মঙ্গলবার, ২১ ফেব্রুয়ারী, ২০১৭

চরমোনাই মিশন মানুষকে দ্বীনের পথে আহবান আর ইসলামী আইন বাস্তবায়ন

মহান রাব্বুল আলামীন যুগে যুগে নবী-রাসূল (সা.) প্রেরণ করেছেন দ্বীনের দাওয়াত মানুষের নিকট পৌঁছে দেয়ার জন্য। রাসূল সা. হচ্ছেন সর্বশেষ নবী। বর্তমান জামানায় উলামায়ে কেরাম ও সকল মুসলমানের দায়িত্ব দ্বীনের দাওয়াত অন্যদের নিকট পৌঁছে দেয়া।

বাংলার জমিনে দ্বীনের দাওয়াত পৌঁছে দেয়ার কাজ করছেন উলামায়ে কেরামসহ অন্যান্য ইসলামপ্রেমিক সৈনিকেরা। এর মধ্যে এমন একজন হচ্ছেন শায়েখ চরমোনাই। যিনি মানুষের নিকট দ্বীনের দাওয়াত পৌঁছে দেয়ার জন্য ছুটে বেড়ান বাংলার টেকনাফ থেকে তেতুলিয়া পর্যন্ত।

শায়েখ চরমোনাই এমন কিছু মিশন চালু করেছেন যার মেহনতের মাধ্যমে দ্বীন ভোলা মানুষ দ্বীনের ছায়াতলে সমবেত হচ্ছে।

মরহুম সৈয়দ এছহাক (শায়েখ চরমোনাই রহ.)-এর প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ মুজাহিদ কমিটির উদ্যোগে মসজিদে মসজিদেএক্সুগত মাসিক ইজতেমা, হালকায়ে জিকির ও তালিম হচ্ছে। শহর-গ্রামে-গঞ্জে মহল্লায় মহল্লায় ওয়াজ মাহফিলের মাধ্যমে মানুষকে দ্বীনের পথে দাওয়াত দেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে শায়েখ চরমোনাই’র মাহফিলে যারা উপস্থিত হন অধিকাংশই বয়ান শুনে চোখে পানি আসে, অন্তরে আল্লাহর ভয় সৃষ্টি হয়। যার ফলে মাত্র ১ ঘন্টার বয়ান শুনে অসংখ্য মানুষ আল্লাহর রহমতে হেদায়েত প্রাপ্ত হওয়ার নজীরও রয়েছে শত শত।ভচক্র চ

মরহুম মাওলানা ফজলুল করীম (শায়েখ চরমোনাই রহ.)-এর প্রতিষ্ঠিত কুরআএক্সএক্সদবন শিক্ষা বোর্ড-এর উদ্যোগে ৬৮ হাজার গ্রামে ৬৮ হাজার মাদরাসা প্রতিষ্ঠার কার্যক্রম চলছে। এ পর্যন্ত কয়েক হাজার মাদরাসা চালু হয়ে গিয়েছে। মাদরাসাগুলোতে ছোট শিশুদেরকে পঞ্চম শ্রেণি সমমান জেনারেল শিক্ষার পাশাপাশি👿কুরআন হাদিসসহ ইসলামের প্রাথমিক শিক্ষাদান করা উউহচ্ছে। বিভিন্ন মাসজিদে মুয়াল্লিমের মাধ্যমে বয়স্কদের জন্য কুরআন শিখার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

মানুষের ব্যক্তিগত জীবনের পাশাপাশি সামাজিক জীবন এবং রাষ্ট্রীয় জীবনে কিভাবে ইসলাম কায়েম করা যায়, সে লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য নিয়ে কাজ করছে মরহুম মাওলানা ফজলুল করীম (শায়েখ চরমোনাই রহ.)-এর প্রতিষ্ঠিত ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ নামে একটি রাজনৈতিক দল। এই দলের কার্যক্রম চলছে সমাজের সকল সেক্টরে। সংগঠনের বর্তমান আমীর মুফতী সৈয়দ মু. রেজাউল করীম (শায়েখ চরমোনাই)-এর নেতৃত্বে দুর্বার গতিতে চলছে সাংগঠনিক কার্যক্রম। ছাত্রদের জন্য রয়েছে ছাত্র সংগঠন ‘ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন’। শ্রমিকদের জন্য রয়েছে শ্রমিক সংগঠন, আইনজীবীদের জন্য আইনজীবী সংগঠন, মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য মুক্তিযোদ্ধা সংগঠন, এছাড়া রয়েছে অন্যান্য সংগঠহন।

দ্বীন প্রতিষ্ঠার শপথ নিয়ে এগিয়ে চলছে সকল কার্যক্রম। “দ্বীনের পতাকা উড়বে এই জমিনে, হবেই হবে দ্বীনের বিজয়,” ইনশাআল্লাহ।