মঙ্গলবার, ১১ এপ্রিল, ২০১৭

তিস্তাসহ অমীমাংসিত সমস্যার সমাধান চান দেশবাসী : অধ্যক্ষ ইউনুছ আহমাদ

আইএবি নিউজ: শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সাম্প্রদায়িক মঙ্গল শোভাযাত্রার সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবি জানিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব অধ্যক্ষ মাওলানা ইউনুছ আহমাদ। এক বিবৃতিতে তিনি বর্ষ বরণের নামে মঙ্গল শোভাযাত্রার আয়োজন গ্রামে-গঞ্জেও ছড়িয়ে দেয়ার অশুভ পরিকল্পনার তীব্র সমালোচনা করেছেন।

রোবার (৯ এপ্রিল) ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের এক মতবিনিময় সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

তিনি বলেন, ইনু সাহেবরাও আজ ফতোয়া দিতে দ্বিধা করছে না ‘পহেলা বৈশাখ উৎসব পালন করলে মুসলমানিত্ব যায় না’ এধরণের ফতোয়া দিয়ে ইনুরা নিজেদের ঈমান বিকিয়ে দিচ্ছে এবং ইসলাম থেকে খারিজ হয়ে যাচ্ছে। তিনি বলেন, মঙ্গল শোভাযাত্রা, পহেলা বৈশাখের উৎসব মুসলমানদের কোন উৎসব নয়। এটা সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ে উৎসব। হিন্দুদের উৎসব হিন্দুরা পালন করবে করুক। কিন্তু ৯২ ভাগ মুসলমানদেরকে চাপিয়ে দিয়ে সাম্প্রদায়িক উস্কানী কার স্বার্থে? মূলতঃ দেব-দেবীকে উদ্দেশ্য করে এসব আচার অনুষ্ঠানের মাধ্যমে একটি সংখ্যালঘু গোষ্ঠী কল্যাণ কামনা করে থাকে। তারা বিভিন্ন প্রতীকের মাধ্যমে পূঁজা প্রার্থণা করেন। ইসলামে এটা হারাম। হারাম উৎসব মুসলমানদের উপর চাপিয়ে দেয়ার প্রবণতা থেকে ফিরে না আসলে সরকারতে চরম মূল্য দিতে হবে।

সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন, অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান ও মাওলানা গাজী আতাউর রহমান, মাওলানা ইমতিয়াজ আলম, ইঞ্জিনিয়ার আশরাফুল আলম, কেএম আতিকুর রহমান, মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাকী প্রমুখ।

সভায় ২১ এপ্রিল সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে গ্রিক মূর্তি অপসারণ ও মঙ্গল শোভাযাত্রার সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবীতে অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় মহাসমাবেশ সফলের আহ্বান জানানো হয়।

নেতৃবৃন্দ বলেন, ভারতের সাথে অমীমাংসিত সমস্যার সমাধান না করে একের পর এক চুক্তি স্বাক্ষর, সামরিক ও সমঝোতা চুক্তি করে বাংলাদেশকে ভারতের করদরাজ্যে পরিণত করার চেষ্টা চলছে। এধরণের দেশবিরোধী কোন চুক্তি দেশের ঈমানদার দেশপ্রেসিক জনতা মানবে না।‏