শুক্রবার, ২০ জানুয়ারী, ২০১৭

মূর্তি অপসারণ না করলে ওলামায় কেরাম ও তাওহিদী জনতাকে নিয়ে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে : পীর সাহেব চরমোনাই

পীর সাহেব চরমোনাই দেশের সর্বেচ্চ আদালত সুপ্রীম কোর্ট প্রাঙ্গনে গ্রীস দেবীর ভাস্কর্য স্থাপনের তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, ইসলাম বিরোধী এ সিদ্ধান্ত থেকে সরকার সরে না আসলে ওলামায়েকেরাম ও তাওহিদী জনতাকে সঙ্গে নিয়ে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। গতকাল শুক্রবার জামিয়া রশিদীয়া গোয়ালখালী মাদ্রাসা ময়দানে ইসলামী আন্দোলনের ওলামা ও সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, ক্বওমী মাদ্রাসার স্বীকৃতির দাবিতে এদেশের সকল ওলামায়েকেরাম এখন এক বিন্দুতে ঐক্যবদ্ধ। স্বীকৃতি নিয়ে যদি সরকার তালবাহানা বা নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করেন তাহলে কঠিন আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। পাঠ্য পুস্তকের সংশোধন করায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানিয়ে চরমোনাই পীর বলেন, আন্দোলনের মুখে সরকার সিলেবাস সংশোধন করতে বাধ্য হয়েছে। তবে ধর্ম বিরোধী শিক্ষা আইন ও শিক্ষা নীতিমালা এখনও বাতিল করা হয়নি পীর সাহেব চরমোনাই প্রধানমন্ত্রীকে বলেন অবিলম্বে বিতর্কিত শিক্ষা আইন ও শিক্ষা নীতিমালা বাতিল করুন। নাস্তিক মুরতাদরা পাঠ্যপুস্তক সিলেবাসে কোন পরিবর্তনের চেষ্টা করলে দেশের ৯২ ভাগ মুসলমানদের সঙ্গে নিয়ে তার দাঁত ভাঙা জবাব দেয়া হবে। মানবতার দিক বিবেচনা করে মিয়ানমারে নির্যাতিত মুসলমানদের বাংলাদেশে প্রবেশের সুযোগ করে দিতে এবং সেদেশের সরকারের বিরুদ্ধে জাতীয় সংসদে বিল উত্থাপনের জন্য চরমোনাই পীর বাংলাদেশ সরকারের প্রতি দাবি জানান।

ইসলামী আন্দোলন মহানগর ও জেলা শাখা আয়োজিত ওলামা ও সুধী সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন দলের নগর সভাপতি অধ্যক্ষ মাওলানা মুজ্জাম্মিল হক। নগর সেক্রেটারী মুফতি আমানুল্লাহ ও জেলা সেক্রেটারী শেখ হাসান ওবায়দুল করীমের পরিচালনায় সমাবেশে বিশেষ অতিথি ছিলেন দলের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীর আলহাজ্ব হাফেজ মাওলানা আব্দুল আওয়াল ও যুগ্ম-মহাসচিব অধ্যপক মাহাবুবুর রহমান। এতে উপস্থিত ছিলেন শেখ মোঃ নাসির উদ্দিন, মোঃ মুসা লস্কর, জিএম সজিব মোল্লা, মোঃ তরিকুল ইসলাম কাবির, জিএম কিবরিয়া, আব্বাস আমিন, মুফতি রবিউল ইসলাম রাফে, মুফতি মাহাবুবুর রহমান, মাওলানা আঃ রশীদ, মুফতি গোলামুর রহমান, মাওঃ সিরাজুল ইসলাম, মুফতি ইলিয়াস জাহানাবাদি, মুফতি আরিফ বিল্লাহ, মুফতি নাজমুস সায়াদাত, মাওলানা ওসমান গনী, মুফতি মোস্তফা কামাল কাসেমী, মাওলানা আঃ আজিজ, মাওলানা কারামত আলী, মাওলানা আঃ মান্নান, মুফতি আঃ আজিজ, মুফতি ওয়াদুদ আলী, মাওঃ আবুল হাসান, শ্রমিক নেতা আবুল কালাম আজাদ, ছাত্রনেতা কে এম আব্বাস আলী, মোঃ আমিরুল ইসলাম, এসকে নাজমুল হাসান, মুহাম্মাদ ইসহাক ফরিদী, মোঃ আব্দুল্লাহ আল-নোমান ও এসএম শাহীন হোসেন প্রমুখ।