মূর্তি অপসারণের দাবিতে হযরত পীর সাহেব চরমোনাই আহুত আগামী ২১ এপ্রিল’১৭ শুক্রবারে জাতীয় মহাসমাবেশ সফেেলর মধ্য দিয়ে সরকারকে মূর্তি অপসারণে বাধ্য করা হবে। বিবৃতিতে নেতৃদ্বয় জাতীয় মহাসমাবেশ সফল করতে ছাত্র-জনতার প্রতি উদাত্ত আহবান জানান।

 

চৌমুহনী মদন মোহন উচ্চ বিদ্যালয়ে ইশা ছাত্র আন্দোলনের দাওয়াতি সভা অনুষ্ঠিত

স্টাফ রিপোর্টার : কেন্দ্র ঘোষিত দাওয়াতি পক্ষের কার্যক্রম বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে চলছে নোয়াখালীর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে ইশা ছাত্র আন্দোলনের দাওয়াতি সভা। এর লক্ষ্য হচ্ছে শিক্ষাঙ্গনে অস্থিরতার অবসান ঘটিয়ে ছাত্র সমাজকে জাতির ভবিষ্যৎ কাণ্ডারিরূপে গড়ে তোলা।

দাওয়াতি পক্ষের ধারাবাহিক তৎপরতায় আজ (মঙ্গলবার) দেশের অন্যতম বৃহত্তম বাণিজ্যকেন্দ্র চৌমুহনীর মদন মোহন উচ্চ বিদ্যালয়ে ইশা ছাত্র আন্দোলনের দাওয়াতি সভা ও সদস্য সংগ্রহ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়েছে। চৌমুহনী পৌর সভাপতি উসমান গনীর নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত দাওয়াতি সভায় প্রধান আলোচক ছিলেন সংগঠনের নোয়াখালী জেলা (উত্তর) শাখার সভাপতি এইচ এম সাখাওয়াত উল্লাহ।

দায়িত্বশীল সূত্রে জানা যায়, ইশা ছাত্র আন্দোলনের দাওয়াতি তৎপরতায় ছাত্ররা আলোর সন্ধান পাচ্ছে। বহু ছাত্র অনৈতিক কাজ থেকে ফিরে আসার অঙ্গিকারে নিজেকে আবদ্ধ করছে। জাতির প্রতি তাদের দায়বদ্ধতার প্রসঙ্গে প্রত্যেকে ভালো পড়াশুনার মাধ্যমে নিজেকে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করে।

পাথরঘাটা কে.এম.পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ইশা ছাত্র আন্দোলনের দাওয়াতি সভা অনুষ্ঠিত

স্টাফ রিপোর্টার : ছাত্র সমাজের তৃণমূলে ইসলামের মর্মবাণী গেঁথে দেওয়ার লক্ষ্যে ঘোষিত ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলনের দাওয়াতি পক্ষকে সামনে রেখে চলছে দেশব্যাপী প্রতিষ্ঠান ভিত্তিক দাওয়াতি সভা ও সদস্য সংগ্রহ কর্মশালা। তারই ধারাবাহিকতায় আজ সকাল ৯টায় পাথরঘাটা উপজেলা আওতাধীন পাথরঘাটা কে.এম.পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সংগঠনের দাওয়াতি সভা অনুষ্ঠিত হয়।

দাওয়াতি সভায় ইশা ছাত্র আন্দোলন পাথরঘাটা উপজেলা (বরগুনা) শাখার সভাপতি মুহাঃ মুছাদ্দিক বিল্লাহ ছাত্রদেরকে জীবনের টার্গেট নির্ধারণ ও স্বকীয়তা ধারণ করার প্রতি গুরুত্বারোপ করেন। বল্গাহীন স্রোতে ভেসে জীবন বিনষ্ট করার পরিবর্তে মহাপ্রভু আল্লাহর সমীপে নিজেকে সমর্পন করার ব্যাপারে দিক নির্দেশনা প্রদান করেন।এসময় শিক্ষাঙ্গনের অস্থিরতা ও চলমান সমাজ ব্যবস্থার অসঙ্গতিগুলোর প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করে তা নির্মূলের জন্য আদর্শিক সংগঠন ইশা ছাত্র আন্দোলনে শামিল হওয়ার আহবান জানান।

