বৃহস্পতিবার, ৯ মার্চ, ২০১৭

মুসলিম চিন্তা চেতনা বিরোধী মূর্তি স্থাপন করে সাম্প্রদায়িকতা সৃষ্টি করা হচ্ছে: অধ্যক্ষ মাওলানা ইউনুছ আহমাদ


আইএবি নিউজ: দেশের সর্বোচ্চ আদালত প্রাঙ্গণে স্থাপিত গ্রিক দেবীর মূর্তি অবিলম্বে অপসারণ করে জাতীয় ঈদগাহ’র মুসল্লিদের নামাজ রক্ষার আহ্বান জানিয়ে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব অধ্যক্ষ মাওলানা ইউনুছ আহমাদ বলেছেন, দেশের ৯২ ভাগ মুসলমানের দেশে ইসলাম ও মুসলিম চিন্তা চেতনা বিরোধী মূর্তি স্থাপন করে সাম্প্রদায়িকতা সৃষ্টির চেষ্টা করা হচ্ছে। কতিপয় মানুষের ইচ্ছা পুরণ করতে বৃহত্তর মুসলমানের ধর্মীয় অনুভুতিতে আঘাত করার এখতিয়ার কারো নেই।


তিনি বলেন, আল্লাহ রাব্বুল আলামিন রাসূলে কারীম সা.কে দুনিয়ায় পাঠিয়েছেন সত্য দীন তথা ইসলাম দিয়ে, যেন সকল মতাদর্শের উপর ইসলামকে বিজয় করা যায়। যুগে যুগে নবী ও রাসূলগণ এসেছেন মূর্তিকে ভেঙ্গে দিয়ে মানুষকে শিরকমুক্ত করার জন্য। বাংলাদেশের ইতিহাসে অতীতেও সুপ্রিমকোর্ট প্রাঙ্গণে কোন মূর্তি ছিল না। হঠাৎ করে কে বা কারা দেশকে অকার্যকর করার জন্য মূর্তি স্থাপন করলো তা খুঁজে বের করতে হবে এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। মূর্তি স্থাপন করার অর্থই হলো গায়েপড়ে ঝগড়া সৃষ্টি করে ঘোলাপানিতে মাছ শিকার করা। অবিলম্বে এই মূর্তি সরাতে হবে। মূর্তির বিরুদ্ধে গড়ে উঠা আন্দোলনের জনমত সরকারের বিরুদ্ধে চলে যেতে পারে। তাই মূর্তি অপসারণ করলে সরকারেরই কল্যাণ হবে।


গতকাল (৮ মার্চ) বিকেলে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর মজলিসে আমেলা (কার্যনির্বাহী পরিষদ)-এর এক সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। সভায় ঘোষিত ২১ এপ্রিলে মহাসমাবেশসহ অন্যান্য কর্মসুচী বাস্তবায়নে বিভিন্ন পর্যালোচনাশেষে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের রাজনৈতিক উপদেষ্টা অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন, যুগ্ম মহাসচিব- অধ্যাপক এটিএম হেমায়েত উদ্দিন ও মাওলানা গাজী আতাউর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আশরাফুল আলম, সহ-সংগঠনিক সম্পাদক কেএম আতিকুর রহমান, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ুম, সহ-প্রচার সম্পাদক মাওলানা নেছার উদ্দিন, শায়খুল হাদীস মাওলানা মকবুল হোসাইন, মাওলানা মাওলানা লোকমান হোসাইন জাফরী, আলহাজ্ব হারুন অর রশিদ, মাওলানা আতাউর রহমান আরেফী, আলহাজ্ব আব্দুর রহমান, মুফতি কেফায়েতুল্লাহ কাশফী, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কাশেম, মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাকী, আলহাজ্ব কে জি মাওলা প্রমুখ।