শুক্রবার, ১৪ এপ্রিল, ২০১৭

পাঁচ বছর পর জনগণ আমার ঘরে গিয়ে নির্বাচন করতে অনুরোধ করবে: হাতপাখার প্রার্থী

শেখ আজিজুর রহমান মাসুম: আজ (শুক্রবার) রাত ৮টায় আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হলো লতাচাপলী ইউনিয়নের নির্বাচনী প্রচারণা। হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী জনাব মোসলেম মুসুল্লী মুছা তার বক্তব্যে বলেন, আমি নির্বাচিত হলে পাঁচ বছর পর আর ভোট চাইতে ঘরে ঘরে আসবো না। কেননা, সুশাসনের কারণে জনগণ খুশি হয়ে আমাকে আমার ঘরে গিয়ে নির্বাচন করতে অনুরোধ জানাবে ইনশাআল্লাহ। আমি নির্বাচিত হলে প্রত্যেক ওয়ার্ডে একটি করে ক্যাম্প করবো, যেখানে প্রতি মাসে একবার এলাকার সার্বিক বিষয় নিয়ে পর্যালোচনা হবে। পারস্পরিক বিরোধ বা অনাকাঙ্ক্ষিত  ঘটনার নিরসন ও সুষ্ঠু ন্যায়নিষ্ঠ বিচারকার্য সম্পন্ন করাই হবে সেই ক্যাম্পের কাজ। কিন্তু যারা স্বাধীনতার পর হতে বিভিন্ন দল হতে চেয়ারম্যান হয়ে আসছে, তাদের ভোট চাইতে হবে কেনো? বুঝা গেলো তারা যে কাজ করেছেন, তাতে জনগণ তাদের ভোট দিবে না। অতএব, এরা কখনো ইউনিয়নের জন্য কল্যাণ বয়ে আনতে পারবে না।

আজ ১৪ এপ্রিল'১৭ বাদ সন্ধ্যা হাতপাখার পথ সভা পরবর্তী জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিয়েছেন সংগঠনের বেশ কয়েকজন কেন্দ্রীয় নেতা। এছাড়াও সর্বক্ষণ মাঠে আছেন প্রার্থীর তিন ছেলে নন্দিত ওয়ায়েজ মাওলানা হাফিজুর রহমান সিদ্দিক, মুফতি হাবিবুর রহমান মিসবাহ ও মাহফুজুর রহমান জাবের।

আমাদের প্রতিনিধি জানান, লতাচাপলী ইউনিয়নে হাতপাখার জোয়ার উঠেছে। সুষ্ঠু নির্বাচন হলে বিপুল ভোটে হাতপাখার জয় হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

হাতপাখার গণজোয়ার দেখে প্রচারণায় বেশ কয়েকবার আওয়ামী সন্ত্রাসীরা বাধা প্রধান করেছে।

প্রার্থীর মেজো ছেলে মুফতি হাবিবুর রহমান মিছবাহ বলেন, আওয়ামীলীগ বেশ কয়েকবার হাতপাখার নির্বাচনী প্রচারণায় বাধা দিয়েছে। তারা বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোট কেন্দ্রে না যাওয়ার জন্য বলছে ও হাতপাখার পক্ষে প্রচারণা চালালে তাদের দেখে নেওয়ার হুমকি দিচ্ছে। নির্বাচনের দিন বাধা প্রদানের পুনরাবৃত্তি হতে পারে বলে তিনি আশংকা প্রকাশ করেন।

এছাড়াও এই নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিয়েছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমীর মুফতি সৈয়দ ফয়জুল করীম, ইশা ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি শাইখ ফজলুল করীম মারুফ, সাংগঠনিক সম্পাদক এমদাদুল্লাহ ফাহাদ, নওমুসলিম ডা. সিরাজুল ইসলাম সিরাজী সহ প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।