শনিবার, ২৪ ডিসেম্বর, ২০১৬

বিতর্কিত শিক্ষাআইন বাতিলে ঈমানদার জনতা প্রয়োজনে রক্ত দিবে : পীর সাহেব চরমোনাই



৯২ ভাগ মুসলমানের ঈমান ও আমলের উপর চরম আঘাতকারী এই শিক্ষানীতি, শিক্ষা আইন ও বিতর্কিত সিলেবাস বাতিলে প্রয়োজনে ঈমানদার জনতা জীবন ও রক্ত দিতে প্রস্তুত রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর আমীর মুফতি মুহাম্মদ রেজাউল করীম।

 

তিনি বলেন, বিতর্কিত শিক্ষানীতি, শিক্ষাআইন এবং পাঠ্যসূচীর মাধ্যমে বিরানব্বই ভাগ মুসলমানের দেশে মুসলমানিত্ব ধ্বংস করে হিন্দুত্ববাদ প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন কোনদিন পুরণ করতে দিবে না মুসলমানরা। ভারতের প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র বানানোর চক্রান্ত নিয়ে অতিকৌশলে সিলেবাসের মাধ্যমে নতুন প্রজন্মকে ঈমানহারা করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

 

আজ এক বিবৃতিতে চরমোনাই পীর আরও বলেন, আত্মমর্যাদাশীল একটি স্বাধীন দেশ হিসাবে বাংলাদেশের একটি জাতীয় শিক্ষানীতি অবশ্যই প্রয়োজন। সেই শিক্ষানীতি হতে হবে এ দেশের মানুষের নিজস্ব ঐতিহ্য, ধর্ম এবং সংস্কৃতির পটভূমিকে সামনে রেখে। কিন্তু অত্যন্ত আফসোসের সাথে বলতে হয়, জাতীয় শিক্ষনীতি ২০১০ এ দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের ইতিহাস ও ঐতিহ্য, বোধ-বিশ্বাস এবং চর্চিত ধর্ম ও সংস্কৃতিকে উপেক্ষা করা হয়েছে। বিতর্কিত শিক্ষানীতি ২০১০ এবং প্রস্তাবিত শিক্ষাআইন ২০১৬-এর মতলব যে খারাপ, বর্তমান নতুন সিলেবাসই তার প্রমাণ। এই শিক্ষানীতি বাংলাদেশ ধ্বংসের শিক্ষানীতি। এই শিক্ষানীতি বাংলাদেশ থেকে ইসলাম ও মুসলমান জাতিসত্ত্বা ধ্বংসের রণকৌশল।

 

চরমোনাই পীর বলেন, এই শিক্ষানীতি কোন দেশ প্রেমিক মুসলমান মেনে নিতে পারে না। সরকার এই জঘন্য শিক্ষানীতি বাস্তবায়নে জাতীয় শিক্ষা আইন ২০১৬ পাশ করার উদ্যোগ নিয়েছে। আমরা প্রস্তাবিত শিক্ষা আইন প্রত্যাখ্যান করছি। আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস এদেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ জাতি বিধ্বংসী ষড়যন্ত্রের এই শিক্ষাআইন প্রত্যাখ্যান করবে।