সোমবার, ৩ এপ্রিল, ২০১৭

ইসলামী হুকুমত প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে সকল শ্রেণী ও পেশার মানুষের অংশগ্রহণ অপরিহার্য: মুফতী ফয়জুল করীম

বগুড়া সংবাদদাতা : ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর সিনিয়র নায়েবে আমীর মুফতী সৈয়দ মোহাম্মদ ফয়জুল করীম (সাহেবজাদা ও খলিফা, শায়েখ চরমোনাই রহ.) বলেছেন, নীতি ও আদর্শ জলাঞ্জলী দিয়ে আদর্শ প্রতিষ্ঠার নজির নেই। ইসলামী আন্দোলন নীতি ও আদর্শের প্রশ্নে আপোসহীন। প্রচলিত আদর্শ বিবর্জিত রাজনীতির করালগ্রাস থেকে ফিরে এসে আদর্শ রাজনীতি প্রবর্তন এবং রাজনীতিতে গুণগত পরিবর্তনে হযরত উলামায়ে কেরামকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে।

তিনি বলেন, উলামায়ে কেরামকে ক্ষমতার মোহ ত্যাগ করে জাতিকে সঠিকপথে পরিচালিত করতে নেতৃত্বে এগিয়ে আসতে হবে। উলামায়ে কেরামকে জেনে-বুঝে ও অত্যন্ত সতর্কভাবে পা ফেলতে হবে। উলামায়ে কেরাম ক্ষতিগ্রস্ত কিংবা বিতর্কিত হলে পুরো জাতি বিতর্কিত হয়ে পড়বে।

তিনি উলামায়ে কেরামের প্রতি বিনয়ের সাথে বলেন, ইসলামী হুকুমত প্রতিষ্ঠায় নায়েবে নবীদেরকে নেতৃত্বে এগিয়ে আসতে হবে। নারী নেতৃত্ব ও তাগুতকে পরিহার না করতে পারলে কোনোদিন ইসলামী হুকুমত প্রতিষ্ঠা করা যাবে না। কিয়ামত পর্যন্ত নারী নেতৃত্বের লেজুরবৃত্তি করতে হবে।



তিনি বলেন, উলামায়ে কেরাম যদি এক প্লাটফর্মে ঐক্যবদ্ধ হয় তাহলে ইসলাম বিদ্ধেষি-নাস্তিক-মুরতাদ গোষ্ঠী মাথা চাড়া দিতে পারবে না। উলামায়ে কেরামের মধ্যে দ্বিধা বিভক্তির কারণে নাস্তিক ও ইসলামবিরোধী শক্তিগুলো ইসলামের বিরুদ্ধে সিন্ডিকেট ভিত্তিক অপপ্রচার চালাচ্ছে। নায়েবে নবী উলামা এক প্লাটফর্মে থাকলে এদেশে ইসলাম প্রতিষ্ঠিত হতে বেশি দিন লাগবে না। ইসলামের বিজয় সুনিশ্চিত হবে, ইসলামকে কেউ ঠেকিয়ে রাখতে পারবে না, ইনশাআল্লাহ।

মুফতী ফয়জুল করীম বলেন, ইসলামী বিপ্লবে সর্বশ্রেণি ও পেশার মানুষের অংশগ্রহণ প্রয়োজন। শুধুমাত্র একশ্রেণির মানুষের উপর নির্ভর থাকলে ইসলাম প্রতিষ্ঠা সুদুর পরাহত হবে। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এমন একটি সংগঠন এখানে সকল শ্রেণি ও পেশার মানুষের অংশগ্রহণ বিদ্যমান।

রবিবার (২ এপ্রিল) বগুড়ার দুপচাঁচিয়া তালোড়া আলতাফ আলী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে বিশাল ইসলামী মহাসম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।