এতে সমবেত ছাত্রবৃন্দ ছাত্র আন্দোলনের কর্মপন্থায় মুগ্ধ হয়ে উচ্ছাসের সাথে সদস্য ফরম পূরণ করে।

সভায় নবীন ছাত্র বন্ধুদের মাঝে উপজেলা শাখার প্রচার সম্পাদক হাঃ মুহাঃ হাফিজুল ইসলাম সংগঠনের পরিচিতি ও স্টিকার বিতরণ করেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন পৌর ও উপজেলা শাখার দ্বায়িত্বশীলবৃন্দ।

সোমবার, ১৭ এপ্রিল, ২০১৭

মূর্তি বহাল রেখে বিকল্প কোন চিন্তা ঈমানদার জনতা সহ্য করবে না: অধ্যক্ষ ইউনুছ আহমাদ

আইএবি নিউজ: মূর্তি ইস্যুতে ওয়াদা খেলাফ করলে আওয়ামী লীগ আজীবনের জন্য প্রত্যাখ্যাত হবে বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর মহাসচিব অধ্যক্ষ মাওলানা ইউনুছ আহমাদ।

তিনি বলেন, সুপ্রিমকোর্ট প্রাঙ্গণে স্থাপিত গ্রিক দেবীর মূর্তি বহাল রেখে বিকল্প যে কোন চিন্তা করলে ধর্মপ্রাণ জনতা কোনভাবেই মেনে নিবে না । সুপ্রিমকোর্ট প্রাঙ্গণ থেকে গ্রিক দেবীর মূর্তি অবিলম্বে অপসারণ করতেই এর কোন বিকল্প সহ্য করা হবে না।

আগামী ২০ এপ্রিলের মধ্যেই মূর্তি অপসারণ করতে হবে। গণভবনে দেশের শীর্ষ আলেমদের সামনে কৃত ওয়াদা অনুযায়ী অবিলম্বে গ্রিক দেবীর মূর্তি ভেঙ্গে দিয়ে ওয়াদা পুরণ করার জন্য প্রধানমন্ত্রীর প্রতি তিনি আহ্বান জানান।

আজ (সোমবার) বিকেলে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর এক সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের যুগ্ম মহাসচিব- অধ্যাপক এটিএম হেমায়েত উদ্দিন, অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান ও মাওলানা গাজী আতাউর রহমান, ঢাকা দক্ষিণ সভাপতি মাওলানা ইমতিয়াজ আলম, সাংগঠনিক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আশরাফুল আলম, মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ূম, সহ-সংগঠনিক সম্পাদক কেএম আতিকুর রহমান, মুফতি হেমায়েতুল্লাহ, আলহাজ্ব হারুন অর রশিদ, মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাকী, আলহাজ্ব আব্দুর রহমান, মাওলানা আতাউর রহমান আরেফী, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কাশেম, মুফতি কেফায়েতুল্লাহ কাশফি প্রমুখ।

অধ্যক্ষ মাওলানা ইউনুছ আহমাদ বলেন, গ্রিক দেবীর মূর্তি মুসলমানদের সংস্কৃৃতির অংশ নয়। এটা সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রতীক। ৯২ ভাগ মুসলমানের এদেশে সাম্প্রদায়িক মূর্তি স্থাপন করে কারা দেশকে অস্থিতিশীল করতে চায় তাদের খুঁজে বের করতে হবে।

তিনি ২১ এপ্রিলের জাতীয় মহাসমাবেশ সফলে জেলাশাখাগুলোকে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণের জন্য জোর নির্দেশ প্রদান করেন।